আপডেটঃ
সব সদস্য রাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে শান্তি নিশ্চিত হয় : স্পিকারনির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিকসভাপতি কমল এমপি, সাধারণ সম্পাদক হুদা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদনযশোরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহতহিলিতে জাতীয় ইদুঁর নিধন অভিযানের উদ্বোধনসৌদি কনস্যুলেট খাসোগিকে খুঁজবেন তুর্কি তদন্তকারীরালালন শাহের ১২৮ তম তিরোধান দিবসপর্যটক ও পূণ্যার্থীদের দুর্ভোগ… রামু চাবাগান- উত্তর মিঠাছড়ি সড়কে অসংখ্য গর্ত ॥ সংস্কার জরুরীচট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩টি পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীকে সরানো যাচ্ছেনাকর্ণফুলীতে চলছেনা গাড়ি: আরাকান মহাসড়কে ধর্মঘটফেসবুকে নায়িকা সানাই এর ২৭৮টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট,থানায় জিডিসেন্টমার্টিনে রাত্রিকালীন নিষেধাজ্ঞা: পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কাআশা ইউনিভার্সিটিতে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারশাহপরীরদ্বীপে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ পরিবার পেল নগদ টাকাসহ ৩০ কেজি করে চালবেনাপোল কাস্টমসে ১কেজি ৭শ গুড়ো সোনা সহ আটক ১

আজ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু গোল্ড়কাপ ফুটবল সেমিফাইনাল

stadium.jpg

মোঃ নেজাম উদ্দিন।
আজ শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু গোল্ড়কাপ সেমিফাইনাল । বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দুটি সেমিফাইনাল কক্সবাজার না হয়ে নীলফামারীতে হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেড়ারেশন (বাফুফে)। কিন্তুু যাতায়াত আর আবাসন ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা সবকিছুর সুবিধা কক্সবাজারে ভাল মনে করে টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে ।আজ দুপুর ঠিক আড়াই টায় খেলা শুরু হবে বলে জানান জেলা ক্রড়িা সংস্তার সাধারন সম্পাদক অনুপ বডুয়া অপু। দিন পনের আগে বাফুফের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরই মাঠ পরিচর্যা শুরু হয় কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের। রবিবার স্টেডিয়ামে পা দিয়ে অনেকেরই চোখ ছানাবড়া। ১৫ দিনের পরিচর্যায় সবুজ হয়ে উঠেছে পর্যক শহরের ফুটবলের প্রধান মাঠটি!কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বডুয়া অপু জানান আমরা প্রস্তুুত এখন শুধু দর্শকরা খেলা উপভোগ করবেন ।সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে । আন্তর্জাতিক খেলা হবে তাই আমরা তেমনিভাবে মাঠ তৈরী করেছি ।এদিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিতে দেশের হয়ে মাঠ মাতাবেন কক্সবাজারের চার নক্ষত্র তারা হলেন আনিসুর রহমান জিকু , গোল কিপার,(ডুলাহাজারা,চকরিয়া), তৌহিদুল আলম সবুজ(মহেশখালী), সুশান্ত ত্রিপুরা(মালুমঘাট, চকরিয়া ), ইব্রাহীম(মালুমঘাট, চকরিয়া)


