আপডেটঃ
যে দানে চরম শত্রু থেকে বন্ধু হলেন প্রিয়নবিআসছে শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ!ঈদে সাত পর্বের নাটকে ঊর্মিলাবাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে থাকবে ভারতহৃদয় জেতা ক্রোয়েশিয়া আজ ট্রফিও জিতুক!কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনচট্টগ্রাম পানির ট্যাংক থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারআওয়ামীলীগের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত, ৮৫টি সংসদীয় আসনে আসছে নতুন মুখবহিষ্কৃত এএসআই ইয়াবা সহ ডিবির হাতে গ্রেফতার:চট্টগ্রাম শাহ আমানত মার্কেটে আগুনক্ষমতা চিরস্থায়ী করার পাঁয়তারা করছে সরকার: ফখরুলভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে: প্রধানমন্ত্রীকার্ডের লেনদেনে আসছে ‘এনএফসি’ প্রযুক্তিফাইনালে ‘ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রস্তুত ক্রোয়েশিয়াগ্রামীণ গল্পে প্রসূন

সুপর্ণা হত্যা মামলার আসামিরা খালাস

Suporna.jpeg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

আনোয়ারায় গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ মে) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালের বিচারক বেগম রোখসানা পারভীনের আদালত এ রায় দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইবুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান, নিরপেক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছিলেন তারা। কিন্তু আদালত আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আদালত বলেছেন আলামত (ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন)ও চাক্ষুষ সাক্ষীর অভাবে আসাসিদের বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
রায়ের কপি পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান জিয়া হাবীব আহসান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি আনোয়ারার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের শীলপাড়ায় গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে যৌতুকের জন্য হত্যা করে স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন এবং তড়িঘড়ি করে লাশ দাহ করেন তারা।
পরে নিহতের মা রমা শীল বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা (নম্বর ১৪৮/২০১২) দায়ের করেন। মামলায় সুপর্ণা শীলের স্বামী কৃষ্ণপদ শীল, দেবর পলাশ শীল, শাশুড়ি রেণুবালা শীল এবং ভাসুর সুনীল কান্তি শীলকে আসামি করা হয়।
জিয়া হাবীব আহসান বলেন, যৌতুকের জন্য এটা একটা সুপরিকল্পিত, বর্বর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। নারী নির্যাতন ও নির্মম নিষ্ঠুরতার করুণ চিত্র এটি। আসামিরা ময়নাতদন্ত করে ভিকটিমের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে বাধা সৃষ্টির লক্ষ্যে আলামত (মরদেহ) নষ্ট করতে তড়িঘড়ি করে পুড়িয়ে ফেলে।

Top