করোনা পজিটিভ হলেন এমপিপুত্র ফারাজ করিম চৌধুরী, তবুও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়

Faraj-Karim.jpg

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে যে কজন রাজনীতিবিদ মানুষের পাশে থেকে একের পর এক জনকল্যাণকর ও ভিন্নধর্মী কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন চট্টগ্রামের রাউজানের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ সন্তান, তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী।

২৭ জুন (শনিবার) সন্ধ্যায় জানা গেল ফারাজ করিম চৌধুরীর করোনা পজিটিভ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফারাজ করিম নিজেই তার ফেসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দিয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন ফারাজ করিম চৌধুরী। পরবর্তীতে করোনা টেস্ট করা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এ প্রসঙ্গে আজ সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে একটি স্ট্যাটাসও দেন ফারাজ করিম চৌধুরী। তার সেই স্ট্যাটাসে সকলের কাছে দোয়া চাওয়ার পাশাপাশি রাউজানের আইসোলেশন সেন্টারের কার্যক্রম পরিপূর্ণভাবে করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান তিনি। অসুস্থ হলেও ফোনের মাধ্যমে আইসোলেশন সেন্টারের যাবতীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি।

তার দেওয়া স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হল, “কিছুক্ষণ আগে জানতে পারলাম আমার করোনা রেজাল্ট পজিটিভ। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খেলেও আমি ভরসা করছি মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের উপর। হতে পারে গতবছর আমার নিউমোনিয়া হওয়ায় এবং বর্তমানে কোভিড এর কারণে আমার নিঃশ্বাস হালকা ভারী হয়ে উঠেছে। বর্তমানে আমি পুরোপুরি একা আছি। আইসোলেশন সেন্টারের কার্যক্রম পরিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে সকল কিছু আমি ফোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবো। আমার জন্য চিন্তা করবেন না। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই দোয়া করবেন। যারা আল্লাহ্‌র উপর ভরসা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তাদের জন্য যথেষ্ট।”

প্রসঙ্গত, ফারাজ করিম চৌধুরী ৬৫ হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, মানুষের বাড়ী বাড়ী গিয়ে মাছ ও শাকসবজি বিতরণ, রমজান মাস জুড়ে ৬০ হাজার ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য সেহেরীর খাবার সরবরাহ, টেলি-মেডিসিন সেবা, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরী মাস্ক বিতরণ, করোনায় মৃতদের লাশ দাফন-কাফন ও সৎকারের পাশাপাশি সর্বশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন রাউজানে করোনা রোগীদের জন্য একটি আইসোলেশন সেন্টার করার।

এজন্য পুরোদমে কাজ করছিলেন তিনি। সহযোগিতা চেয়েছিলেন বিত্তবানদের কাছে। রাউজানের সুলতানপুর ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টারের কাজও চলছে সমান গতিতে।