কাভার্ডভ্যান থেকে পণ্য চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার

জে.জাহেদ,চট্টগ্রাম ব্যুুরো:

অভিনব পদ্ধতিতে এরা প্রায় সময় বিদেশে আমদানি রপ্তানি করা পণ্য চুরির সাথে জড়িত ছিলেন।

চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া সদস্যদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খাতুনগঞ্জের একটি গোডাউন থেকে চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন (দানাদার রাসায়নিক পদার্থ) উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) এএএম হুমায়ুন কবির জানান, ‘টানা দুইদিন অভিযান তাদের গ্রেফতার করা হয়।’

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- মো. সালাউদ্দিন (২২), মো. আব্দুল মান্নান (৩৪), মো. রাশেদ (৩৬), সেন্টু হাওলাদার (২৭), মো. নজরুল ইসলাম (২৯), মো. আবু সুফিয়ান রুবেল (২৬), মো. ফারুক (৩৫), মো. আলমগীর লিটন (৩৫), পংকজ দাশ (৫১) এবং সজল দেব(৪১)।

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেফতার হওয়া ১০ জন কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের সদস্য। ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে এ চুরির কাজ করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর প্রথমে গাড়িচালক সালাহউদ্দিন ও আব্দুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কৌশলে বাকি আট জনকে গ্রেফতার করা হয়।’

জানা যায়, এই চোর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ক্রেতারাই সাধারণত এসব পণ্য কিনে থাকেন। তাদের কাছে ছাড়া অন্যদের চোরাই পণ্য বিক্রি করেন না তারা।’

গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘৫ জানুয়ারি খাতুনগঞ্জের মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সির ম্যানেজার বাদি হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশ টানা দুইদিন অভিযান চালিয়ে এ চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার ও চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন উদ্ধার করে।’

Comments are closed.