পোকখালীতে সরকারি কালবার্ট দখল আওয়ামী লীগ নেতার,পয়নিস্কাশনের পথ বন্ধ

প্রায় ১০ একর প্রায় ১০ একর কৃষিজমি লবণাক্তে পরিনত

নিজস্ব প্রতিবেদক
সদর উপজেলার পোকখালীতে সরকারি কালবার্ট দখল করে পয়নিস্কাশনের পথ বন্ধ করেছে প্রভাবশালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মোজাহের আহম্মেদের নেতৃত্বে দুর্লোভী ব্যক্তিরা। এ কারনে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ১০ একর
কৃষিজমি লবণাক্তে পরিনত হওয়ায় মারাক্তক ভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে স্থানীয় কৃষকেরা। প্রভাবশালীদের এ ধরনের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করায় হুমকীর শিকার হয়েছে জমির প্রকৃত মালিকেরা। এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তার বরাবরে ২১ সেপ্টেম্বর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা বাসিন্দা মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র রফিকুল ইসলাম গং এর দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয় তাহাদের ক্রয়কৃত ৯ একর ও সরকারি ভাবে লীজ প্রাপ্ত ২ একর ১২ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে থেকে স্থানীয় কৃষকেরা চাষাবাদ করত।

অভিযোগে প্রকাশ ইছাখালী মৌজার বিএস খতিয়ার নং-৩৯১,দাগ নং-১০৪৫ এর জমির পরিমান ১.৯১ একর ও বিএস দাগ নং-১২১০ এর জমির পরিমান ৩.০৯সহ সর্বমোট ৫.০০ একর জমি ও খতিয়ান নং-১৫২/৪৯৩ সহ প্রায় ১০ একর জমি। এ
ছাড়াও ১নং খাস খতিয়ান থেকে ২ একর ১২ শতক জমি সরকারী নিয়ম মতে যথাযথ খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন যাবত চাষাবাদ করে আসছিল কৃষকেরা। রফিকুল ইসলাম অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন আমরা ব্যবসায়ীক
প্রয়োজনে রাজধানী ঢাকা অবস্থান করায় আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহেরসহ তার আত্মীয় স্বজনদের এ জমির উপর লুলোপ দৃষ্টি পড়ে। সে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির পদের অপব্যবহার করে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের ভোগ দখলকৃত জমি জোর পুর্বক দখলের চেষ্টা করছে দীর্ঘদিন ধরে। এক পর্যায়ে অসৎ উদ্দেশ্য তারা সরকারি ভাবে তৈরী করা স্থানীয় পয়নিস্কাশনের কালবার্ট দখল করে সাগরের লবনাক্ত পানির প্রতিবন্দকতা সৃষ্টি করে আমাদের প্রায় ১০ একর জমির উপর দিয়ে তা প্রবাহিত করেছে। ফলে লবনাক্ততা সৃষ্ট জমিতে যথাযথ
চাষাবাদ করতে না পেরে আমাদের ও স্থানীয় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ও হচ্ছে।

অভিযোগে প্রকাশ তাহার এ ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডের কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মেরে ফেলবে বলে নানা ভাবে হুমকী দিচ্ছে। এ অবস্থায় জমির মালিক ও স্থানীয় এলাকার কৃষকেরা এ প্রভাবশালীদের কাছে অসহায় ও নিরুপায় হয়ে
পড়েছে। এ ছাড়াও জমির প্রকৃত মালিক রফিকুল ইসলাম ও হারুন উর রশিদসহ তাদের পরিবার পরিজনের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেবে বলে প্রদত্ত হুমকীতে উল্লেখ করছে। এ ব্যপারে জমির মালিকগনসহ কৃষকেরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলেও ইউএনও‘র কাছে দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

Comments are closed.