আপডেটঃ
ঈদগাঁহর জনসভায় রামু থেকে এমপি কমলের নেতৃত্বে যোগ দেবে লক্ষাধিক জনতাসৈকতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা কনসার্টকর্ণফুলীতে মা সমাবেশশেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারানজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমাননাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনসরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনজাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রীভারতকে মাত্র ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশেরবেনাপোল সীমান্তে অস্ত্র-গুলি মাদকদ্রব্য সহ আটক ১আগামী মনোনয়নে নেত্রীর গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তালিকায় যারাকক্সবাজারে হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন টমটম চালককক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত

সুপর্ণা হত্যা মামলার আসামিরা খালাস

Suporna.jpeg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

আনোয়ারায় গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ মে) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালের বিচারক বেগম রোখসানা পারভীনের আদালত এ রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান, নিরপেক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছিলেন তারা। কিন্তু আদালত আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আদালত বলেছেন আলামত (ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন)ও চাক্ষুষ সাক্ষীর অভাবে আসাসিদের বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
রায়ের কপি পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান জিয়া হাবীব আহসান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি আনোয়ারার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের শীলপাড়ায় গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে যৌতুকের জন্য হত্যা করে স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন এবং তড়িঘড়ি করে লাশ দাহ করেন তারা।
পরে নিহতের মা রমা শীল বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা (নম্বর ১৪৮/২০১২) দায়ের করেন। মামলায় সুপর্ণা শীলের স্বামী কৃষ্ণপদ শীল, দেবর পলাশ শীল, শাশুড়ি রেণুবালা শীল এবং ভাসুর সুনীল কান্তি শীলকে আসামি করা হয়।
জিয়া হাবীব আহসান বলেন, যৌতুকের জন্য এটা একটা সুপরিকল্পিত, বর্বর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। নারী নির্যাতন ও নির্মম নিষ্ঠুরতার করুণ চিত্র এটি। আসামিরা ময়নাতদন্ত করে ভিকটিমের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে বাধা সৃষ্টির লক্ষ্যে আলামত (মরদেহ) নষ্ট করতে তড়িঘড়ি করে পুড়িয়ে ফেলে।

Top