মুক্তিযুদ্ধের গল্প ‘সাদায় লাল রঙ’

ওয়ান নিউজ বিনোদন ডেক্সঃ ‘বয়স হয়েছে আমার। কিন্তু অভিনয়ের প্রতি এখনো ভীষণ ভালোলাগা আছে। প্রবালের নির্দেশনায় কাজটি করতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। মুক্তিযুদ্ধের এমন অনেক গল্প আছে, যা আমাদের অজানা রয়ে গেছে। এই নাটকটির গল্প ঠিক তেমনই একটি গল্প।’ কথাগুলো বললেন বরেণ্য অভিনেতা নাজমুল হুদা বাচ্চু। অভিনেতা ও নির্মাতা তানভীর হোসেন প্রবালের বিজয় দিবসের নাটক ‘সাদায় লাল রঙ’-এ অভিনয় করেছেন তিনি। এটি রচনা করেছেন শারমীন হায়াত দীপা। নাটকের গল্পের সময়কাল ১৯৭১, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি।

কালিয়াকৈর গ্রামে এসে ক্যাম্প গড়লো পাক সেনারা। এই সেনাদলের প্রধান মেজর মিসবাউল হাসান। মিলিটারী আসায় গ্রাম থেকে পালিয়েছে প্রায় সবাই। কিন্তু গ্রামে থেকে যায় নাপিত নারায়ণ ও তার পরিবার। বয়স ৬০-এর বেশি। তার কথায়, এই বুড়ো বয়সে মরলে এই গ্রামেই মরবেন। প্রতিদিন সকালে এসে নারায়ণের কাছে সেভ করেন মেজর। দু’জনের মধ্যে একসময় দারুণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধারা নারায়ণকে বলে, সেভ করার সময় মেজরের গলায় খুর চালাতে। তাতে ক্যাম্প আক্রমণ করতে সুবিধা হবে। কিন্তু নারায়ণ তা পারে না। পরদিন সকালে সেভ করার পর মেজর নারায়ণের পারিশ্রমিক দিয়ে তার রিভলবারের গুলি নারায়ণেরই বুকে চালায়। এমনই গল্প নিয়েই ‘সাদায় লাল রঙ’ নাটকটি।

মেজর চরিত্রে অভিনয় করা শাকিল আহমেদ বলেন, ‘এর আগে নাটকে কিংবা চলচ্চিত্রে এ ধরনের চরিত্রে আমি অভিনয় করেছি। কিন্তু প্রবালের নির্দেশনায় এই নাটকে আমার অভিনয়ে বৈচিত্র্য পাবেন দর্শক। আমি মঞ্চের মানুষ। তাই অভিনয় নিয়েই খেলতে ভালোবাসি। দর্শকের কাছ থেকে সবসময়ই আমি ভালো সাড়া পাই, আশা করছি এই নাটকেও আমার অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করবে।’ তানভীর হোসেন প্রবাল জানান, বিজয় দিবসে এটিএন বাংলায় গল্পটা ভয়ের ধারাবাহিক নাটকের এক ঘন্টার পর্ব হিসেবে এই নাটকটি রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হবে।

Comments are closed.