সুদী মফিজ বাহিনীর হাতে রক্তাক্ত ব্যবসায়ী,থানায় মামলা

Khurushkul.png

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  খুরুশকুলের ৩নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ রাস্তার পাড়ায় সুদী মফিজ বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, প্রতিবাদ করলেই হামলা আর টাকার গরমে উল্টো দেয় মামলা।

ঈদের দুই দিন আগে সুদী মফিজ বাহিনীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় করোনায় কর্মহীন অসহায় জেলে মৃত এনামুল হকের পুত্র আনোয়ার হোসেনকে ডেকে এনে রাস্তায় দোকানের সামনে প্রকাশ্যে রামদা, হকিষ্টিক, কিরিচ দা সহ নানা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বেধড়ক হামলা করে এবং আর কেউ প্রতিবাদ না করার জন্য প্রকাশ্যে বিশৃ ধরনের গালাগালি আর হুমকি-ধমকি দেয়।

প্রকাশ্যে হামলা ও গালাগালির জন্য সাধারণ ব্যবসায়ী দেলোয়ার প্রতিবাদ করলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবদ্ধভাবে গুরুতর জখমসহ হামলা করে।তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও দামী মোবাইল চিনিয়ে নেয় এবং এ ঘটনা কাউকে জানালে বা থানায় অভিযোগ দিলে মৃত্যু ঘটানোর হুমকি দেয়।খবর পেয়ে দেলোয়ারের ভাই-বোন ও এলাকাবাসী গিয়ে দেলোয়ারকে অর্ধমৃত রক্তাক্ত অবস্থায় প্রাণে বাচিঁয়ে নিয়ে আসেন।

দেলোয়ারের ছোট ভাই শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোহাম্মদ হোছাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আমরা এ ঘটনার সুষ্টু বিচার চাই, আরও বলেন এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সুদী মফিজ বাহিনীদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উক্ত মামলার আসামিরা হলেন,মৃত আকবর আহমদের ছেলেঃ
১| ফিরোজ আহমদ
২|মফিজ আহমদ
৩| রমিজ আহমদ
৪|আজিজ আহমদ
৫|মোবারক আহমদ সহ অজ্ঞাতনামা৫-৬ জন।।

তিনি আরও যোগ করে বলেন,কোন রকম কাজ কর্ম ছাড়া একটা বেকার ছেলে কিভাবে এতো টাকার মালিক হয়ে গেছে তা এলাকা বাসীর কাছে রহস্যের জন্ম দিয়েছে।সে বহু বুটের মালিক প্রতিটা বুটের মালিককে ৬-৭ লক্ষ টাকা করে প্রতি লাখে ৭-৮ হাজার সুদে প্রতি মাসে দিয়েছেন। তার টাকার গরমে নাকি এলাকায় শান্তিতে বসবাস করা কষ্টকর হয়ে গেছে সে নাকি এলাকায় কাউকে পরোয়া করেনা।

তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন,তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসবে এই টাকার খনির উৎস্য এবং তিনি সন্দেহ করে বলেন, সে এই টাকা অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যাবসায় করে এই টাকার পাহাড় গড়ে থাকতে পারেন। তিনি আশংকা করে বলেছেন, তার এই ব্যবসায় অনেক বড় সিন্ডিকেট থাকতে পারে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হয়তো এতো টাকা গড়ার মূল তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।