আপডেটঃ
কক্সবাজার ও রামুতে বিভিন্ন মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে আল্লামা শাহ আহমদ শফী কওমি শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেই সরকার কওমি সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের বিশাল জয়কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরীচকরিয়া পৌরসভা যুবলীগ নেতা মোঃ বেলাল উদ্দিন ফরহাদের মৃত্যুতে রামু উপজেলা যুবলীগের শোকসোলাতানিয়া কেজি এন্ড নুরানী একাডেমীর পি.এস.সি পরীক্ষার্থীদে বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন‘জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি জামাত জ্বালাও পোড়াও এবং মানুষ হত্যার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে’ত্রুটি কাটিয়ে পুরোদমে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহকর্ণফুলীতে ‘সাঁকো’ সংগঠনের উদ্যোগে পি.এস.সি পরীক্ষার্থীদের ফ্রি কোচিং সেবা ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতবিমান বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পি.এস. সি পরিক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন: ইসিহাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন কক্সবাজারের ডিসি-এসপিউখিয়ার কলেজছাত্রী হত্যাকারী সন্ত্রাসী কবিরের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারমাওলানা আনোয়ারের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন‘থ্যাঙ্ক ইউ পিএম’ বিজ্ঞাপনের বিষয়ে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে: ইসি সচিবনির্বাচন পিছিয়েছেন। আর নয়। একদিনও নয়, একঘণ্টাও নয়।

কে জিতছে আজ, ব্রাজিল নাকি বেলজিয়াম?

Brazil-Belzium.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ একটা দল এখন পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম গোল খেলেছে। দলটা ব্রাজিল।

একটা দল এখন পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল দিয়েছে। দলটা বেলজিয়াম।

কেমন যেন গোলমেলে মনে হচ্ছে না? সাধারণত গোলের উৎসব তো ব্রাজিলই করে। অথচ এবারের বিশ্বকাপে পেছনের চার ম্যাচে ব্রাজিল সবমিলিয়ে করেছে মাত্র ৭ গোল। দল হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় তারা পঞ্চম স্থানে। আর কম গোল খাওয়ার তালিকায় ঐ যে একেবারে টপচার্টে!

গোল খাওয়া মানেই তো পিছিয়ে পড়া। সেটা মেনেই রাশিয়া বিশ্বকাপে একটু ‘অ-ব্রাজিলীয়’ চিন্তা নিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করেছেন ব্রাজিল কোচ তিতে। শুধু আক্রমণে নয়, রক্ষণেও তার মহা মনোযোগ। অথচ রক্ষণ-আক্রমণ প্রসঙ্গ উঠলেই ব্রাজিল সবসময় কথাটা গর্ব নিয়ে বলে-‘আমরা দুই গোল খেলে, চার গোল করতেও পারি! তবে সেই অ্যাডভেঞ্চারে আর যেই হোক কোচ তিতে খুব একটা আনন্দ খুঁজে বেড়াচ্ছেন না। তার কাছে জয় পাওয়া এবং সেই গোলকে রক্ষা করাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর ম্যাচ যখন নকআউট তখন তো সেই সাবধানতা আরও বেশি প্রয়োজন। বেলজিয়ামের বিপক্ষে শুক্রবার রাতের কোয়ার্টার ফাইনালেও ব্রাজিল কোচ সেই ফূর্মলা নিয়েই নামছেন।

