ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো স্বীকৃতিতে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ।

 

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল (চকরিয়া)প্রতিনিধি

ইতিহাসের রাখাল রাজা স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরী অব দ্যা ওয়াল্ড” ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির  মাধ্যমে সম্মাননা অর্জনের জন্য চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুুষ্ঠিত হয়েছে।উল্লেখ্য ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক এই ভাষণকে ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (এমওডব্লিউ) এর তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে ।গত৩০ অক্টোবর সোমবার প্যারিসে ইউনেস্কোর হেডকোয়ার্টারে এ ঘোষণা দেন মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা।

২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টার দিকে চকরিয়ায় চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাক বাংলোর সামনে থেকে র্যালীটি বের হয়ে পৌরশহরের মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গিয়ে সমাপ্ত হয়।এসময়  অানন্দ শোভাযাত্রা শেষে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আলহাজ্ব জাফর আলম  বক্তব্যকালে বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতিকে মুক্তির দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন।বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ৭ মার্চের সেই ভাষণটি উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছিল বাঙালি জাতিকে।আর সেই ভাষণ থেকেই মুক্তিকামী বাঙ্গালি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দিক-নির্দেশনা পেয়েছিল,পেয়েছিল সংগ্রামের অনুপ্রেরণা। বঙ্গবন্ধুর ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সেই জ্বালাময়ী ভাষণে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত হয়েই বাঙালি জাতি ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার মধ্যদিয়ে লাল সবুজের পতাকা।স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য আত্নত্যাগ, জেল জুলুম,নানা বৈরি প্রতিকুলতার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছিল বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সর্বভৌম বাংলাদেশের ভূখন্ডের মানচিত্র।

উক্ত আনন্দ শোভাযাত্রায় ও অালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ(অনার্স)এম এ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী,চকরিয়া পৌরসভার মেয়র মোঃ আলমগীর চৌধুরী,চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী,চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ একেএম গিয়াস উদ্দিন,জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বর্ণমালা একাডেমী চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ দুলাল,জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু,চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা:মোহাম্মদ শাহবাজ,চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মো.মিজানুর রহমান,চিরিংগা ইউপি চেয়ারম্যান মো.জসিম উদ্দিন,কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান মো.শওকত ওসমান, বিএমচর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জাহাঙ্গীর আলম,বদরখালী ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল বশরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ,চকরিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মনজুর,চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক নুরুল আখের, চকরিয়া পৌরসভা ৮ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও কোরক বিদ্যাপীঠের পরিচালনা কমিটির সদস্য শওকত হোসেন,চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউচার উদ্দিন কছির, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ,সরকারী-বেসরকারী দপ্তরের কর্মকর্তারা,চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও কৃষকলীগ অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

Comments are closed.