গোমাতলী মুনছেহেরিয়া মাদরাসায় জরাজীর্ণ ঘরে পাঠদান

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও:
কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী মুনছেহেরিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসায় জরাজীর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাশ করছেন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইউনিয়নের পশ্চিম গোমাতলীতে প্রতিষ্টিত মুনছেহেরিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসা র্দীঘ দিনের পুরানো ভাঙ্গাচুরা টিনসেড ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাশ করছেন শিক্ষক ও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। ওই এলাকার ২ শতাধিক ছেলে-মেয়ে বর্তমানে মাদরাসাটিতে লেখাপড়া করছেন। বর্তমান সরকার মাদরাসা শিক্ষার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব রোপ করেছেন। মাদরাসাটিতে ১৮ জন শিক্ষক কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে আছেন ১৪ জন। মাদরাসাটি ইউনিয়নের বৃহত্তর গোমাতলীর পশ্চিম পাড়া এলাকায়। অনেকে বিভিন্ন সময় ভবন নির্মানের আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বলেন, জরার্জীন ভবনে ক্লাশ করতে ভয় লাগে, একটি নতুন ভবন তৈরি হলে আনন্দে লেখাপড়া করতে পারতাম।

মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল কবির বলেন, মাদরাসার নিজস্ব অর্থায়নে করা ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। টিনসেড ঘরটিও নড়বড়ে, যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রীদের ক্লাশ করাতে হয়। মাঝে মধ্যে গাছ তলায়ও ক্লাশ করাই। বর্তমানে ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৮০ জন। তিনি আরো জানান, অচিরেই মাদরাসার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে যোগযোগ করা হলে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মৌলভী আবদুল্লাহ বিন সৈয়দ সিদ্দিকি বলেন, মাদরাসার জরাজীর্ণ ভবন যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। গেল ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু-মোরা’র আঘাতে মাদরাসা ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়ছে। বার বার তাগিদ দেয়া সত্বেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কোন মাথা ব্যাথা নেই। অতিসত্বর নতুন ভবন করা একান্ত প্রয়োজন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.