সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক

ডেস্ক প্রতিবেদক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-টুইটারে এখন ট্রেন্ডিং ‘#ফ্রান্সের পণ্য বয়কট করুন’। ফেসবুক-টুইটারে এ নিয়ে বহু পেজ খোলা হয়েছে এবং সেখানে ক্রমাগতভাবে ফরাসি পণ্য বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে। অনেকে নিজের প্রোফাইলও পরিবর্তন করেছেন।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার দায়ে এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের ইসলামবিরোধী বক্তব্যের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ফরাসি পণ্য-সামগ্রী বর্জনের ডাক দিয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানসহ বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রনেতাও এ আহ্বানে সামিল হয়েছেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন তারকারাও ফেসবুক-টুইটারে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। মুসলিম প্রধান দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি অমুসলিমরা ফরাসি সরকারের বর্ণবাদী অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন।

ফ্রান্সের পণ্য বয়কট করুন হ্যাশট্যাগ দিয়ে এক ব্যক্তি টুইটারে লিখেছেন, আমি আর কখনই ফরাসি পণ্য ক্রয় করবো না। তারা আমার মহানবীকে অবমাননা করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা করে। আমি স্বাধীন তাই তাদের পণ্য ক্রয় করবো না। এটাই হবে উচিত শিক্ষা।
যেসব ফরাসি পণ্য বাজারে প্রচলিত, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- টোটাল এলপি গ্যাস, কসমেটিকস সামগ্রী গার্নিয়ার ও লরিয়েল, সানোফির মেডিসিন পণ্য টেলফাস্ট, পেভিসন, ল্যাসিক্স, এভিল, স্টেমিটিল ও বুটাপ্যান। আরও রয়েছে মটুল ইঞ্জিন ওয়েল, সুপারক্রিট সিমেন্ট, ল্যাকোস্টে জুতা ও পারফিউম সামগ্রী, এভিয়ান মিনারেল ওয়াটার, পিউজিট ইলেকট্রিক গাড়ি, বিক কলম, গ্যাস লাইটার ও রেজর। এছাড়াও ক্যারিফোর বহুজাতিক করপোরেশন (Carrefour Multinational Corporation) এর বিভিন্ন পণ্য, টেফাল নন-স্টিক রান্নার পাত্র ও বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স, ডিওর প্রসাধনী এবং জুয়েলারি সামগ্রী, গেরলাইন (Guerlain) স্কিনকেয়ার এবং পারফিউম এবং লা ওয়চে কি রিট প্রসেসড পনির বাজারে প্রচলিত রয়েছে।

কাতার, কুয়েতসহ বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে ফরাসি পণ্য বয়কট করা হয়েছে। কুয়েতে স্টোরগুলো থেকে ফরাসি পণ্য নামিয়ে ফেলা হয়েছে। কাতারের একটি কোম্পানি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলোর পণ্য বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।

Comments are closed.