কী কী ভয়ঙ্কর সমরাস্ত্র উ. কোরিয়ায়?

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ সাজ। সাগরজুড়ে চলছে অস্ত্রের ঝনঝনানি শব্দ। সেই শব্দের প্রতিধ্বনি বাজছে কূটনৈতিক কথা-বার্তায়। আসলেই যুদ্ধ বধবে, না-কি অস্ত্রের প্রদর্শনীতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। অবশ্য চীন ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, এই যুদ্ধে কারো লাভ হবে না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ভয়ের জায়গা হচ্ছে, এই যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার হলে তা মানব জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে নিয়ে আসবে।

রিমোট কন্ট্রোল চালিত মিসাইল হামলার জন্য এই ড্রোন বিমানটির প্রদর্শনী উৎসুক জনতার আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দু

উত্তর কোরিয়ার কাছের উপ-দ্বীপে রাণতরি পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টিকে হুমকি মনে করে, উত্তর কোরিয়াও যুক্তরাষ্ট্রকে সাবধানী বার্তা দিয়েছে। এরইমধ্যে উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল-সাং এর ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সমরাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রদর্শনী ও প্যারেডের আয়োজন করে দেশটি।

সেখানে বিরল কিছু অস্ত্রের প্রদর্শনী করা হয়, যা আগে কখনই প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল-সাং এর ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সমরাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রদর্শনী ও প্যারেড জমকালো করতে দেশটির পতাকা হাতে সৈন্যদের বিশাল বহরের একটি অংশ।

 

দূরপাল্লার এ মিসাইলটিও প্রদর্শনীতে স্থান পায়।

 

ভূমি থেকেই বিমান বিধ্বংসী এ রকম মিসাইল ছোঁড়রার সক্ষমতা রয়েছে উত্তর কোরিয়ার।

 

 সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ-যোগ্য ব্যালাস্টিক মিসাইল প্রথমবারের মত জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। 

 

সমরাস্ত্র প্রদর্শনী দেখতে উৎসুক জনাতার মধ্যে নারী উপস্থিতি ছিল লক্ষ্য করার মতো।
সমরাস্ত্র প্রদর্শনী চলাকালীন কুচকাওয়াজে এক নারী সৈনিক ট্যাংকের ভিতর থেকেই দেশটির নেতা জং আনকে স্যালুট জানাচ্ছে।

 

সেনা সদস্যদের মধ্যে নারীদের ব্রিগেডটিও অত্যন্ত শক্তিশালী।

 

সৈন্যদের মধ্যে ‍যুদ্ধের অনুভূতি জাগিয়ে রাখার জন্য এই মহড়া বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কাছে।

 

সবচেয়ে আকর্ষণীয়ভাবে ও বিরল অস্ত্র নিয়ে আয়োজন করা হয় এই বিশেষ সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।

Comments are closed.