আপডেটঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করছেন ট্রাম্পঈদগাঁহতে আওয়ামীলীগের জনসভাঃ এমপি কমলের লাখ জনতার শোডাউনচট্টগ্রামে জলসা মার্কেটের ছাদে ২ কিশোরী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬যশোরের বেনাপোলে সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান নাগরিক আটক“বিএনপি ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে”ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নির্মাণ হচ্ছে বিশ্বমানের প্যাসেঞ্জার ভবন

cox-large-20180529220226.jpg

ডেস্ক নিউজ:

কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য বিমানবন্দরে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

নির্মাণ কাজটি বাস্তবায়ন করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিআরএফজি-এনডিইজেভি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৫ কোটি টাকা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মহিবুল হক স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনায় বলা হয়, কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর সমূহের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে এ বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১০টি যাত্রীবাহী ও চারটি কার্গো বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ করে। দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত সুবিধায় পর্যটন নগরী কাক্সবাজারের সঙ্গে রাজধানীসহ অন্যান্য শহরের মধ্যে সুপরিসর বিমান চলাচল সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার। এ লক্ষ্যে ‘কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় রানওয়ের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বর্ধিতকরণ, লাইটিং সিস্টেম ও যন্ত্রাপাতি স্থাপনসহ রানওয়ের সুবিধাদি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মানদণ্ডে উন্নীত করা হচ্ছে।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়- কক্সবাজার বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি বহির্বিশ্বের যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে একটি আন্তর্জানিত প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন নির্মাণ আবশ্যক। এ লক্ষ্যে বর্ণিত প্রকল্পটি ২৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বেবিচকের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। উন্মুক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার হিসেবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিআরএফজি-এনডিইজেভিকে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে।

Top