শক্ত ডিফেন্স, সাবলীল মাঝমাঠ এবং তেড়েফুঁড়ে উঠে ঝটিকা আক্রমণ। শেষ তিন ম্যাচে ব্রাজিল এই পথে হেঁটেই সাফল্য পেয়েছে। তবে একটা বিষয় পরিস্কার শুরুর চার ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ যে চ্যালেঞ্জ সামাল দিয়েছিল বেলজিয়াম ম্যাচে সেই চ্যালেঞ্জের পরিমাণ বাড়ছে অনেক অনেক বেশি। শুধু দুটো নামই বলি- এডেন হ্যাজার্ড ও রোমেলো লুকাকু। ডি বক্সে সামান্য সুযোগ পেলে বা শট নেয়ার মতো জায়গা করতে পারলে এই দু‘য়ের যে কোন একজন কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের দুঃখ হয়ে উঠতে পারেন! ম্যাচের আগে নিশ্চয়ই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা ও মিরান্ডার সঙ্গে আলোচনায় এই দুজনের নামটা একটা আলাদা করে নিয়েছেন ব্রাজিল কোচ।

বিদ্যুৎগতিতে পাল্টা আক্রমণ এবং ডি বক্সে ভেতর শূন্যে ভাসানো বলে বেলজিয়াম ভীষণ বিপদজনক দল। জাপান সেটা ভালই টের পেয়েছে। শূন্যে বল ভাসানো তো আর বন্ধ রাখা যাবে না। তবে বেলজিয়াম যেন ডি বক্সে সেই ভেসে আসা হেড করার তেমন সুযোগ না পায়- সেই চেষ্টা অতি অবশ্যই করতে হবে ব্রাজিল ডিফেন্ডারদের। মাঝমাঠ থেকে ডি ব্রুইনা উপরের দিকে লুকাকু এবং হ্যাজার্ডের কাছে বল সরবরাহের যে পথ তৈরি করেন সেখানেও কড়া পাহারা বসাতে হবে ব্রাজিলকে।

কোন সন্দেহ নেই মাঝমাঠে ক্যাসিমিরোর ব্রাজিলকে অনুপস্থিতি ভালই ভোগাবে। দুটো হলুদ কার্ডের খাড়ায় পড়ে এই ম্যাচে ক্যাসিমিরো দর্শক। ক্যাসিমিরো না থাকায় এই ম্যাচে খেলবেন ফার্নান্দিনহো। মাঝমাঠে ফার্নান্দিনহো ও  পাউলিনহোকে অনেকটা হোল্ডিং মিডফিল্ডারের ভূমিকা নিতে হবে। উপরের দিকে বল যোগানের চেয়ে প্রতিপক্ষের খেলা নষ্টের কাজটাই তাকে বেশি করতে হবে।

তবে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ঠ হয়ে গেছে জাপান ম্যাচেই। নেইমার, কুটিনহো, জেসুস এবং উইলিয়ান এই চারজন যদি আক্রমণের চাপটা বজায় রাখতে পারেন তবে বেলজিয়ামের গোলমুখ খুলে যেতে পারে। ইনজুরি কাটিয়ে একাদশে মার্সোলোর ফেরাটাও ব্রাজিলকে বড় স্বস্তি দিচ্ছে।

ব্রাজিলকে এই ম্যাচে ফেবারিট সেটা মেনেই নিয়েই নামছে বেলজিয়াম। ব্রাজিলের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মাঠে মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসও বেলজিয়ামের পক্ষে নয়। তবে সোনালি প্রজন্মের ট্যাগ গায়ে লাগিয়ে এবারের বিশ্বকাপে খেলতে আসা বেলজিয়ামের এই দলটা একটা বিশ্বাস ঠিকই করে-ব্রাজিলকে তারা হারাতে পারবে!

কোয়ার্টার ফাইনালে এই আত্মবিশ্বাসই কোচ মার্টিনেজ এবং বেলজিয়ামের বাড়তি শক্তি।

আর ব্রাজিল জানে এই ম্যাচে জয় মানেই বিশ্বকাপ ট্রফি হাতের আরেকটু কাছে আসা। নকআউট ম্যাচ মানেই মহাঝামেলার একটা হিসেব। ম্যাচ শেষে এক দল সামনে বাড়বে মুখে হাসি নিয়ে। আরেক দল বাড়ি ফিরবে চোখে কান্না নিয়ে।

শুক্রবার কাজান এ্যারেনা দেখছে কার হাসি, কার কান্না ?

Top