কত শরণার্থী ঢুকছে বাংলাদেশে এর সঠিক হিসাব নেই

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ মিয়ানমারে সাম্প্রতিক সহিংসতায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গার প্রকৃত সংখ্যা কত, এ নিয়ে রয়েছে নানা তথ্য। কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারছে না কত শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যম ৭৩ হাজারের কথা বললেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, এই সংখ্যা দেড় লাখেরও বেশি।

মিয়ানমারে সহিংসতার শুরুর পর–পার হয়েছে ১১ দিন। সীমান্তের ওপাড়ে কি হচ্ছে বোঝা না গেলেও এখনো থেমে নেই শরণর্থী স্রোত। প্রথমদিকে বিজিবি বেশ কড়া মনোভাব দেখালেও পরে মানবিক বিবেচনায় অনেকটা শিথিল করা সীমান্ত দিয়ে দিনে-রাতে ঢুকছে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ৭৩ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কথা বললেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হিসাবে তা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি, ৩৫ হাজার ঢুকেছে, জালিয়াপালং ইউনিয়ন সীমান্ত দিয়ে। আর সবচেয়ে কম অনুপ্রবেশ করেছে পালংখালি উনিয়নে। এ সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।

ইউনিয়নের নাম -অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা (প্রায়)১. ঘুমধুম – ২৮,০০০ ২. বালুখালি- ১২,০০০ ৩. পালংখালি – ১১,০০০ ৪. হ্নীলা – ১৪,০০০ ৫. জালিয়াপালং – ৩৫,০০০ ৬. সাবরাং – ৪২,০০০ ৭. হোয়াইক্যং – ৩০,০০০।

কুতুপালং, বালুখালীসহ বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরের আশপাশে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ছাউনি। পলিথিন আর বাঁশ দিয়ে বানানো হচ্ছে কোনো রকমে মাথা গোঁজার ঠাঁই।

দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে এসব উদ্বাস্তু মানুষের দুর্ভোগ। জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, এখনই অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের সঠিক তালিকা না হলে, তাদের ফিরিয়ে দেয়া কঠিন হবে। স্থায়ী হয়ে যাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীর বোঝা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.