কে এই বেনাপোলের কামাল? রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে

প্রতিবেদক : বেনাপোল কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চোরাচালানি পন্য পাচার করে কোটি কোাটি টাকার মালিক বনে গেছে ঐ কুরিয়ারের এজেন্সি প্রতিনিধি কুখ্যাত চোরাচালানি কমাল। জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ”কে এই কামাল”। বাইসাইকেলে পায়ে হেটে বেনাপোলের দিঘিরপাড় গ্রাম থেকে বেনাপোল বাজারে আসত এই কামাল।

সে বিগত এক যুগের ও বেশী সময় ধরে কুরিয়ারের মাধ্যমে মাদকব্রব্য সহ ভারত থেকে আনা শাড়ী থ্রি-পিছ চন্দনকাঠ সহ নানা ধরনের পন্য কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে ধরাকে সরা জ্ঞান করছে না।

সম্প্রতি এই চোরাকারবারী কামাল বেনাপোল বাজার এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চোরাচালানির ব্যবসা মজবুত করে বসেছে। সে কখনো দৈনিক ভেরর কাগজ, দৈনিক যুগান্তর ও কখনো দৈনিক নওয়াপাড়া নামে পত্রিকার পরিচয় দিয়ে চোরাচালানি ব্যবসা করছে। সে গত ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় ৪৬ পিছ উন্নত মানের শাড়ী থ্রিপিছ ও লেহেঙ্গা পাঠানোর জন্য কুরিয়ার সার্ভিসের ভিতর প্যাকেট জাত করার সময় বিজিবি এসে হাতে নাথে ধরে ফেলে। এরপর সে বিজিবিকে নামাজ পড়ার কথা বলে ভোদৌড় দিয়ে এ যাত্রা রেহাই পেয়েছে।

এর আগে এজেন্সি প্রতিনিধি কামাল বেনাপোল কন্টিনেন্টাল কুয়িারের মাধ্যমে চন্দন কাঠ পাচার করতে যেয়ে কয়েকদফা ধরা পড়েছে। তবে চালাক কামাল সে যখন কুরিয়ারে নির্দিষ্ট গন্তব্য মালামাল বুকিং করে তার নিজের চোরাচালানী মাল ও অন্য বেনামে বুকিং করে রিসিট লেখে। আর প্রাপকের সাথে সে মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে সব কিছু ঠিক করে মালামাল প্রেরন করে।

সুত্র জানায়, দিঘিরপাড় গ্রামে কামাল হোসেন একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকত এক যুগ আগে। সে শাড়ি থ্রিপিছ চন্দন কাঠ কুরিয়ারের মাধ্যমে পাচার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। সেখানে এখন সে অট্রালিকা গড়ে তুলে তার সামনে ভাড়া থাকে। সুত্র জানায় কামাল যদি বাড়ি থাকে তাহলে তার বাড়িতে পুলিশ বিজিবি তাকে যে কোন সময় চোরাচালানি পন্য সহ আটক করতে পারে তার জন্য সে ভাড়া বাড়িতে থাকে। সুত্র আরো জানায়, যশোর শহরের কয়েকটি স্থানে জমি সহ একাধিক বাড়ী করেছে ইতিমধ্যে।

সম্প্রতি তার কুরিয়ার থেকে শাড়ি থ্রি-পিছ আটকের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ হলে সে বেনাপোলের দৈনিক স্পান্দনের প্রতিনিধিকে জীবন নাশের হুমকি দেয়। এ নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি সাধারন ডায়েরী সহ কাস্টমস গেটের সামনে মানববন্ধন করেছে বেনাপোলের কর্মরত সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য সে চোরাচালানি ব্যবসাকে সফল করে তুলতে সম্প্রতি প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকতাদের লোকের সাথে সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড করছে। এ নিয়েও নানা সমালোচনা হচ্ছে এলাকায়। এলাকার লোক জন বলছে সে মানুষকে ধোকা দিতে প্রশাসনের লোক নিয়ে ছবি তুলছে যাতে সাধারন মানুষ মনে করে কামালের বড় বড় জায়গায় হাত রয়েছে।

Comments are closed.