আপডেটঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করছেন ট্রাম্পঈদগাঁহতে আওয়ামীলীগের জনসভাঃ এমপি কমলের লাখ জনতার শোডাউনচট্টগ্রামে জলসা মার্কেটের ছাদে ২ কিশোরী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬যশোরের বেনাপোলে সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান নাগরিক আটক“বিএনপি ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে”ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

সব রাজনৈতিক দলকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐকবদ্ধ হওয়ার আহ্বান বিএনপির

BNP.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিকে ঐকবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  সন্ধ্যায় রাজধানীর লেডিস ক্লাবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত বিএনপির ইফতার মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাজনীতিবিদদের ইফতারে স্বাগত জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রতিবছর আমরা এই ইফতারের আয়োজন করি। এই ইফতারের কেন্দ্র বিন্দুতে থাকেন আমাদের নেত্রী, ১৬ কোটি মানুষের প্রিয় নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আজকে তিনি আমাদের মাঝে উপস্থিত নেই। তিনি এই সরকারের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে আজকে তাকে ইফতার করতে হচ্ছে। আমরা সবাই সেজন্য আজকে ভারাক্রান্ত।

মির্জা আলমগীর বলেন, আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দকে বলবো আসুন। আমরা সবাই দেশের প্রয়োজনে এক সঙ্গে কাজ করি। আবার আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের যে লড়াই চলছে এটি বিএনপির একার আন্দোলন নয়। এটা দেশের মানুষের কথা বলার, স্বাধীনতার, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন। তাই সবাই এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি, জাতীয় নেতৃবৃন্দ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এক হয়ে কাজ করবেন। দেশের প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধ হবেন।

বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, রমজান মাস ত্যাগের মাস। মুত্তাকি হওয়ার সময়। কিন্তু আপনি কথা দিলেন মাঝে একটা নির্বাচন করবো, কিন্তু কথা রাখলেন না। তাহলে কি করে মুত্তাকি হবেন। এমন কোনো ওয়াদা দেবেন না যেটা পালন করবেন না। এটা মুত্তাকির চরিত্র না।  যদি মুত্তাকি হন তাহলে সব কিছু ঠিক রাখতে হবে। বি. চৌধুরী বলেন, আজকে বিএনপির নেতারা বেশি না হলেও কর্মীদের ভয়ে বুক কাঁপে ধুর ধুর করে। কাঁপবে না কেনো? তারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। কি হবে যদি আবার সরকারি দল ক্ষমতায় আসে- এবারে আমাদের কি হবে? এটা স্বাভাবিক শঙ্কা। অভিজ্ঞতায় বলে খুব সুবিধা হবে না। একইভাবে সরকারের কিছু কিছু রাজনৈতিক কর্মী আমার কাছে আসছেন তাদেরও বুক কাঁপে। যদি বিএনপি আসে তাহলে তাদের কি হবে? এটা কী খুব ভালো কথা, এটা কী রাজনীতির জন্য শুভ, এটা কী দেশের ভবিষ্যতের জন্য শুভ? এটা কী ইঙ্গিত নয় যে, আমার একটা পর্যায় যেতে পারে দেশ যেখানে মানুষ মানুষকে হত্যা করে, নিগৃহীত করবে, জেলে দেবে, আগুন জ্বালিয়ে দেবে। কিন্তু থামাবে কে? আমি চিন্তার খোরাক দিয়ে গেলাম।

সাবেক এ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এমন একটা দল দরকার যারা সবাইকে কন্ট্রোল করতে পারবে। সবার মাঝে সম্প্রীতি তৈরি করতে পারবে। দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে। কিন্তু দায়িত্ব নিবে কে? কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবে। মঞ্চে দলের চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়ার চেয়ারটি ফাঁকা রেখে আজও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। খালেদা জিয়ার শূণ্য চেয়ারের পাশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বসেন।

ইফতার মাহফিলে অতিথি সারিতে বসে ইফতার করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, বাংলাদশের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আসম আবদুর রব, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না অংশ নেন। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির আ স ম আবদুর রব, তার স্ত্রী তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন প্রমুখ।

ইফতারে ২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পারোয়ার, আবদুল হালিম, নূরুল ইসলাম বুলবুল, সেলিমউদ্দিন, মোবারক হোসেন, মশিউল আলমসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, এমএম আমিনুর রহমান, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, শাহাদাত হোসেন সেলিম, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুর রকীব, আবদুল করীম, খেলাফত মজলিশের আহমদ আবদুল কাদের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমী, বিজেপির আবদুল মতিন সউদ, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, জাগপার রেহানা প্রধান, খন্দকার লুৎফর রহমান, আসাদুর রহমান খান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, লেবার পার্টির দুই অংশের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদি, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির আবু তাহের চৌধুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অন্যাংশের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, ডিএলর সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি অংশ নেন।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল মান্নান, আমিনুল হক, জয়নাল আবেদীন, রুহুল আলম চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, গোলাম আকবর খন্দকার, জিয়াউর রহমান খান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আ ন হ আখতার হোসাইন, সুজাউদ্দিন, আবদুল কাইয়ুম, শাহিদা রফিক, নজমুল হক নান্নু, আব্দুল কুদ্দুস, ড. মামুন আহমেদ, ড. এনামুল হক চৌধুরী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, সালাউদ্দিন আহমেদ, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শিরিন সুলতানা, হারুনুর রশীদ, কায়সার কামাল, ডা. ফাওয়াজ হোসেন শুভ, ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, এবিএম মোশাররফ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগি সংগঠনের সিনিয়র নেতারা ইফতারে অংশ নেন। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী নজরুল ইসলাম মঞ্জুও ইফতারে ছিলেন। ইফতারের আগে কারাবন্দি অসুস্থ খালেদা জিয়ার মুক্তি ও লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আরোগ্য লাভসহ দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

Top