নীতিশ বড়ুয়া, রামু
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ আসনে বর্তমান সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন। এ খবর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার প্রবাসীরা দলে দলে দেশে ছুটে আসছেন। জনপ্রিয় জননেতা সাইমুম সরওয়ার কমলকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করে এলাকার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতেই তারা দেশে আসছে বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
জাতীয় শ্রমিকলীগ জেদ্দা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক, রামু উপজেলার বাসিন্দা আজিজুল হক আজিজ জানান, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে বিএনপিকে পরাজিত করতে বর্তমান সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলের বিকল্প নাই। কারন তিনি দীর্ঘ দশ বছরের অধিক সময় ধরে সদর ও রামু উপজেলার অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন তথা দুর্গম এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালর্ভাট নির্মাণ, বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে যাচ্ছেন। তিনি জানান, আওয়ামীলীগের দুর্গ ভেঙ্গে বিএনপি কক্সবাজার-৩ আসনটি দখলে নিয়েছিলো। সাইমুম সরওয়ার কমল প্রজ্ঞা, মেধা, ভালবাসা ও উন্নয়ন দিয়ে বিএনপির দুর্গ ভেঙ্গে খান খান করে দিয়েছে। সাইমুম সরওয়ার কমলের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠন ছাড়াও এলাকার সাধারণ মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। আমরা যারা প্রবাসে থাকি তাদেরকেও তিনি বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছেন। সাইমুম সরওয়ার কমলকে আওয়ামীলীগের মনোনয়নের খবরে প্রবাসীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
ঈদগাহ এলাকার সৌদি প্রবাসী আবু সৈয়দ সবুজ মুঠোফোনে জানান, আগের এমপিকে এলাকার মানুষ কোন সময় দেখে নাই। এমপি’র মাধ্যমে যে এলাকার উন্নয়ন হয় সে কথা সাধারণ মানুষ ভুলেই গিয়েছিলো। সাইমুম সরওয়ার কমল বিগত দশ বছর ধরে, বিশেষ করে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ খবর নিয়েছেন। সে সাথে তিনি এলাকার অভুতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। যা বিগত সময়ে কোন এমপি করতে পারে নাই। এধরনের একজন জনবান্ধব নেতাকে আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দিচ্ছেন এখবর ছড়িয়ে পড়লে সৌদি প্রবাসীরা দলমত নির্বিশেষে কমলের পক্ষে কাজ করতে দেশে ছুঠে আসছেন। আবু সৈয়দ সবুজ জানান, তিনিসহ তাঁর এলাকার শতাধিক প্রবাসী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে এসে প্রিয় কমল ভাইকে জিতাতে একযোগে কাজ করবেন।
মক্কা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ সভাপতি, রামু উপজেলা চাকমারকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ ইব্রাহিম জানান, ইতিমধ্যে সদর ও রামু উপজেলার দু’শতাধিক প্রবাসী কমল ভাইয়ের পক্ষে কাজ করতে দেশে এসেছেন। আরো সহ¯্রাধিক প্রবাসী আসার পথে রয়েছেন। তিনি জানান, কক্সবাজারে সাইমুম সরওয়ার কমলই একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি জাতিসংঘে বক্তব্য রেখে কক্সবাজারবাসিকে গর্বিত করেছেন। তিনিই একমাত্র সাংসদ যিনি মহান জাতীয় সংসদে অবহেলিত এলাকার চিত্র তোলে ধরে বক্তব্য রেখে সংসদের শ্রেষ্ট বক্তার স্বীকৃতি লাভ করে সদর-রামুবাসিকে গর্বিত করেছেন। কক্সবাজার-৩ আসনে এমপি কমলের সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তার তিন ভাগের এক ভাগ উন্নয়ন কোন এমপি করতে পারেনি বলে উল্লেখ করে প্রবাসী ইব্রাহিম।
রাজারকুলের বাসিন্দা প্রবাসী মনির আহমদ জানান, তিনি রাজনীতির সাথে কোন সময় জড়িত ছিলেননা। দেশে এসে জানতে পেরেছেন বর্তমান সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দিচ্ছেন। তাই এমপি কমলের পক্ষে কাজ করতেই তিনি আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দেশে থাকবেন। তিনি জানান, পিছিয়ে পড়া রামু এমপি কমলের সময়ে উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। রাস্তা, ব্রীজ, কালভার্ট ও অবকাটামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি অকল্পনীয় উন্নয়ন করেছেন। হিসেব করলে দেখা যায় কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলায় তার নেতৃত্বে ১৯ টি নতুন উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তাছাড়া গ্রাম ভিত্তিক অসংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে তাঁর প্রচেষ্টায়। এমপি কমলের প্রচেষ্টায় রামুবাসির দীর্ঘদিনের আকাঙ্খিত স্বপ্ন, রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও রামু কলেজ সরকারি হয়েছে। এরকম একজন শিক্ষা বান্ধব ও উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নকারিকে পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত করতেই দলমত নির্বিশেষে আমরা প্রবাসীরা দেশে চলে আসছি।
ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোয়ার বাসিন্দা, সৌদি প্রবাসি ফরিদুল আলম ও চাকমারকুলের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসি জালাল আহমদ জানান, যেখানে দুর্যোগ সেখানেই এমপি কমলকে ছুটে যেতে দেখা যায়। তিনি ১৯৮৮ ও ১০৯৮ সালের বন্যা, ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরি ঘুর্ণিঝড়, ২০০৪ সালে উত্তর বঙ্গে বন্যা, ২০১২, ২০১৪ সালের বন্যায় দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করে কক্সবাজারবাসির হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি ২০০৭ সালে সিডরে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য বাগেরহাটের শরণখোলায় ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেছেন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের একমাত্র এমপি হিসেবে নেতাকর্মী নিয়ে ভুমিকম্পে বিধ্বস্থ নেপালে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের জন্য ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেছেন। এমপি কমল স্বেচ্ছাশ্রমে অসংখ্য রাস্তা নির্মাণ করেছেন এলাকায়। তাছাড়া এলাকায় মসজিদ, মন্দিরের উন্নয়ন ও আলেম সমাজের পক্ষে সাহসী ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন এমপি কমল। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি মায়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং রোহিঙ্গা শরনার্থীদেরকে কক্সবাজার সদর-রামুবাসির পক্ষ থেকে ১০১ ট্রাক চাল উপহার দিয়েছেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.