আপডেটঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করছেন ট্রাম্পঈদগাঁহতে আওয়ামীলীগের জনসভাঃ এমপি কমলের লাখ জনতার শোডাউনচট্টগ্রামে জলসা মার্কেটের ছাদে ২ কিশোরী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬যশোরের বেনাপোলে সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান নাগরিক আটক“বিএনপি ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে”ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধান সড়কের দু’পাশ দখল, বাড়ছে যানজট

384_me.jpg

মাহাবুবুর রহমান :
কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের পার্শে প্রধান সড়কের জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য গ্যারেজ,ভাঙ্গারীর দোকান সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। আর এসব অবৈধ দোকানে দিনরাত পড়ে থাকা গাড়ীর কারনে প্রধান সড়কে গাড়ী চলাচল মারাত্বক বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। ফলে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পরে প্রায় সময় লেগে থাকে যানজট।

সচেতন মহলের দাবী কতিপয় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি এবং সড়ক জনপদ বিভাগের লোকজন মাসিক ভাড়ার ভিত্তিতে এসব দোকান বসিয়েছে। অন্যদিকে তারাই আবার সড়কে শৃংখলা আনার জন্য বিভিন্ন সভা সেমিনারে বক্তব্য দেয়। তাই দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবী জানান সাধারণ মানুষ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মরত পিএমখালীর বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন,প্রতিদিন অফিস করার জন্য পিএমখালীর বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করি, আর প্রতিদিন কয়েকটি জায়গায় যানজটে পড়তে হবে সেটা নিশ্চিত,এর মধ্যে অন্যতম লিংকরোড় এবং সদর উপজেলা পরিষদের পার্শে। এছাড়া বাসটার্মিনালেও যানজটের শিকার হতে হয়। এর মধ্যে প্রায় সময় যানজটে পড়তে হয় উপজেলা পরিষদের পাশে। কারন এখানে সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য গ্যারেজ আর ভাঙ্গারীর দোকান সহ অনেক অবৈধ দোকান। যার ফলে এই এলাকা দিয়ে দুটি বড় বাস ঠিকমত পার হতে পারে না।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলা পরিষদের পাশে সরকারি খাদ্য গুদামের পাশ ঘেষে গড়ে উঠেছে  ৪ টি গ্যারেজ ও ২ টি ভাঙ্গারীর দোকান, আর রাস্তার অপর পাশেও একই ভাবে গড়ে উঠেছে আরো বেশ কয়েক টি অবৈধ গ্যারেজ আর গাড়ী ধোয়ার জন্য ওয়াসব্লক স্থাপন করেছে একজন। এ সময় আলাপ কালে আকবর নামের এক গ্যারেজ মালিক বলেন,আমরা ভুতু মুন্সি নামের একজনের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে গ্যারেজ করছি তবে এখানে কোন স্থায়ী কিছু নেই বা পাকা কোন স্থাপনা নেই। পাশের ভাঙ্গারী ব্যবসায়ি  রাসেল বলেন, আমরা মাসিক ভাড়া দিয়ে এখানে কাজ করছি যারা দোকানের ভাড়া নিতে আসে তারা বলেছে রাস্তাতেও আমাদের নিজস্ব জমি পড়েছে সুতরাং এগুলো আমাদের জমি। আর আমরা শুধু ভাড়াটিয়া আপনাদের কিছু বলার থাকলে জমিদারের সাথে কথা বলুন। তবে বেশির ভাগ গ্যারেজে  মেরামতের জন্য ্আসা গাড়ী গুলো প্রধান সড়কেই দাড় করিয়ে রেখে মেরামত করতে দেখা গেছে। আবার কিছু গাড়ী আছে মাসের পর মাস রাস্তার পাশে পড়ে আছে।

ঝিলংজার মোক্তারকুল এলাকার কলেজ ছাত্রী আসমাউল হুসনা বলেন, আমি সরকারি মহিলা কলেজে পড়ি প্রতিদিন কলেজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে ১ ঘন্টা আগে বের হলেও অনেক সময় দেরী হয়ে যায় কারন রান্তায় প্রচন্ড যানজট,কোন নির্দিষ্ট স্থান বলে কথা নেই বেশির জায়গাতেই যানজট থাকে,এর মধ্যে বেশি চোখে পড়ে উপজেলা পরিষদের পাশে রাস্তার দুই পাশে দখল করে থাকা গ্যারেজ গুলো। এই সব গ্যারেজের কারনে সেই রাস্তাতে বেশি যানজট লেগে থাকে। আর সেই সমস্ত গ্যারেজ মেরামত করার জন্য আনা গাড়ী এবং ভাঙ্গারীর দোকানের জিনিস পত্র থাকে একেবারে প্রধান সড়কের উপরে। এতে গাড়ী চলাচলে মারাত্বক সমস্যা হয়। আমি শুনেছি এগুলো স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন বসিয়েছে। আরেক ছাত্রী রিফাত বিন সামশ বলেন,আমার বাড়ি শহরের কালুর দোকানে,পড়ালেখা করি কক্সবাজার সরকারি কলেজে,কলেজে যাওয়ার জন্য বের হলে রাস্তায় যে যানজটের কবলে পড়তে  হবে বাধ্যতা মুলক আগে কিন্তু রাস্তায় এত বেশি যনযট হতো না কিন্তু ইদানিং কেন এত বেশি যানজহট হয় বুঝতে পারছি না। শুধু উপজেলা গেইটের পাশে নয় আমার দাবী রাস্তার পাশে যতগুলো এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা আছে সব গুলো উচ্ছেদ করা সরকারের দায়িত্ব। আর উচ্ছেদ করতে হবে কেন ? আগে থেকেই যদি রাস্তার পাশে কাউকে কোন স্থাপনা করতে না দেওয়া হয় তাহলে সব কিছু ঠিক থাকে।

অনেক স্থানীয় লোকজন বলেন,এখানে ১২/১৫টি অবৈধ দোকান আছে যেগুলো যানজটের মূল কারন। আর এসব দোকান থেকে মাসিক ভাড়া নেয় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী আর সড়ক বিভাগের লোকজন। তারাই আবার বিভিন্ন জায়গায় নিরাপদ সড়কের দাবীতে কথা বলে।

এব্যাপারে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়ক চাললেইন করার কাজ চলছে সে সময় সব কিছু এমনিতেই উচ্ছেদ হয়ে যাবে। তবুও ইতি মধ্যে বিশেষ প্রয়োজনে জনগনের সুবিধার জন্য কিছু করতে হলে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Top