সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে অন্য উচ্চতায় টাইগাররা

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ ওয়েলিংটনকে রেকর্ড বন্যায় ভাসালো টাইগাররা। সাকিব আল হাসানের ডাবল সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের দেড়শ ছাড়ানো ইনিংসের সুবাদে টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে টাইগাররা। দিনশেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৫৪২ রান। তবে তিন ওভার বাকি থাকতে দিনের খেলা শেষ হওয়ার শেষ বলে আউট হয়ে যান মিরাজ। মাঠে থাকা সাব্বির অপরাজিত রয়েছেন ১০ রানে।

এর আগে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৩৫৯ রান যোগ করে বাংলাদেশকে চালকের আসনে বসান সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। ব্যক্তিগত ১৫৯ রান করে আউট হন মুশফিক। আর দলীয় ৫৩৭ রানে ওয়াগনারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে সাকিব করেন ক্যারিয়ার-সেরা ২১৭ রান।

৯০তম ওভারে ওয়াগনারের পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক পূর্ণ করেন সাকিব। মুশফিক তখন ৮৮ রানে ব্যাট করছেন। ৯৭তম ওভারে সেঞ্চুরি করেন মুশফিকও। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডে করা তামিম-জুনায়েদের ১৬১ রানের রেকর্ডটাও ভেঙে দেয় এ জুটি।

২৬ মাস পর সাকিবকে দেখা গেল স্বরূপে। ২০১৪ সালের নভেম্বরে খুলনায় সর্বশেষ শতক করেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

ব্যাট হাতে তিন হাজার রান ও বল হাতে ১৫০ উইকেট নেওয়া ১৪তম অলরাউন্ডার সাকিব। এই এলিট ক্লাবে রয়েছেন গ্যারি সোবার্স, ইমরান খান, কপিল দেব, ইয়াম বোথামদের মতো তারকা অলরাউন্ডাররা।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এটি সাকিবের টানা দ্বিতীয় শতক। ২০১০ সালে হ্যামিল্টনে সেঞ্চুরি করেন এই অলরাউন্ডার।

ম্যাচে দেড়শ রান করে নিজের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা ভেঙে দেন সাকিব। পাকিস্তানের বিপক্ষে করা ১৪৪ রান এত দিন ধরে সাকিবের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিল।

সাকিবের খানিক বাদে দেড়শ করেন মুশফিকও। তবে এর পর কিছুটা আগ্রাসী হয়ে ওঠেন সাকিব। ১২৫তম ওভারে কলিন গ্র্যান্ডহোমের বলে পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাকিব। মুশফিক তখন ১৫৮ রানে অপরাজিত।

জুটির রান যখন ৩৫৯, ঠিক সে সময় ধৈর্য হারিয়ে বসেন মুশফিক। বোল্টের বলে ওয়াটলিংকে ক্যাচ দেন মুশি। ১২৮তম ওভারে তামিমকে সরিয়ে দেশসেরা স্কোরের মালিক বনে যান সাকিব।

দিনের খেলা শেষ হওয়ার কয়েক ওভার আগে ওয়াগনারের বলে বোল্ড হন সাকিব। দিনের শেষ ওভারে ওয়াগনারের তৃতীয় শিকার হন মেহেদি হাসান মিরাজ।

Comments are closed.