ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদের দুর্নীতির দ্বিতীয় পর্ব ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে উন্নয়নের নামে চলছে ব্যাপক লুটপাট

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়কে উন্নয়নের নামে ব্যাপক লুটপাট চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়কের তেতুল তলা ও কালীগঞ্জ মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের পাশে সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। সড়ক উন্নয়নের দেড় কিলো মিটার সড়কের জন্য বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা ১০% লেস দিয়ে কাজের বরাদ্দ দাড়ায় ৫ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। এই কাজ সড়ক ও জনপথ বিভাগীয় অফিস খুলনা থেকে টেন্ডার করান হয়েছে কিন্তু কাজ বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খানের।

 

ইতিমধ্যে সেলিম আজাদ খান ঝিনাইদহ শহরের আরাবপুর মোড়, তসলিমা ক্লিনিকের সামনে, যশোর ঝিনাইদহ সড়কের তেতুলতলা বাজার, কালীগঞ্জ মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের সামনে সহ আরো বেশ কয়েকটি জায়গার রাস্তা মেরামতের ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন ঠিকাদারের নামে আর.এফ.কিউ ও ডি.পি.এম করে বিল উঠিয়ে নেয়।

 

সুত্রে জানা গেছে, উক্ত কাজে বেজ টাইপ এক এ ৮ ইঞ্চি উচ্চু করে ৩ ঝুড়ি পাথরে এক ঝুড়ি করে বালি দিতে হবে। তার উপর ২ ইঞ্চি পাথর পিচ দিয়ে করে তার উপর ৭ মিলি কুচি পাথর দিয়ে কারপেটিং করে কাজ শেষ করতে হবে। রাস্তা খুড়ে পূর্বের যে পাথর বাহির হয় তা আবার দেওয়া যাবে না। তারপর ও কাজের শুরুতে ৮ ইঞ্চির স্থানে উচ্চতা ৬ ইঞ্চি ১ ঝুড়ি পাথর আর এক ঝুড়ি বালি অর্থাৎ অর্ধেক পাথর আর অর্ধেক বালি ও সেই সাথে ফেলে দেওয়া পুর্বের পাথর নাম মাত্র পাশে ফেলে রেখে এই পাথরের সাথে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

 

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খানের সাথে যোগ সাজগে এই ভাবে চলছে সড়ক উন্নয়নের কাজ। যার অর্ধেক পাবে প্রকল্পের ঠিকাদার আর অর্ধেক সেলিম আজাদ খান। এ প্রসঙ্গে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদের ০১৭৩০৭৮২৭৭০ নম্বরে যোগাযোগ করে কথা বলার চেষ্টা করলে সে মোবাইল রিসিপ না করার কারনে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Comments are closed.