শততম টেস্টে আশাবাদী টাইগাররা

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এরই মধ্যে ৯৯তম টেস্ট খেলে ফেলেছে। শততম টেস্ট খেলার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে টাইগাররা। আগামী ১৫ মার্চ কলম্বোতে স্বাগতিক শ্রীলংকার বিপক্ষে নিজেদের টেস্ট ‘সেঞ্চুরি’র ম্যাচে মাঠে নামছে মুশফিক বাহিনী। আর এ টেস্ট ম্যাচটিকে ‘স্মরণীয়’ করে রাখতে বাড়তি প্রেরণাও কাজ করছে খেলোয়াড়দের মধ্যে। মাঠের লড়াইয়ে সে প্রেরণা কতটা অনুঘটকের কাজ করবে, সেটি দেখার জন্য দর্শকরাও মুখিয়ে রয়েছেন।

অবশ্য শততম ম্যাচে মাঠে নামার পূর্বে আগের ম্যাচের ফলাফলটা ভুলেই যেতে চাইবে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় চতুর্থ দিনেই ২৫৯ রানের হতাশাজনক পরাজয় ‘গলার কাঁটা’ হিসাবে বিঁধে রয়েছে। শততম ম্যাচে গলার সে কাঁটাটা উপড়ে ফেলার মিশনে সফল হবে কি মুশফিকরা?

অধিনায়ক মুশফিকের কন্ঠে সে আশাবাদই শোনা গেছে। পেছনের ভুলগুলো সংশোধন করে কলম্বো টেস্টে ফিরে আসার ব্যাপারে মুশফিক বললেন, ‘ভুলগুলো শুধরে পরের ম্যাচটা জিতে সিরিজে ফেরার চেষ্টা করব।’ গল টেস্টে দলের পরাজয়ের বিষয়ে বলেন, ‘এই ম্যাচে আমাদের আরও ভালো ব্যাটিং করা উচিত ছিল। খেলতে না পারার মতো উইকেট ছিল না একেবারেই।’

২০০০ সালের নভেম্বরে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। এই ১৬ বছরে বাংলাদেশ মোট ৯৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। ৭৬টি ম্যাচেই হার মেনেছে টাইগারবাহিনী। প্রথম টেস্টে জয় পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ১৮টি সিরিজ অবধি। ২০০৪-০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের ৩০তম ম্যাচে প্রথম জয়ের দেখা পায় বাংলাদেশ।

সাদা পোষাকে সফলতা পেতে বেশ পরিশ্রম করে যেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। তবে সেভাবে সাফল্য অর্জন হচ্ছে না তাদের। এদিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের শততম টেস্ট খেলতে নামবে। স্বাগতিকদের বিপক্ষেও তেমন কোন ভালো পরিসংখ্যান নেই বাংলাদেশের। ২০১৩ সালে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সফর করেছিলেন মুশফিকরা। সেবার তিন ফরম্যাট মিলিয়ে মাত্র একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিলেন তারা।

তবে সকল বাজে অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে শনিবার কলম্বোতে পা রেখেছে মুশফিকবাহিনী। রবিবার দুপুর ২টায় অনুশীলনে মাঠে নেমেছে মুশফিকরা। ইনজুরি থেকে ফিরে আগের ১৬ সদস্যের সঙ্গে ইমরুল কায়েসও যোগ দিয়েছেন দলের সঙ্গে।

পি সারা ওভালে শততম টেস্টে নামার আগে তিনটি অনুশীলন সেশন পাবে দল। গলের ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটাতে এবার কোন পথ অবলম্বন করবেন দলের কোচ হাথুরুসিংহে তাই এখন দেখার অপেক্ষা। শততম টেস্টে সফলতা না পেলে ভারত ও নিউজিল্যান্ড সফরের ব্যর্থতার সঙ্গে আরও একটি হতাশারই যোগ হবে।

Comments are closed.