সিরিজ জয় দিয়ে বছর শেষ করতে চান মাশরাফি

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে এ বছর জুলাইয়ে একই অবস্থা হয়েছিল বাংলাদেশের। একই ভেন্যু থেকে একটি করে জয় ও হার নিয়ে আরেকটি ভেন্যুতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে খেলতে যায় বাংলাদেশ।

এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশ সফরে একই পরিস্থিতির সামনে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছে ক্যারিবীয়রা।

সিলেটে আজ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের নিষ্পত্তি হবে। দু’দলই জয় দিয়ে বছরটা শেষ করতে চায়। সিলেট স্টেডিয়ামে অপেক্ষা করছে আরেকটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ। দিবা-রাত্রির ম্যচটি শুরু হবে আজ দুপুর ১২টায় ।

বছরের শুরুটা দারুণ হলেও জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলংকার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। বছরের শেষটা সেরকম হোক মোটেও চায় না স্বাগতিকরা।

তৃতীয় ওয়ানডের আগে বাংলাদেশকে ভাবাচ্ছে সিলেট স্টেডিয়াম ও ডেথ ওভার। সিলেটে এখন পর্যন্ত একটি করে টেস্ট ও টি ২০ ম্যাচে খেলে টাইগাররা দুটিতেই হেরেছে।

মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ হেরেছে শেষ দশ ওভারের ম্লান পারফরম্যান্সে। আরও ভালো করে বললে শেষ পাঁচ ওভারে। এ সময় যেমন রান নিতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা, তেমনি বেশি রান দিয়েছেন বোলাররা।

আগের ম্যাচে ৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল তিন উইকেটে ১৯১। এত ভালো জায়গা থেকেও ২৫৫/৭ এ থামে স্বাগতিকরা। একই ম্যাচে ৪০ ওভার শেষে ক্যারিবীয়দের রান ছিল ১৮৯/৬।

এরপর আর উইকেট না হারিয়েই তারা লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। শেষ ওভারে বিশেষজ্ঞ বোলারদের ওপর আস্থা না রেখে মাশরাফি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে বল তুলে দেন। বোলিংয়ে আক্রমণ বদলানোর প্রয়োজন দেখছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। ডেথ ওভারে ব্যাটিং-বোলিং দুই জায়গাতেই উন্নতি চান তিনি।

বছরের শুরুতে যেমন ত্রিদেশীয় সিরিজ হেরে শুরু হয়েছিল। মাশরাফি বলেন, ‘জয় দিয়ে শেষ করতে পারলে খুব ভালো হবে, ভালো লাগবে। আমাদের এ বছর জয়ের হার যথেষ্ট ভালো। বছরের শুরুতে ত্রিদেশীয় সিরিজ অল্পের জন্য হেরেছি। বছরের শেষটা যদি ভালোভাবে করতে পারি, তাহলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।’

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম হাফ সেঞ্চুরি করলেও ভালোভাবে কেউই নিজেদের ইনিংস শেষ করতে পারেননি। ইমরুল কায়েস, লিটন দাস ও সৌম্য সরকার বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ব্যাটিংয়ে ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেষ ম্যাচে জায়গা হারাতে পারেন ইমরুল কায়েস। তার পরিবর্তে মোহাম্মদ মিঠুনকে সুযোগ দেয়া হতে পারে। ছয়ে ব্যাট করা সৌম্যকে তুলে আনা হতে পারে তিন নম্বরে।

সিলেটে ঢাকার চেয়ে বেশি শিশির পড়বে। তাই টস ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। ঢাকার উইকেটের সঙ্গে সিলেটের উইকেটের পার্থক্য রয়েছে। সিলেটে বাউন্স ও পেস বেশি থাকবে।

আগের ম্যাচে শাই হোপের লড়াইয়ে সফরকারীরা প্রথম জয় পায়। তবে তাদের বোলাররা, বিশেষ করে কেমার রোচ ও গতিতারকা ওশানে থমাসের শর্ট বলেই ব্যাটিংয়ে খাবি খেয়েছেন স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। আজও তারা পেসারদের ওপর বিশ্বাস রাখছে। শাই হোপ বলেন, ‘আমরা এখানে জিততে এসেছি। শেষ ম্যাচে জিতে সিরিজ ২-১ করতে চাই।’

Comments are closed.