ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, রামুতে ব্যাপক প্রস্তুতি

খালেদ হোসেন টাপু,রামু
বঙ্গোপসাগর থেকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়মোরামোকাবেলা করতে কক্সবাজারের রামুতে প্রস্তুতি সভা করেছে উপজেলা পরিষদ উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা মিলনায়তনে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ নিকারুজ্জামান, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুল হক কোম্পানী, ফতেখাঁরকুল চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, গর্জনিয়া চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উদ্যান তত্ববিদ এমরান কবির, সহকারী প্রকৌশলী আলা উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন ইসলাম, মাধ্যমিক কর্মকর্তা আবু তৈয়ব, উপসহকালী প্রকৌশলী মোঃ মাসউদ রানা সায়েম, রামু প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমীর হোছাইন হেলালী, সমবায় কর্মকর্তা সেলিম উল্লাহ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন খন্দকার, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মঈন উদ্দিন, সূর্যের হাসির ম্যানেজার খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার সাইফুদ্দিন খালেদ, উপজেলা সহকালী শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিমগীর হোসেন, চাকমারকুল চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, কাউয়ারখোপ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, জোয়ারিয়ানালা চেয়ারম্যান কামাল শামসু্িদ্দন প্রিন্স, রশিদ নগর চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম,দক্ষিণ মিঠাছড়ি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টো, রাজারকুল চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুফিজ রামু প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধি খালেদ হোসেন টাপু রামু ফকিরা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুল আলম প্রমুখ।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলি বলেন, উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ের সংকেতসহ পতাকা উত্তোলন, মাইকিং করে লোকজনকে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা মূলক প্রচার, আশ্রয় কেন্দ্র মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।
রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম বলেন, উপজেলা প্রশাসন উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়নসহ সব গুলো ইউনিয়নের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানী, সকল প্রকার যানবাহন প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা, দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগ কালীন পরবর্তী সময়ে খাদ্য সরবরাহ, মেডিকেলটিম গঠনসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়।
সভায় বক্তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় অতীত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, দূর্যোগের সময় এলাকার প্রত্যেক মসজিদের মাইক ব্যবহার করে জনগনকে সতর্ক করার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, দুর্যোগের সময় সকল সাইক্লোন সেল্টার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খূলে দিতে হবে। মানুষ যেন আশ্রয়হীন না থাকে। যেন প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রাখতে হবে। দূর্যোগ কবলিত এলাকায় সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান গুলোকে সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করতে হবে

Comments are closed.