ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ তুরস্ক বরাবর দাবী করে আসছে, সৌদির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
মঙ্গলবার ট্রাম্প জানান, খাসোগি হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক মহলের নিন্দা সত্ত্বেও সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের মতোই থাকবে।
গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটের ভিতর খাসোগিকে হত্যা করে সৌদি ঘাতকরা।
মঙ্গলবারের বিবৃতিতে ট্রাম্প স্বীকার করেন, সৌদি জুবরাজ সালমান ‘হয়ত খাসোগির হত্যার বিষয়ে খুব ভালো করেই জানতেন’। এরপরেই তিনি যোগ করেন, ‘হয়ত সে জানত, হয়ত বা সে জানত না।’
পরে ট্রাম্প জানান মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এই হত্যার বিষয়ে ‘শতভাগ’ নিশ্চিত কোনও মতামত দেয়নি।
আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, সৌদি যুবরাজ, যিনি এমবিএস নামেই বেশি পরিচিত, খাসোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে সিআইএ।
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর রিপাবলিকান সিনেটর বব কর্কার ও ডেমোক্রেট বব মেনেন্ডেজ সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে তারা ট্রাম্পকে ফের এই হত্যার তদন্ত করতে বলেন। এবারের তদন্তে খাসোগি হত্যায় এমবিএসের ভূমিকা নিশ্চিত করতে বলেন তারা।
‘কোনও বিদেশি ব্যক্তি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন বা অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের লজ্জাজনক ঘটনার সাথে জড়িত কিনা’ এবারের তদন্তে সেটা নিশ্চিত করতে বলে সিনেট কমিটি।
আগামী ১২০ দিনের মধ্যে সিনেট কমিটির এই অনুরোধের জবাব দিতে হবে।
বিপথগামী সৌদি এজেন্টরা খাসোগিকে হত্যা করেছে বলে দাবী সৌদি আরবের। কিন্তু এতে এমবিএস জড়িত থাকার বিষয়টি থাকার অভিযোগ তারা অস্বীকার করছে।
রোববার মার্কিন ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি খাসোগি হত্যার যে অডিও রেকর্ডিং তুরস্ক সিআইকে দিয়েছে সেটি তিনি শুনতে অস্বীকার করেছেন।। ‘যন্ত্রণার টেপ শুনতে চাই না’, বলেন তিনি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.