শেখ হাসিনার বর্তমান সরকার ও প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন-সাফল্য

জে,জাহেদ
বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। বিশেষত: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগে বছরের প্রথম দিনেই সকল শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দিয়ে ১ পহেলা জানুয়ারি হতে দেশব্যাপি পড়াশানা শুরু করার প্রয়াস অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রায় ২কোটি প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীর নিকট পাঠ্য বই পৌঁছে দেযার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ পাঠ্যবই ছাপিয়ে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যালয়ে সংরক্ষণ করে রাখার ব্যবস্থা করা চাট্টি কথা নয়। জাতির জনকের কন্যার বুকের পাটা আর দরদ আছে বলেই, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য তিনি এত বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। সারাদেশে প্রতিটি শিশুর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এ ধরণের উদ্যোগ ও সাহসী পদক্ষেপ জাতি দ্বিতীয় কারও নিকট পাইনি। হ্যাঁ, আমরা আরেকটি এ ধরণের উদাহারণ দেখতে পাই। আর সেটা হলো; জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাজ। স্বাধীনতা উত্তর বিধ্বস্থ বাংলাদেশে তিনি মহান হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে এক ঘোষণায় ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন। যার সুফল জাতি এখন পুরোপুরি পাচ্ছে। যাহোক, এ নিবন্ধে আমি প্রাথমিক শিক্ষা খাতে জাতীয়ভাবে অর্জিত সাফল্যগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো। কেননা দেশের একমাত্র পাহাড় সমৃদ্ধ বদ্বীপ মহেশখালী উপজেলা মতো বিছিন্ন গ্রামে কিভাবে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন চিত্র ফুটে ওঠেছে তা তুলে ধরার প্রয়াস চালাব। আমার জানা মতে এর চেয়ে অশিক্ষিত সমাজ পুর্বে ছিলো না কোন জায়গায়। মহেশখালি উপজেলার এই প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্যের ত্রানকর্তা সরকার বাহাদুর হলেও মাঠপর্যায়ে কঠোর কাঠামোগত প্রশাসনিক পরিশ্রম ও প্রতিটি গ্রাম চষিয়ে শিক্ষার আলোকবর্তীকা জ্বালানো মানুষটির নাম মোঃ শহিদুল্লাহ, যিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসাবে কর্মরত এবং বিভাগীয় ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষাকর্তা সে। যার পরশে মহেশখালি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা উজ্জ্বল। নিরক্ষরতা তখনই দুর হয় যখন প্রতিটি শিশু ঝরে পড়বেনা তার শিক্ষা জগত থেকে। শ্রীলংকার মতো সম্পুর্ন শিক্ষার হারে হতে বেশিদুর নয় আর মহেশখালি উপজেলার। যে হারে এগিয়ে নিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায়। জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য:
১. বছরের প্রথম দিনেই হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ পাঠ্যবই প্রত্যেক ‍শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. শতভাগ বিদ্যালয় গমনোপযোগি শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা হয়েছে।
৪. বিদ্যালয় হতে ঝরে পড়া শিশু এবং বিদ্যালয়ে ভর্তি বঞ্চিত শিশুদের জন্য আনন্দ স্কুল এবং এনজিও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে পড়াশোনার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।
৫. পাঁচ বছর মেয়াদী প্রাথমিক শিক্ষা চক্র সমাপনান্তে সকল শিশুর সমমান ও যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৬. প্রাথমিক বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
৭. বিদ্যালয়গুলোতে নতুন ভবণ নির্মাণ, পুরাতন ভবনগুলো মেরামত ও সংস্কার সাধন, শ্রেণিকক্ষ সম্প্রসারণ ও সুসজ্জিত করা হয়েছে এবং ব্যাপকভাবে এসব কার্যক্রম চলছে।
৮. শতভাগ শিশুকে উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। অভিভাগণের নিকট সরাসরি টাকা পাঠাতে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করা হয়েছে।
৯. বিদ্যালয়গুলোতে হাজার হাজার শিক্ষক পদ সৃষ্টি ও পদায়ন করা হচ্ছে।
১০. ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ৩ হাজার শিক্ষককে সরকারিকরণ করা হয়েছে।
১১. জাতীয় বেতন-স্কেল/২০১৫ অনুযায়ি অন্যান্য সরকারি চাকুরিজীবীদের মত প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের বেতন-ভাতাও প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
