বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন জটিলতা : ঢাকায় যাবেন আওয়ামী লীগ নেতারা

 

।।নীতিশ বড়ুয়া॥
কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাচাই হয়েছে। বাচাইকালে বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল তার বকেয়া আয়কর না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত হন। নির্বাচনী আইন ও অদ্যাদেশ অনুযায়ি সমস্ত সরকারি/বে-সরকারি আর্থিক বকেয়া ৭দিন পূর্বে প্রদান করতে হয়। কিন্তু তিনি প্রদান করেছেন- আজ রবিবার (২ ডিসেম্বর) মনোনয়ন যাচাইয়ের দিন। তাছাড়া তিনি তার মনোনয়ন ফর্মে দায়-দেনার কলামে তার এ আর্থিক বকেয়ার কথা উল্লেখ করেন নাই। এখানে তার মনোনয়ন বাতিল হবে বলে গণ্য করেন উপস্থিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর আইনজীবিরা। জেলা রিটার্নিং অফিসার যেভাবেই মনোনয়নপত্রে বৈধতা দিকনা কেন। কক্সবাজার-রামুর আওয়ামী লীগ নেতারা ঢাকায় যাবেন।
এদিকে বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান কাজলের মনোনয়ন স্থগিত হওয়ার পর আইন মোতাবেক তা বাতিলের দাবি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয়ের নেতৃত্বে বিক্ষোভ করেন, কক্সবাজার-রামু হাজারো জনতা। বিক্ষোভকারিরা স্থগিত হওয়া মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।
বিশিষ্ট আইনজীবী এড. ফরিদুল আলম, এড. মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী, এড. জিয়া উদ্দিন আহমদ, এড. একরামুল হুদা যৌথভাবে বলেন, নির্বাচন বিধি অনুযায়ি লুৎফুর রহমান কাজলের মনোনয়ন কোন আদালতে বৈধতা পাবে না। কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম মাদু বলেন, আমরা সর্বোচ্চ আদালতে যাব এবং আমরাই জিতব। নেতৃবৃন্দ কক্সবাজার-রামু বাসীকে আহবান জানিয়ে বলেন, লুৎফুর রহমান কাজলের মনোনয়ন কোন ভাবেই টিকবে না। তার পক্ষ অবলম্বন না করার জন্য কক্সবাজার-রামু বাসীর প্রতি তারা অনুরোধ জানান।
কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক আহমদ জয় বলেন, বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের নির্বাচন করার কোন প্রস্তুতি ছিল না। প্রস্তুতি থাকলে কেন তিনি তার বকেয়া বিল পরিশোধ করে নাই। রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম বলেন, বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের নির্বাচন করার ইচ্ছা থাকলে তিনি বিগত বন্যার সময়ে মানুষের পাশে থাকতেন। কেবল বন্যা নয়, কক্সবাজার-রামুবাসীর সকল দুঃসময়ে তিনি পাশে ছিলেন না।
বিক্ষোভকারিদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মাহমুদুল করি মাদু, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, রামু উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মুসরাত জাহান মুন্নী, কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য সোহেল জাহান চৌধুরী, শামসুল আলম চেয়ারম্যান ও নুরুল হক কোম্পানী, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার,খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক আবদুল মাবুদ, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টো, কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, রাজারকুল ইউপি চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, রশিদনগর ইউপি চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, জোয়ারিয়ানালা ইউপি চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইসমাইল মো. নোমান, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক, ঈদগাহ ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নুরুল আজিম, ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আলম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হুমায়ন তাহের চৌধুরী হিমু, দপ্তর সম্পাদক মহিদুল্লাহ মহিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এড. একরামুল হুদা, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয়, জালালাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সেলিম মোরশেদ ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক এম মমতাজ খান, ঈদগাহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তারেক আজিজ,কক্সবাজার পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ডালিম বড়ুয়া, কক্সবাজার সদর যুবলীগ সভাপতি ইফতেকার উদ্দিন পুতু, সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকো, রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এডভোকেট মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী, সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, আওয়ামীলীগ নেতা হাজ¦ী নুরুল হক, সৈয়দ মো. আবদুস শুক্কুর, জেলা তাঁতীলীগের সহ সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো, খুনিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল্লাহ সিকদার, জেলা যুবলীগ নেতা পলক বড়–যা আপ্পু, যুবলীগ নেতা নবীউল হক আরকান, ওসমান গনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সাংসদ কমলের একান্ত সহকারি মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ সম্পাদক ও সাংসদ কমলের ব্যক্তিগত সহকারি আবু বক্কর ছিদ্দিক, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন খোকন, ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন, আবদুর রাজ্জাক, দিদারুল আলম, আবু বক্কর ছিদ্দিক বান্ডি, বশিরুল আলম, বজল আহমদ, সাইফুল হক, আওয়ামীলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দিন জয়, যুবলীগ নেতা সাংবাদিক শাহিদা মোস্তফা, মো. তারেক, ছাত্রলীগ নেতা আবু হেনা বিশাদ, রাশেল উদ্দিন রাশেল, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন সোহেল সিকদার, মক্কা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, উপজেলা তাঁতীলীগ সভাপতি নুরুল আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, রামু উপজেলা সৈনিকলীগের সভাপতি মিজানুল হক রাজা, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক বাবু, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি শফিউল আলম কাজল, সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আজিজুল হক, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন, মোহাম্মদ নোমান, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সভাপতি একরামুল হাসান ইয়াছিন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও হাজারো জনতা শরিক হন।

Comments are closed.