আপডেটঃ
কক্সবাজারের মানবতার শ্রেষ্ট মানব সেবক ড়াক্তার রেজাউল করিম মনছুরযেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করবেন নাসাকিবের না থাকাটা আমার জন্য বাড়তি দায়িত্ব : মিরাজআন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আইইই ডে’ পালিতইতিহাসে ১ম বার মার্কিন সেনার বৃহত্তম কমান্ডের দায়িত্বে নারী!৩৭ বছর পর ইরানের মেয়েরা ফুটবল মাঠেআবার নির্বাসনে তনুশ্রী?সৌদি বাদশাহর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠককর্ণফুলীতে মামুন হত্যার আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভকুমারীপূজা উপলক্ষে হিলি সীমান্তে বিজিবিকে মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ভারতী বিএসএফবেনাপোল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিলসহ ২ পাচারকারী আটকসব সদস্য রাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে শান্তি নিশ্চিত হয় : স্পিকারনির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিকসভাপতি কমল এমপি, সাধারণ সম্পাদক হুদা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি অনুমোদনযশোরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

রোজা থাকার পর ইফতারে যা খাবেন

iftar.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ মুসলমানদের জন্য রমজান সবচেয়ে পবিত্রতম মাস। রোজার মাসে সেহরি ও ইফতার অনেকটা ইবাদতের মতো। সারাদিন রোজা থাকার পর ইফতার প্রতিটি রোজাদারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।

ইফতারিতে খাবারের নানা ধরনের আয়োজন থাকে প্রত্যেক বাড়িতে। তবে সারাদিন রোজা থাকার পর একবারে অনেক খাবার খেলে তা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ইফতারির সময় খাওয়া শুরু করার পূর্বে প্রথমেই শরীরের পানিশূন্যতা দূর করা দরকার। এজন্য পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফলের রস, শরবত কিংবা দুধও পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

সাধারণত খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা হয়। কারণ এতে প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা থাকলে সাধারণত রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়, তখন মাথাব্যথা হয়। এসময় দুইটি খেজুর খেলে শর্করার পরিমাণ ঠিক হয়।

ইফতারিতে স্যুপ খাওয়া খুবই স্বাস্থ্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে এবং এটি শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ইফতারির সময় সবজি, টমেটো কিংবা মুরগির তৈরি স্যুপ খেতে পারেন। যদি গরমের এই সময় গরম স্যুপ খেতে ভালো না লাগে তাহলে ঠান্ডা স্যুপ খেতে পারেন।

ইফতারিতে শাকসবজি খেতে পারলে তা শরীরের জন্য খুবই উপকারী হয়। সালাদ, স্যুপ কিংবা অন্য যেকোনো খাবারে শাকসবজি যোগ করতে পারেন।

ইফতারির সময় খুব বেশি চর্বিযুক্ত প্রোটিন খাওয়া ঠিক নয়। বরং চর্বি ছাড়া প্রোটিন মানে মাছ, মুরগির মাংস, টার্কি এগুলো খেতে পারেন।

ইফতারির সময় খুব তাড়াহুড়া করে না খাওয়াই ভালো। সারাদিন খালি পেটে থাকার পর দ্রুত কিংবা বেশি পরিমাণে খাবার খেলে হজম এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। বরং অল্প অল্প করে ধীরে ধীরে খাবার খান। তাহলে খাবার ভালোভাবে হজম হবে।

ইফতারিতে যতটা সম্ভব ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলবেন। এছাড়া এই সময় খুব বেশি পরিমাণে চর্বিযুক্ত, লবণাক্ত এবং চিনিযুক্ত খাবার খাওয়াও ঠিক নয়।

Top