” গর্জনিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মারুফ ক্যাডার গ্রেফতার “

স্টাফ ‍রিপোর্টার: গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির বিশেষ অভিযানে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মারুফ গ্রেফতার হয় । এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাবিব আহমদ। মারুফ গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড এর মরহুম মিনু চৌধুরীর ছেলে। সরকারী সেচ প্রকল্প কাজে বাধাপ্রদান , চাঁদাদাবী ও প্রকল্পের পরিচালক গর্জনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব ফরিদ আহমদ চৌধুরীকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করায় ফরিদ আহমদ চৌধুরী বাদী হয়ে রামু থানায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মারুফকে আজ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এই মামলার অন্য আসামীদের ও শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানায় পুলিশ। উল্লেখ্য যে, মারুফ বাল্যকাল থেকে বিবিধ সামাজিক অপকর্মের সাথে জড়িত। সম্প্রতি গর্জনিয়া ইউপি চেয়্যারম্যান জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃেত্ব মাদক বিরোধী অভিযানে ও মারুফের বিরোদ্ধে নানান অভিযোগ পায় পুলিশ, মাদক ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য মতে মারুফ প্রভাব কাটিয়ে তাদের কাজ থেকে চাঁদা আদায় করত এবং গর্জনিয়ায় মাদক চোরাচালানকারী হিসেবে মাদক ব্যবসায় প্রতেক্ষ ভাবে জড়িত আছে। এইদিকে মারুফ ওরফে চোরা মারুফ গ্রেফতার হওয়ায় এলাকাবাসির মাঝে এক আনন্দের জোয়ার কাজ করছে, এলাকাবসি জানান এই মারুফ সহ এলাকার বেশ কিছু বখাটে ছেলে গ্রামকে এবং গ্রামের লোকদের অতিষ্ঠ করে রেখেছে, কোন কাজ করতে গেলে তাদের মাসোহারা দিয়ে করতে হয়, এমনই জানান সুশীল গন। এই ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান কিছু বখাটের দরুন সমাজ অতিষ্ঠ এর সমাদান অচিরেই কার্জ হবে, এটা উপরের অনুমতি ক্রমে করা হবে।

Comments are closed.