আপডেটঃ
গর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিলঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে, জানতে চান বিদেশি কূটনীতিকরাজনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেইদক্ষিন শার্শায় মাদকের নেশা ছড়িয়ে পড়ছে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা সচেতন মহলেরশার্শায় ওয়ান সুটার গুলি সহ আটক ১লোকবল সংকটে বন্ধ হিলি রেল স্টেশন বিপাকে পড়ছেন পাসপোর্টধারী যাত্রী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরাকক্সবাজারের মানবতার শ্রেষ্ট মানব সেবক ড়াক্তার রেজাউল করিম মনছুরযেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করবেন নাসাকিবের না থাকাটা আমার জন্য বাড়তি দায়িত্ব : মিরাজআন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আইইই ডে’ পালিত

জনপ্রিয় বলে কি শহিদুল আইনের ঊর্ধ্বে?

sajeeb-wazed-joy.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার কারণে দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। পোস্টটি নিচে তুলে দেয়া হলো-

‘ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো। তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উস্কে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?

আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশী বন্ধুরা ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমিসহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে?

আমি যেই উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেয়া মিথ্যা পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের উপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন।

বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’

Top