আপডেটঃ
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতায় নিহত ১গায়েবি মামলা, আটক ও রিমান্ড ফৌজদারি ও মানবতাবিরোধী অপরাধআজ পুলিশের দুই এসআই হত্যা মামলার রায়ছেড়া দ্বীপে নীল-সবুজের হাতছানিপরপুরুষের সঙ্গে দীপিকার ‘ঘনিষ্ঠ’ ভিডিও ভাইরাল!ভেনিজুয়েলায় পৌঁছাল রাশিয়ার ২ পরমাণু বোমারু বিমানআজ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসরামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলামহিলাদের অধিকার আদায় ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ধানের শীষে ভোট দিন : শিরিন রহমাননৌকায় ভোট দিলে গরীবের অধিকার নিশ্চিত হবে-এমপি বদিগিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ ৫০০ বিএনপি নেতাকর্মীর জামিনটাইগারদের হারিয়ে সিরিজ সমতায় উইন্ডিজকর্ণফুলীর ব্রিজঘাটে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ পথসভায়- ‘এই নৌকা আপনাদের কর্ণফুলী উপজেলা উপহার দিয়েছে’ফখরুলের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, আহত ১০নির্বাচনী উত্তাপ যেন উত্তপ্ত না হয়: সিইসি

গ্রেফতারের ভয়ে হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন শিক্ষিকা হাসনা হেনা

Aritree.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্স: অরিত্রি অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার প্ররোচনায় দায়ের মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে বাসা ছেড়ে হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বরখাস্তকৃত শিক্ষিকা হাসনা হেনা।

বুধবার রাতে রাজধানীর উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ‘হোটেল উত্তরা ইনে’ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভিকারুননিসার শিক্ষিকা হাসনা হেনা থাকেন মগবাজার এলাকার ডাক্তারের গলিতে। কিন্তু অরিত্রির আত্মহত্যার মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে আত্মগোপন করেছিলেন উত্তরার একটি হোটেলে।

মামলা হওয়ার পর পরিস্থিতি প্রতিকূলে ভেবে হাসনা হেনা ঢাকার বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। সেটা সম্ভব না হওয়ায় উত্তরার ওই হোটেলে আত্মগোপন করেন তিনি।

পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিকারুননিসার প্রভাতী শাখার বরখাস্তকৃত এ শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয়।

অরিত্রির আত্মহত্যার প্ররোচণায় দায়ের করা মামলার তিন নম্বর আসামি হাসনা হেনা। মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। অন্য দুই আসামি হলেন বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতি শাখার প্রধান জিনাত আখতার।

Top