স্বপ্ন দেখছি আমাদের গুরুতর অসুস্থ কক্সবাজার, সুস্থ হওয়ার পথে..ছাত্রলীগের নেতা মঈন উদ্দিনের আশার বানী

Main-Uddin.jpg

কক্সবাজারের গত ৩ দিনের করোনা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে আশা করা যায় আমাদের অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে।
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে গত ১০ই জুন জেলার ৫৮০টি স্যাম্পল টেস্ট করা হয় যার মধ্যে পজিটিভ আসে ৯৩ জন।
এরপর দিন ১১ই জুন স্যাম্পল টেস্ট করা হয় ৪৩০টি যার মধ্যে পজিটিভ আসে ৫৪জনের৷
সর্বশেষ ১২ই জুন ৪২০টি স্যাম্পল টেস্ট করে পজিটিভ পাওয়া যায় ৩৯টি।
আমাদের কিন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন কমছে।

এবার আসুন মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাবে। গত ৩ দিনে কক্সবাজার জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউই মারা যাননি। ২ জন মৃদু উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেও তাদের করোনা হয়েছে কিনা নিশ্চিত নয়।

অন্যদিকে গত ৩ দিনে কক্সবাজারে সুস্থতার হার আগের চেয়েও অনেক বেশি। ইতোমধ্যে কক্সবাজারে করোনা আক্রান্ত ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছে । তাছাড়া ৩৫ শতাংশ আছে যাদের কোন উপসর্গই নেই তারা সুস্থ আছে তবে ফলোআপ টেস্টের অপেক্ষায়। বাকি ১৫ শতাংশের মধ্যে কিছু আছে নতুন শনাক্ত তাদের কিছুদিন আইসোলেশনে থাকতে হবে আবার কিছু আছে অন্য কোন রোগে ভুগছেন দীর্ঘদিন ধরে।

এরমধ্যে যাদের অবস্থা খারাপ বলা যায় সংখ্যায় তারা একদমই কম। হয়তো হাল্কা শ্বাসকষ্ট আর অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার তাগিদে ওনারা আইসোলেশনে আছে।

যেমন ধরেন- রামু আইসোলেশন সেন্টারে ৫০ জনের চিকিৎসা দেয়ার মতো প্রস্তুতি আছে কিন্তু সেখানে আজকের তথ্যমতে করোনা আক্রান্ত রোগী আছে ২৯জন। গত ৩ দিনে ভর্তি হয়েছেন ৮ জন। যাদের কারো অবস্থাই খারাপ বলা যাবে না।

কয়েকজনের অক্সিজেন দরকার হচ্ছে বাকিদের জ্বর, সর্দি, কাশি আছে। জানা যায়- সংকটাপন্ন কোন রোগী রামু আইসোলেশন সেন্টারে নেই। ২৯ জনেরই শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই সুস্থ হওয়ার পথে।

এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে বেশিরভাগই চিকিৎসা নিচ্ছেন নিজ বাসায়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েই বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে৷

তাহলে আমাদের এই সম্ভাবনার কথাগুলো চিন্তা করে কি আর কিছুটা দিন সতর্ক থাকা যায়না। আর মাত্র ক’টা দিন নিজেদের জীবনের প্রয়োজনে হলেও স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলে ঘরে থাকবো এই প্রত্যাশা।

প্লিজ ঘরে থাকুন। আমাদের সচেতনতায় পারে এই কক্সবাজারকে সুস্থ করতে৷