ওয়ালশকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে কিউইদের!

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ কোর্টনি ওয়ালশ। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেটের বিশ্বরেকর্ড গড়া বোলার। কিংবদন্তি বোলার হিসেবে তার মতো ফাস্ট বোলারের তুলনা মেলা ভার। সেই ওয়ালশ এই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের বোলিং কোচ। কাজটা মূলত টাইগার ফাস্ট বোলারদের নিয়ে। আর সেই কারণেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই সাবেক পেসারকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের।

জিম্বাবুয়ের সাবেক ফাস্ট বোলার হিথ স্ট্রিকের হাত ধরে বাংলাদেশের পেস শক্তি হিসেবে উত্থান। কিন্তু তিনি চাকরি ছাড়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পেয়েছে ওয়ালশের মতো মহারথীকে। এখন পর্যন্ত ওয়ালশ যে পরিকল্পনা দিয়েছেন টাইগার দলে তাতে ব্যর্থতার অবকাশ আসেনি।

কদিন আগেও ইনজুরি থেকে ফেরা ও পুনর্বাসনে থাকা মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ২১ বছরের বোলারকে আরো ধারালো করার কৌশল কিছুটা তো যোগ করেছেনই। নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে তাসকিনও পড়েছেন ওয়ালশের হাতে। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি, মোহাম্মদ শহীদ, শুভাশিস রায় সহ আরো নবীন পেসার নিয়েও কাজ করেছেন। স্পিডস্টার এবাদত হোসেনকে লাইমলাইটে আনার কৃতিত্বও তার।

নিউজিল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে এই ভাবনাগুলো তো আছেই। আরো ধার বেড়েছে সবার। কিন্তু কিউইদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা খেলোয়াড়ি জীবনে ওয়ালশের নিউজিল্যান্ড সফরগুলোর অভিজ্ঞতা। ১৩২ টেস্টে ৫১৯ টেস্ট উইকেট শিকার ওয়ালশের। ৫৪ বছরের ওয়ালশ থাকবেন ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

নিউজিল্যান্ডের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ভেবে দেখেছে, কিউই মাটিতে নিজের অভিজ্ঞতাটা নিশ্চয়ই টাইগার বোলারদের উজাড় করে দিয়েছেন ওয়ালশ। তাতে বাংলাদেশের আগের সফরের চেয়ে এবার আরো ভালো ফল তো হতে বাধ্য। নিউজিল্যান্ডের কোচ মাইক হেসন তাই রোববার ক্রাইস্টচার্চে কপালে ভাঁজ ফেলেই বললেন, ‘তিনি (ওয়ালশ) খুব জানেন যে নিউজিল্যান্ডে কিভাবে বল করতে হয়।’

কিউই কোচ পরিসংখ্যান থেকে এও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ৩২ উইকেট শিকার করেছিলেন গ্রেট ওয়ালশ। ইনিংসে ৩৭ রানে ৭ উইকেট তার সেরা। ৫৫ রানে ১৩ উইকেট ম্যাচ সেরা। ওয়ালশের নিউজিল্যান্ড অভিজ্ঞতা ভাণ্ডার তো তাহলে যথেষ্টই ঋদ্ধ! কিউইরা তো এই নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকবেই।

Comments are closed.