আপডেটঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করছেন ট্রাম্পঈদগাঁহতে আওয়ামীলীগের জনসভাঃ এমপি কমলের লাখ জনতার শোডাউনচট্টগ্রামে জলসা মার্কেটের ছাদে ২ কিশোরী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬যশোরের বেনাপোলে সীমান্তে দুই নাইজেরিয়ান নাগরিক আটক“বিএনপি ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে”ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারের প্রতিটি বাড়ি হতে পারে ‘ট্যুরিস্ট হোম’- ড. হাবিবুর রহমান

32159617_1295891233876947_2269800893501145088_n-650x406.jpg

আব্দুল আলীম নোবেল|
বিশ্বের ধনীরাষ্ট্র কাতারের আমীরের(প্রধানমন্ত্রী) উপদেষ্টা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, ইতিহাস লেখক ড. হাবিবুর রহমানের সাথে প্রতিবেদকের একান্ত অলাপাচারিতায় তিনি বলেন।
বিশ্বের সাথে তাল মিয়ে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশ হচ্ছে দ্রুত এটি অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। সামনের দিকে এগিয়ে চলা, কক্সবাজারে পর্যটন খাত, প্রচুর অর্থনৈতিক সম্ভবনা এবং পরিচিতির ক্ষেত্রে একটি ভাল দিক বর্তমানে আমাদের জন্য। চাইলে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পের আয় দিয়ে পুরো দেশের বাজেটের অর্ধেক চাহিদা মিটাতে সক্ষম। তবে এমনটি অপরিকল্পিত নগায়ণ মোটেও ভাল ফলাফল বয়ে আনবে না। সবার আগে পরিকল্পিত নাগয়ণের দিকে মনযোগ দিতে হবে। মাস্টার প্লানের আওতায় যে কোন স্থাপনা তৈরি করতে হবে।
এই ক্ষেত্রে সরকার ও স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পরে এই শিল্প। দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটক টানতে প্রথমত কক্সবাজারে সস্তা খাবার, যানযট মুক্ত সড়ক, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নগরী ও পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে সবার আগে। সী সাইডের দিকে উচু উচু দালান নির্মাণ মোটেও সর্মথন করতে পাচ্ছি না। এইরক নির্মাণশৈলি বিশ্বের কোথাও আমি দেখিনি। পর্যটকদের যদি নির্মল বাতাস ও মন খোলে সাগর দেখার সুযোগ না দিলে এখানে কি জন্য আসবে পর্যটকরা। কক্সবাজার থেকে শাহপীর দ্বীপ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পাশে কোন ধরণের স্থাপনা থাকতে পারবে না। সাগর দেখার পাশাপাশি পর্যটকদের কক্সবাজারের ইতিহাস ঐতিহ্য, গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট গুলোর দেখার সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়া তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার শহরের প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল, গেষ্ট হাউজ, এর পরেও আগামীতে আরো অনেক স্থাপনা দরকার হবে। পর্যটন মৌসুমের সময় পর্যটকদের জায়গা দিতে না পারায় পর্যটকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এতে একটি নতুন ধারণা দেয়া যেতে পারে, যেমনটি- কক্সবাজারের শহরের প্রতিটি বাড়ি এক একটি টুরিষ্ট হোম হতে পারে। স্থানীয়দের বাড়িতে এক রুম বা দুই রুমের ঘর তৈরি করতে হবে। সেটি হবে অত্যান্ত সাজানো গোছানো ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। পটর্যটক আসলে ঘরোয়া পরিবেশ তাদের জন্য বাড়ির লোকরাই খাবার পরিবেশন করবে। মাটির পাতিলে খাবার রান্না হবে, বাসন প্লেইটও মাটির হবে। সেখানে কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহি খাবার দাবার থাকবে। যতগুলো বাড়িতে টুরিষ্ট হোম থাকবে সাবাই মিলে একটি টুরিষ্ট কলসেন্টার থাকবে। পর্যটকরা সেখানে গিয়ে বুকিং দিয়ে তাদের সেবা গ্রহণ করবে। এতে শহরে বিশাল একটি চাপ কমবে।

Top