আওয়ামী লীগের ‘সংশয়’ দুঃখজনক: বিএনপি

ওয়ান নিউজঃ ইসি গঠন নিয়ে বিএনপির প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ‘সংশয়’ প্রকাশকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।
সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে রিজভী এই প্রতিক্রিয়া জানান। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি।
বিএনপিরর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি যেখানে বিএনপির প্রস্তাবকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সেখানে এ ধরনের সংশয় প্রকাশ করা দুঃখজনক। তিনি বলেন, বিএনপির দেয়া প্রস্তাবে কোথাও কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। সার্চ কমিটি বা নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে দল সমর্থিত কাউকে করার ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়নি। বরং বিএনপির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন হতে হবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ।
এতে নীতি নৈতিকতার ব্যত্যয় কোথায় ঘটলো এবং বিএনপিকে নিয়ে সংশয় প্রকাশের প্রশ্নই বা কেন এলো তা বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি।
বিএনপির সিনিয়র মহাসচিব বলেন, সংবিধানে নির্দেশনা আছে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে আইন তৈরি করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও সরকারের যদি সৎ ইচ্ছা থাকে যে আমরা একদলীয় শাসন কায়েম করবো না এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর অন্তর্গত তাগিদ থাকে, তাহলে অবশ্যই একটি শক্তিশালী সার্চ কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা উচিত হবে বলে মনে করে বিএনপি।
রাজনৈতিকভাবে বেঁচে থাকতে বিএনপি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে গেছে- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের এমন বক্তব্যের সমালোচনায় রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই নীতি ও আর্দশের ওপর পরিচালিত হয় না। তারা মুক্তিযুদ্ধ নয়, চেতনাকে বড় করে দেখেন। তারা চেতনার ব্যবসা করে।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে যুবলীগ-ছাত্রলীগ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে গণজোয়ারে ভীত হয়েই সরকারি দলের ক্যাডারদের পদচারণা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই সরকারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্বাচন পুরোনো চেহারায় ফিরে যায় কি না, সেই সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। কারণ তাদের ঐতিহ্যই হলো-ভোট ডাকাতি, ব্যালট ছিনতাই করে ধানখেতে-খালে-বিলে ফেলা, জালভোট প্রদান, ভোটের আগের রাতে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা। ভয়ভীতি দেখিয়ে ও সহিংসতার মাধ্যমে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়া।

Comments are closed.