এরা ৪জনইআন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে দেশের জন্য লাল সবুজের পতাকার জন্য লড়াই করে যাবেন। আগামী ১০ই অক্টোবর ফিলিস্তিন এর বিপক্ষে কক্সবাজার বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে কেউ হাতে, কেউ পাঁয়ের জাদুতে মুগ্ধ করবেন ১৬ কোটি বাঙ্গালীকে। যাদের দিকে চেয়ে আছে গত এশিয়া কাপের ব্যর্থতার দৃষ্টি।সে দৃষ্টি যেন সফলতার আলোয় আলোকিত করতে পারে বাংলাদেশের ৬৪ হাজার বর্গমাইল। ১৬ কোটি মানুষের মুখ উন্মাদনার জোয়ারে ভাসিয়ে দিবে বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রামে, প্রান্ত থেকে দেপান্তরে প্রতিটা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে, স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে বাংলাদেশ ফুটবলের জাগরণ সৃষ্টি করবে প্রত্যান্ত অঞ্চলে। সেই প্রত্যাশাটুকু রাখে কক্সবাজারবাসী। অপরদিকে টিকেট শহর ছাড়িয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাওয়া যাচ্ছে আগামী ৯ ও ১০ অক্টোবর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিতব্য বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের দুইটি সেমিফাইনালে টিকেট চকরিয়ায় চারটি পয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। খেলা দেখতে আগ্রহী সকল ক্রীড়ামোদি দর্শকদের জন্য চকরিয়া সদরে চারটি পয়েন্টে টিকেট বিক্রির সুবিধা চালু করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী। তিনি বলেন, খেলার আগেরদিন পর্যন্ত ঢাকা ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক চকরিয়া শাখা থেকে টিকেট বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি চকরিয়া নিউ মার্কেটের খেলাঘর ও ওশান সিটি মার্কেটের খেলাঘর থেকেও সকলে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।
কক্সবাজার স্টেডিয়াম নামে এ ভেন্যুটি তৈরি ১৯৫৬ সালে। স্টেডিয়ামের মালিক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ স্টেডিয়ামের নাম বদলে রেখেছে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম। ৮ বছর আগে এ স্টেডিয়ামে হয়েছিল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ওই টুর্নামেন্ট ঘিরে ফুটবল উম্মাদনা তৈরি হয়েছিল কক্সবাজারে। এবার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দুটি সেমিফাইনাল পেয়ে এ শহরের খেলোয়াড় ও সংগঠকরা বেজায় খুশি। তাদের প্রত্যাশা গ্যালারিতে দর্শকের জায়গা হবে না।

মেয়েদের খেলা দেখতেই ২০১০ সালে উপচেপড়া দর্শক ছিল কক্সবাজার স্টেডিয়ামে। ১২ থেকে ১৪ হাজার দর্শকধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যালারি ছিল কানায় কানায় ভর্তি। কয়েক হাজার মানুষ বাইরে দাঁড়িয়েছিল টিকিট না পেয়ে। রবিবার সন্ধ্যায় শহরের হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত এ স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা গেলো একটা উৎসব উৎসব ভাব। মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া। স্টেডিয়ামের সামনেই সামিয়ানা টাঙিয়ে টিকিট বিক্রি চলছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা, ভিআইপি ২০০ টাকা।

৬ জাতির এ টুর্নামেন্টের শেষ চারে আছে বাংলাদেশও। ১০ অক্টোবর লাল-সবুজ জার্সিধারীরা দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলবে ফিলিস্তিনের সঙ্গে। আগের দিন প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে তাজিকিস্তান ও ফিলিপাইন। ফ্লাডলাইট না থাকায় সেমিফাইনাল শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়।

stadium

শহরের ডলফিন চত্বর থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তোরণ চোখে পড়লো। বিদেশি দলগুলোকে এবং দর্শকদের স্বাগত জানানো হয়েছে এ তোরণের মাধ্যমে। স্টেডিয়ামের ভেতরটা পরিপাটি। কয়েক জায়গায় সামিয়ানা টাঙানো হয়েছে। তিনদিন পর এখানে যে ফুটবল উৎসব শুরু হবে তার একটা আমেজ ঠিকই ছড়িয়ে পড়েছে ভেন্যু ও তার আশপাশে। উৎসুক মানুষ উঁকি মেরে স্টেডিয়ামের ভেতরটা দেখার চেষ্টা করছেন। অনেকে টিকিটের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

মাঠ পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা বাফুফের মাঠকর্মী মো. চান মিয়ার মুখে হাসি, ‘দেখেছেন স্যার, ১৫ দিন আগে মাঠের বেশিরভাগ অংশ ছিলো ঘাসবিহীন। এখন পুরোটাই সবুজ। সিলেট স্টেডিয়ামের চেয়ে এ মাঠ অনেক ভালো। সিলেটে একটু বৃষ্টি হলেও সমস্যা দেখা দিতো। মাটি বেশি নরম হয়ে যেতো। এটা পাহাড়ি এলাকার মাঠ তো, বৃষ্টি হলেও সহজে নরম হয় না।

Top