রাজনীতির একটি ধারার উৎস জনগণ ও জনআস্থা, অপরটি বন্দুকের নল

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ

ঢাকা: দেশে দুই ধারার রাজনীতি চলছে- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তিনি ঠিকই বলছেন। দুটি ধারার একটি একাত্তরের চেতনার রাজনীতি, অপরটি ৪৭’র চেতনার। একটি ধারা উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার পক্ষে, অপরটি মিথ্যাচার আর নেতিবাচকতার বৃত্তে আবর্তিত। একটির উৎস জনগণ ও জনআস্থা, অপরটি বন্দুকের নল।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অনলাইনে ‘জয় বাংলা টেলিমেডিসিন অ্যাপ’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটি অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “এই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে ‘জয় বাংলা টেলিমেডিসিন অ্যাপ’ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপটি বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে নতুন অধ্যায় যুক্ত করবে। জয় বাংলা টেলিমেডিসিন অ্যাপের মাধ্যমে রোগীরা চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিডিওকলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন এবং বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।’ এ সময় তিনি দেশে মহামারি বা দুর্যোগ মোকাবিলায় সকলকে সর্বোচ্চ সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

দেশে দু’ধারার রাজনীতি চলছে- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন বলেন, তিনি ঠিকই বলছেন। চলমান রাজনীতির দুটি ধারার একটি একাত্তরের চেতনার রাজনীতি, অপরটি ৪৭’র চেতনার। একদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা, অপরদিকে সাম্প্রদায়িক ভাবধারায় দেশকে পেছনের দিকে টেনে নেওয়ার অপচেষ্টা। একটি ধারা উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার পক্ষে, অপরটি মিথ্যাচার আর নেতিবাচকতার বৃত্তে আবর্তিত। একটির উৎস জনগণ এবং জনআস্থা, অপরটির উৎস বন্দুকের নল।’

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং উপকমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর বলেন, ‘মহামারি করোনাভাইরাসের শুরুতে ডাক্তাররা যখন চেম্বারে সরাসরি রোগীদের সেবা প্রদান করতে পারছিলেন না, তখন টেলিমেডিসিন সেবাই একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে জয় বাংলা টেলিমেডিসিন অ্যাপ নিয়ে কাজ শুরু হয়।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর।

Comments are closed.