কোন অশুভ শক্তির ইন্দনে টেকনাফ থানা পুলিশের এমন তেলেসমাতি কান্ড! 

 

বিশেষ  প্রতিবেদকঃ

উদুর পিন্ডি ভূদুর গাড়ের মত ঘটনা ঘটাল টেকনাফ থানা পুলিশ। গত ২১ নভেম্বর দুপুর ২টার সময় টেকনাফ থানার এস আই মোঃ শাহজাহান কবির বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত ৩ এ বিচারাধীন জি আর ৪৯/১৪০ নং মামলার আসামিদের বিরোদ্ধে মাল ক্রোকের আদেশ তামিল করতে মামলায় উল্লেখিত আসামিদের ঘরে না গিয়ে নিরপরাধীর ঘরে মাল ক্রোকের আদেশ তামিল করতে যান। জি আর ৪৯/ ১৪০ নং মামলার প্রকৃত আসামীরা হলো টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাজম পাড়ার বশির আহামদের ছেলে যথাক্রমে আবুল কালাম, আবুল কাসেম ও মৃত মোহাম্মদ হোছনের ছেলে বশির আহামদ। এস আই শাহজাহান কবির উপরোল্লেখিত আসামিদের ঘরে না গিয়ে তিনি তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আদালতের মাল ক্রোকের আদেশ তামিল করতে যান হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কান্জর পাড়ার মৃত হোছনের ছেলে আবুল বশরের ঘরে। সঙ্গে স্থানীয় চৌকিদার শেখ কবিরও ছিল।  এস আই শাহজাহান কবির আবুল বশরের অনুপস্থিতিতে বাড়ীর অন্য সদস্যদের বলেন আবুল বশরের বিরোদ্ধে আদালতের মাল ক্রোকের আদেশ রয়েছে বলে জানান। এই খবর শুনে  বাড়ী থেকে আবুল হোসেনকে ফোন করে জানানো হয় বলে জানান। খবর শুনে আবুল হোসেন স্থানীয় মেম্বার আঃগফ্ফারকে মোবাইলজেও ফোনে জানিয়েছে বলে জানান। খবর শুনে মেম্বার আঃ গাফ্ফার আবুল হোসেনের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে এস আই মোঃশাহজাহান কবিরকে দেখে এ বাড়ীতে আসার কারণ জানতে চায় বলে জানান আঃ গাফ্ফার. মেম্বার। উত্তরে এস আই মোঃশাহজাহান কবির বলেন আবুল বশর মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামি।

তার বিরোদ্ধে জি আর ৪৯/১৪০ নং মামলায় আদালতের মাল ক্রোকের আদেশ রয়েছে বলে জানান। এই কথা শুনে মেম্বার আঃ গাফ্ফার বলেন,কোথাও যেন ভূল হচ্ছে বলে মনে হয়। এস আই শাহজাহান কবির কোন ভূল হচ্ছেনা বলে জানালেও মামলার আদেশের কোন কাগজপত্র কাওকে দেখাইনি বলে জানান। উপস্থিত জনপ্রতিনিধি  ও সাধারণ মানুষের কোন কথা না শুনে আবুল বশরের বাড়ীর আসবাবপত্র সহ মালামাল বাড়ীর আঙিনায় বের করে ফেলে এস আই শাহজাহানের নির্দেশে সঙ্গীয় সিপায়ীরা। এই অবস্থা দেখে আবুল বশরের পরিবারের অনুরোধে মেম্বার আঃগফ্ফার আবুল বশরকে পরদিন সকালে থানায় নিয়ে যাবে বলে কথা দিলে এস আই শাহজাহান আবুল বশরের পরিবার থেকে স্থানীয় চৌকিদারের মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা খরচ আদায় করে আবুল বশরকে পরদিন অর্থাৎ নভেম্বরের ২২ তারিখ সকাল ১০-০০ ঘটিকায় থানায় গিয়ে তার সাথে দেখা করার কড়া নির্দেশ দেন এবং তার একটি ভিজিটিং কার্ডের পেছনে নিজ হাতে মামলার নাম্বার লিখে দিয়ে বের করা মালামাল রেখে চলে যেন এস আই মোঃশাহজাহান কবির। এই ব্যপারে আমেদের ক্রাইম রিপোর্টার এস আই মোঃশাহজাহান কবিরের কাছে জানতে চাইলে, তিনি জানান থানায় নতুন জয়েন্ট করায় এখনো পরিচয় লাভ করিনি তাই ভূল হয়েছে বলে দাবী করেন। ৩ হাজার টাকা কেন নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। স্থানীয় মেম্বার এবং উপস্থিত জন সাধারণ সকলেই জানান এস আই শাহজাহান কবির ৩ হাজার টাকা নিয়েছে। এস আই শাহজাহান বলেছেন ভূল হয়েছে। আমাদের প্রশ্ন পরদিন ( ২২/ ১১/ ২০১৭) দুপুর পর্যন্ত কেন আবুল বশরকে বারবার ফোন করে ধমক দিয়ে থানায় এসে এস আই শাহজাহানের সাথে জরুরি দেখা করতে বললেন? আমাদের ক্রাইম রিপোর্টার এস আই শাহজাহান কবিরের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেন বিকাল ৪-১৪ ঘটিকার সময়। এর আগ পর্যন্ত কোন ভূল ছিলনা কেন? নাকি টেকনাফ মডেল থানার কোন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে এই জঘন্য তেলেসমাতি কাজ করার চেষ্টা করেছেন। কারণ টেকনাফ মডেল থানার ১নং বাবু আর ২ নং বাবুরা তাদের পুরাতন বস সাবেক পুলিশ পরিদর্শক সাবরাং অঞ্চলের বাসিন্দা সেই বস দিনকে রাত বললে টেকনাফ মডেল থানার বড় বাবুরাও দিনকে রাত বলে আর রাতকেও দিন বলে। তার প্রমাণ অহরহ দেওয়া যাবে। এই ঘটনাও যে সেই বসের ইন্দোনেশিয়ার হয়নি তার কি যূক্তী থাকতে পারে? যে আবুল বশরের উপর অন্যের মামলার মাল ক্রোকের আদেশ তামিল করতে গিয়েছিল সেই আবুল বশর সাবরাং এর মৃত হাজী আব্দুল করিমের ২য় স্ত্রীর সন্তান আব্দুর রহিম গং ৩য় স্ত্রীর প্রথম ছেলে আবছারুল করিম গংদের লবণ মাঠের দীর্ঘদিনের চাষা। আর টেকনাফ থানায় দায়ীত্বরত বড় বাবুদের এক সময়ের বস সেও মৃত হাজী আব্দুল করিমের বড় ছেলে।তাই সচেতন মহলের দাবী তার ভাইদের সাথে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় ভাইদের লবণ চাষের ব্যাঘাত ঘটাতে তার পুরনো শিষ্যদের দিয়ে লবন চাষী আবুল বশরকে মিথ্যা আইনি হয়রানি করাচ্ছে বলে মত ব্যক্ত করেন।

Comments are closed.