১২. বিদ্যালয় চলাকালে শিক্ষার্থীরা খিধার কারণে যাতে চলে না যায়, সেজন্য মিড-ডে মিল বা স্কুল ফিডিং চালু করা হয়েছে।
১৩. প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক বা শিশু শ্রেণি খোলা হয়েছে এবং এ শ্রেণির জন্য শিক্ষক পদ সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
১৪. প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে দপ্তরী-কাম- প্রহরী পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ দেয়ার কাজ চলছে।
১৫. প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি-শিক্ষকদের পদ মর্যাদা বৃদ্ধি, পদোন্নতি প্রদান এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
১৬. প্রধান শিক্ষক পদটিকে দ্বিতীয শ্রেণির মর্যাদায় উন্নীত করা হয়েছে।
১৭. জাতীয় শিক্ষানীতি/২০১0-এর আলোকে প্রতিটি উপজেলায় অন্তত: ০১(এক) টি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান চালু করা হয়েছে।
১৮. প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের কারিক্যুলামকে পরিমার্জন করে যুগোপযোগি করা হয়েছে।
১৯. পাঠ্য বইগুলোকে সময়োপযোগি করে আধুনিক ও বৈশ্বিক বিষয়বস্তু সংযোজন করে পরিমার্জন ও সমৃদ্ধ করা হয়েছে।
২০. নিচের শ্রেণিগুলোতে স্ব-স্ব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা এবং তাদের জন্য আলাদা পাঠ্য বই তৈরি করা হয়েছে।
২১. প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা আনয়নের পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
২২. শিক্ষকদেরকে পেশাগতভাবে দক্ষ, যোগ্য এবং তাঁদের পেশাগত জ্ঞান ও পাঠদান কৌশল বিকশিত করার জন্য বিষয় ভিত্তিকসহ বিবিধ প্রশিক্ষনের আয়োজন চলছে, নিরবিচ্ছিন্নভাবে। সময়ে সময়ে ভাল ভাল শিক্ষকদেরকে বিদেশে প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে।
২৩. বিদ্যালয় পর্যায় হতে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত; প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিদর্শন, মনিটরিং ও সুপারভিশন জোরদার করা হয়েছে।
২৪. প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেপটপ-মাল্টিমিডিয়া প্রদান করা হচ্ছে এবং শিক্ষকদেরকে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। শ্রেণি কক্ষগুলোকে মাল্টিমিডিয়া ক্লামরুমে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।
২৫. প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে।
২৬. প্রতি উপজেলায় আরও একটি করে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
২৭. বিদ্যালয় বিহীন গ্রামগুলোতে সরাসরি নতুন নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে।
২৮. প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর আধুনিক ওয়াশ-ব্লক নির্মাণ করা হয়েছে।
২৯. প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিশু বান্ধব, শিখন সহায়ক এবং আনন্দদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
৩০. সারাদেশে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবং বঙ্গমাতা গোল্ড কাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট চালু, আন্ত:প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের ব্যবস্থাসহ সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রম জোরদার কারা হয়েছে।
৩১. শৈশব কাল হতে শিশুদের মাঝে নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং তাদেরকে গণতন্ত্র মনস্ক করে গড়ে তোলার জন্য স্টুডেন্ট কাউন্সিল গঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩২. কাব-স্কাউটিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
৩৩. শিশুদেরকে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সচেতন করে তোলার জন্য ক্ষুদে ডাক্তার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
৩৪. প্রত্যেক প্রথমিক বিদ্যালয়কে স্বাবলম্বী এবং আকর্ষণীয় করণেরজন্য বিশেষ তহবিল (স্লিপ) সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩৫. বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষায় যে বিশ্ব মানের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে, একথা আজ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনসহ অনেকেই স্বীকৃতি দিচ্ছেন।
৩৬. মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপগুলো যদি অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়, তবে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রের জন্য নির্ধারিত বর্তমান আন্তার্জাতিক লক্ষ্যমাত্রা এসজিডি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র, বৈ কি! মহেশখালী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা সাফল্য:
