চুলের যত্নে তুলসি

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ নিষ্প্রাণ, নিস্প্রভ ও শুষ্ক চুল ফিকে করে দেয় সমস্ত আয়োজন। আবহাওয়া, রোদের প্রাবল্য, ধুলাবালি চুলের সতেজ ভাবকে নষ্ট করে দেয়। চুলের নানান রকম সমস্যার মাঝে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়। শুধু নারিকেল তেল চুল পড়ার সমস্যা ও স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট নয়। নারিকেল তেলের সাথে প্রয়োজন হয় বাড়তি প্রাকৃতিক উপাদানের।
আর তাই এই সময়ে জন্য চুলের যত্নে ভেষজ উপাদান ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। খুশকি ও চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে তুলসির তেল ও হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন সপ্তাহে কয়েক দিন। ভিটামিন এ, সি, কে এবং ই পাওয়া যায় তুলসি থেকে। এছাড়া এতে থাকা আয়রন এবং প্রোটিনও চুলের যত্নে অনন্য।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

১. নারকেল তেলে কয়েকটি তুলসি পাতা ফেলে ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সুপার শপগুলোতে পাওয়া যায় তুলসির তেল। চাইলে এই তেলের সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়েও লাগাতে পারেন চুলে।
২. তুলসি পাতা বেটে চুলের গোড়ায় কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে ফেললেও উপকার পাবেন।
৩. তুলসি পাতা, নিম পাতা ও জবা ফুল একসঙ্গে বেটে লাগান চুলের গোড়ায়।
৪. চুলের গোড়ায় তুলসির তেল ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।
৫. খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর হয়।
৬. চুলের গোড়া মজবুত হয়।
৭. প্রাকৃতিকভাবে মাথার ত্বক পরিষ্কার করতে পারে তুলসি।
৮. চুলের বৃদ্ধি বাড়ে।
৯. চুল পড়া বন্ধ করে।
১০. চুলের রুক্ষতা দূর করতেও কার্যকর তুলসি।

পরামর্শ

১. চুলে শ্যাম্পু করার অন্তত ২০ মিনিট আগে তেল দিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। এতে প্রতিদিন শ্যাম্পু করার পর চুল রুক্ষ হবে না।

২. ভেজা অবস্থায় কখনো চুল বাঁধবেন না। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় এবং চুল পড়ে যায়।

৩. বাইরে বের হলে চুলে স্কার্ফ পেঁচিয়ে রাখুন এবং ছাতা ব্যবহার করুন।

৪. চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুলের আগা ফেটে যায়।

৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে চুল ভালো করে বেঁধে ঘুমান।

Comments are closed.