জীবন আরাদের দৌরাত্বে ধ্বংসের মুখে কক্সবাজার

স্টাফ রিপোর্টার- জাহাঙ্গীর আলম॥

গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার শহরের “টক অব দ্যা ডে” ছিল কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মানস বড়ুয়া কর্তুক একজন মহিলাকে অমানবিক ভাবে নির্যাতনের বিষয়টি। পত্রিকা ও ফেসবুকের সুবাধে জানতে পারলাম যে, এসআই মানস জীবন আরা নামক একজন মহিলা আসামীকে তাহার (জীবন আরা) স্তন ও গোপনাঙ্গে ইলেকট্রিক শক দিয়াছিল। খুবই অবাক ও বিভৎস নিউজই বটে! আধুনিক যুগের একজন পুলিশের এমন কাজ অবশ্য ঘৃণার যোগ্য। তবে উক্ত অভিযুক্ত এসআই মানসের জন্য কমেন্ট বক্সে কিছু ঘৃণা রেখে যাওয়ার আগে কৌতুহল বশতই আগ্রহ হল প্রকৃত ঘটনা জানার।

(কক্সবাজার সদর মডেল থানার সুনামধন্য ও দক্ষ এসআই মানস বড়ুয়া)

এসআই মানস বড়ুয়া কক্সবাজার সদর মডেল থানায় কর্মরত এসআই মানস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের এক পর্যায়ে জানতে পারলাম যে, সে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে কেমিস্ট্রিতে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সরাসরি এসআই হিসাবে যোগদান করে সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য এলাকার সু-খ্যাতি রয়েছে। পুণ্যি বড়ুয়া নামক প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজী মাস্টার্স সম্পন্ন করা একজন সু-শিক্ষিত সভ্য মহিলা তার স্ত্রী। তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল ছিল সিএমপি চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায়। সার্বিক পরিস্থিতিতে এসআই মানসের দ্বারা এমন গর্হিত কাজ বেমানান বলেই প্রতীয়মান হয় তথাপিও মুদ্রার অপর পিঠ তথা অভিযোকারী জীবন আরার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের দিকে দৃষ্টি দেই। জীবন আরা  জন্ম ও বেড়ে উঠার সাথে ইয়াবার সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবেই জড়িত বলা যায়। তাহার জন্ম ও বেড়ে উঠা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা এলাকায়। দৈহিক আকর্ষণে বেশ কয়েকজন পুরুষের পানি গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া যায়। লোকমুখে শুনা যায় যে, এই পর্যন্ত কমপক্ষে ৪/৫ জনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। সর্বশেষ লিংক রোডের জনৈক আলী আহম্মদ কোম্পানী ছিল তাহার টার্গেট উদ্দেশ্যে ইয়াবার ব্যবসার ট্রানজিট হিসাবে লিংক রোডে একটি নিরাপদ আস্থানা গড়ে তোলা। উক্ত জীবন আরার পরিবারের জীবিত সদস্য কমই আছে যাদের গায়ে ইয়াবার গন্ধ নাই। তার ভাই, বোন ও বোনের স্বামী সহ প্রায় সকলেই কম-বেশি উক্ত ব্যবসার সাথে ওতপ্রোতভাবেই জড়িত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কার পক্ষে কথা বলবো জীবন আরার নাকি এসআই মানসের? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে এটা জানতে হবে আমি কি ইয়াবা ব্যবসায়ীর পক্ষে নিব নাকি পুলিশের? জীবন আরার জীবন আমাদের ভবিষ্যতের মরণের রাস্তা নয়তো? বিউটি পার্লার মানুষের জীবনের বিউটি আনে নাকি অন্য কিছু? কক্সবাজার এমন এক জায়গায় যেখানে পান বাজারে ঔষধ বিক্রী হয়। সর্বশেষ বলতে পারি যে, আমার জানামতে কোন বাঁচা মিয়াই বেঁচে নেই। আশা করি জীবন আরারা জীবিত থাকবে না।

Comments are closed.