১. প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায়/২০১৭ প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে (৯৯.৮৯%)। আর কক্সবাজার জেলার ০৮ টি উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
২. বছরের প্রথদিনেই শতভাগ শিক্ষার্থী নতুন পাঠ্য বই হাতে পেয়েছে।
৩. প্রতি বছর ১ জানুয়ারি হতে শ্রেণি পাঠদান চলছে।
৪. ২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেপটপ-মাল্টিমিডিয়া দেয়া হয়েছে এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে শ্রেণি পাঠদান চলছে। আগামী জুন/২০১৭ মাসে সকল বিদ্যালয় লেপটপ-মাল্টিমিডিয়া পাবে।
৫. উপজেলার বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে ০৫ টি নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্রালয় স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে ০২ টি চালু করা হয়েছে। আর ০৩ টির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত প্রায়। আরও ৮/১০টি নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৬. ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাইক্লোন-সেন্টার-কাম-বিদ্যালয় ভবণ প্রকল্পের আওতায় বৃহত বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন।
৭. উপজেলার বেশ ক‘টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুরম্য নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
৮. বিদ্যালয়গুলো নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিং করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রতিদিন অন্তত ০১টি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন।
৯. উপজেলা শিক্ষা কমিটি নিয়মিত মাসিক সভায় মিলিত হচ্ছে এবং সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনাপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
১০. উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার ছাত্র/ছাত্রীর মাঝে দৈনিক বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে। ১০. ৪০ হাজারেরও বেশি শিশু প্রতি মাসে উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছে।
১১. শিক্ষকগণ নিয়মিত নিয়মিত পেশাগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন।
১২. প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ-ব্লক তৈরি করা হয়েছে।
১৩. শিক্ষকগণ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি আন্তরিক, সক্রিয় এবং দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
১৪. জনমনে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
১৫. শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহন ও সুস্থ-সবলভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে।
১৬. প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে স্বয়ংসম্পূর্ণকরণ এবং স্বাবলম্বী আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অংশ হিসেবে প্রতি বছর ৪০,০০০ টাকা করে সরকারিভাবে প্রদত্ত অর্থ স্বচ্ছভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
১৭. সারাদেশের অন্যান্য উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা সাফল্য অর্জনের সাথে মহেশখালী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা সাফল্যও দেখাচ্ছে। এভাবে সারাদেশে প্রাথমিক স্তরে বর্তমান সরকার সাফল্যের সাথে ও দক্ষতার কাজগুলো বাস্তবায়ন করে চলেছেন। একটি বিষয় বলা দরকার যে,সাম্প্রতিক ডিজিটাল প্রতারণায় প্রশ্ন ফাঁস বলে সামাজিক মিডিয়া ও বা মেইলে প্রশ্ন বের হলেও তার একটিও বোর্ড প্রদত্ত প্রশ্ন সেটের সাথে মিল নেই। যার বাস্তব উদাহরণ ভুরি ভুরি। অপ্রচার আর প্রতারণাপুর্বক টাকা হাতিয়ে নেবার এসব কাল্পনিক কথা কানে নেবেন না। কারন শিশুদের মনে আগাত করবেন না। সাদা কাগজে বেশি দাগ পড়ে। পরিশেষে বলতে হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার বিবেচনায় সারা পৃথিবীতে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। তিনি অত্যন্ত পরিপক্ক, দূরদর্শি, জন দরদি এবং নিখাদ দেশ প্রেমিক। তার হাতকে শক্তিশালী করা এবং তাঁর জন্য নিত্যই আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া করা আমার আমাদের সবার কর্তব্য মনে করি।
প্রবন্ধ লেখকঃ জে,জাহেদ
সাংবাদিক ও কলাম লেখক জাতীয় দৈনিক ও জাতীয় অনলাইন
zahednews@gmail.com

Comments are closed.