পোকখালীতে অস্ত্রসহ আটক ২ জনকে জেলহাজতে প্রেরণ।

নেজাম উদ্দিন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার,
কক্সবাজার সদরের উপকুলীয় ইউনিয়ন পোকখালী থেকে ইয়ারগান ও লম্বা বন্দুকের ব্যরেলসহ আটক হওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ জনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তবে অন্যজনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
জানা যায় , ১৫ জানুয়ারী সকাল ৯ টার দিকে বর্ণিত ইউনিয়নের উত্তর নাইক্যংদিয়া এলাকার দু’গ্রুপের মধ্যে চলে আসা দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে একটি পক্ষ প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দেয়। এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে বাবুলের বাড়িতে অবস্থান নেয় দুর্বৃত্ত্বরা । প্রতিবাদী এলাকাবাসী বাড়িটি ঘেরাও করে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আমজাদ আলী নেতৃত্বে প্রথমে একটি পুলিশদল ঘটনাস্থলে যায়। তিনি অবস্থা বেগতিক দেখে ২য় বারের মত ঘটনাস্থলে যায় ইনচার্জ মোঃ খাইরুজ্জামান এসআই দেবাশীষ সরকারের নেতৃত্বে আরো একটি পুলিশের টিম উক্ত বাড়িতে রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালায়। এ সময় বাবুলের বাড়ির টিনের উপর পানি চলাচলের ( মটুরা) থেকে লম্বা বন্দুকের একটি ব্যরেল ও আলমিরার পাশ থেকে আরো একটি ইয়ারগান উদ্ধার করে । এ সময় বাড়ির মালিক বাবুল,দক্ষিন নাইক্যংদিয়া এলাকার তৈয়ম গোলালের পুত্র কয়েকটি মামলার আসামী মোহাম্মদ হোছন ও জসিম উদ্দিন নামের অপর এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরের দিন ১৬ জানুয়ারী আটককৃত বাবুল ও জসিমকে ৫৪ ধারায় আদালতে সোর্পদ্দ করলেও ভাড়াটিয়া হিসেবে অস্ত্রের মহড়ায় অংশ নেওয়া মোহাম্মদ হোছাইনকে ছেড়ে দেওয়া এলাকাবাসীর মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উক্ত মোহাম্মদ হোছাইন বাবুল গ্রুপের হয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে অংশ নেয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে সে বাবুলের বাড়িতে আশ্রয় নিলে পালানোর সময় পায়নি । অভিযোগ উঠেছে উক্ত মোহাম্মদ হোছাইনের বিরুদ্ধে মানবপাচার,অস্ত্র,নারী নির্যাতন মামলাসহ অহরহ অভিযোগ রয়েছে। ঘটনারদিনও প্রত্যক্ষভাবে অস্ত্রের মহড়ায় অংশ নিতে দেখেছে স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি জানান, মোহাম্মদ হোছাইনকে ছেড়ে দেওয়া এলাকাবাসীদের মধ্যে অজানা আতংক বিরাজ করছে। সে যে কোন সময়ে বড় ধরনের ঘটনার জন্ম নিতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। তারা উক্ত হোছাইনকে পুনরায় গ্রেফতার পুর্বক আইনের আওয়াতায় আনলে বিপুল পরিমান অস্ত্রের সন্ধান বেরিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খাইরুজ্জামান বলেন, বাবুল ও জসিমকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তবে কোন অভিযোগ বা  প্রমানিত না হওয়ায় মোহাম্মদ হোছাইনকে স্থানীয় এক ব্যক্তির জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় ।

Comments are closed.