আপডেটঃ
যে দানে চরম শত্রু থেকে বন্ধু হলেন প্রিয়নবিআসছে শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ!ঈদে সাত পর্বের নাটকে ঊর্মিলাবাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে থাকবে ভারতহৃদয় জেতা ক্রোয়েশিয়া আজ ট্রফিও জিতুক!কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনচট্টগ্রাম পানির ট্যাংক থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারআওয়ামীলীগের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত, ৮৫টি সংসদীয় আসনে আসছে নতুন মুখবহিষ্কৃত এএসআই ইয়াবা সহ ডিবির হাতে গ্রেফতার:চট্টগ্রাম শাহ আমানত মার্কেটে আগুনক্ষমতা চিরস্থায়ী করার পাঁয়তারা করছে সরকার: ফখরুলভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে: প্রধানমন্ত্রীকার্ডের লেনদেনে আসছে ‘এনএফসি’ প্রযুক্তিফাইনালে ‘ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রস্তুত ক্রোয়েশিয়াগ্রামীণ গল্পে প্রসূন

একজন মোহাম্মদ নেছার ইতিহাসের জীবন্ত স্বাক্ষী’

32727650_1682124348533337_679165575108231168_n-660x330-650x325.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক:
পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজারের মানুষের কাছে অতিপরিচিত একটি মুখ মোহাম্মদ নেছার। পত্রিকা কারীগর তিনি। তার হাতের সর্বশেষ ছোয়ায় দেশ বিদেশের খবর স্বাচ্ছন্দ্যে পড়ার ব্যবস্থা করে দেয়ার দায়িত্ব তার। কক্সবাজারের দৈনিক আজেকের দেশ বিদেশ পত্রিকায় কম্পিউটার বিভাগের ইনচার্জের পাশাপাশি তিনি একজন কম্পিউটার প্রশিক্ষক, সফওয়্যার ডেভেলফারও।
একটানা অনেক বছর ধরে তিনি চালিয়ে আসছেন এ পেশা। আজকের ইতিহাসের সাক্ষীতে তারই কাহিনী।
মোহাম্মদ নেছার। কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের সোনারপাড়া গ্রামে তার জন্ম। বাবা ছৈয়দ আহম্মদ ও মাতা নুরুন্নাহার বেগম।
বর্তমানে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ পত্রিকায় কম্পিউটার বিভাগের ইনচার্জ।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উঃক্ষেপন নিয়ে সারা দেশ যখন মেতে উঠেছিল, সেই রাতে ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে অন্যান্যদের মতো এই মোহাম্মদ নেছারও রাত জেগে ছিলেন।
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ঐতিহাসিক সংবাদটি জাতীয় দৈনিক ও কক্সবাজারের স্থানীয় এগুলো দৈনিকের মধ্যে শুধুমাত্র কক্সবাজারের স্থানীয় একটি মাত্র প্রিন্ট মিডিয়া দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ পত্রিকায় সঠিক তথ্য নিয়ে যথাসময়ে প্রকাশিত হয়। এনিয়ে পুরো কক্সবাজার জেলা ও দেশব্যাপী আলোচিত হয়। এই আলোচনার প্রধান কেন্দ্র বিন্দুর মানুষটিই হচ্ছেন মোহাম্মদ নেছার। রাত জেগে তিনি সঠিক সময়ে সঠিত ও আলোচিত খবরটি প্রকাশ করেছেন।
তার এ অকৃত্রিম সাফল্যের জন্য দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ তাকে সংবর্ধিতও করেছে। পাশপাশি তাকে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনও সম্মাননা দিচ্ছেন।
স্বয়ং ইতিহাসের স্বাক্ষী এই আলোর মানুষটিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং জেলাবাসির পক্ষ থেকেও সংবধিত করার দাবী রাখে।
কারণ কক্সবাজার জেলা ও বাংলাদেশে এগুলো পত্রিকা থাকলেও তারা সেভাবে কষ্ট করেনি বা কষ্ট করতে চাইনি। তিনি কষ্ট করেছেন, হয়ে গেছেন একজন ইতিহাসের স্বাক্ষী। আরাম আয়েশ বির্সজন দিয়ে তিনি এ কাজকে আকঁড়ে ধরে রেখেছিলেন সেইদিন রাত ও মাহিন্দ্রক্ষণকে।
কক্সবাজারে ছেলে থেকে বুড়ো, আবালবৃদ্ধবনিতা সবার কাছেই একনামে পরিচিত এই মোহাম্মদ নেছার। এই কাজের জন্য তিনি আরো ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। ১১ মে দিনগত রাতে ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে হাজির ছিলেন দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ কার্যালয়ে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপনের প্রথমদিনও তিনি যথাযতভাবে পত্রিকা অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্বিতীয় দিন যখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করা হয়, তখন রাতজেগে তিনিই ছিলেন, সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে ছাপান দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ পত্রিকায় । কক্সবাজার জেলায় এতোগুলো দৈনিক পত্রিকায় কেউ দায়িত্ববোধ থেকে রাত জেগে সঠিত তথ্য সম্বলিত সংবাদটি ছাপাতে পারেনি। ইতিহাস পড়ে, ইতিহাস গড়ে এটাই শেষ কথা নয়, তার হাতেই রচিত হলো কক্সবাজার জেলায় নয় শুধু, সারা দেশের জন্য আগামীর ইতিহাস।
ইতিহাসের স্বাক্ষী থাকা এই আলোর মানুষটিকে এখনই স্বীকৃতি দেয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মোহাম্মদ নেছার এর প্রতি জেলা প্রশাসন সহ সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Top