আপডেটঃ
আজ চকরিয়া আসছে আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারীটেকনাফে ‘ডাকাত আলম’ শীর্ষ ডাকাত নিহতচলে গেলেন ব্রাজিলকে হলুদ জার্সি এনে দেয়া মানুষটিচবির ৫২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজপ্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজপ্রধানমন্ত্রী’র কাছে ছাত্রলীগ নেতার খোলা চিঠি!কক্সবাজার ও রামুতে বিভিন্ন মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে আল্লামা শাহ আহমদ শফী কওমি শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেই সরকার কওমি সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের বিশাল জয়কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরীচকরিয়া পৌরসভা যুবলীগ নেতা মোঃ বেলাল উদ্দিন ফরহাদের মৃত্যুতে রামু উপজেলা যুবলীগের শোকসোলাতানিয়া কেজি এন্ড নুরানী একাডেমীর পি.এস.সি পরীক্ষার্থীদে বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন‘জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি জামাত জ্বালাও পোড়াও এবং মানুষ হত্যার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে’ত্রুটি কাটিয়ে পুরোদমে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহকর্ণফুলীতে ‘সাঁকো’ সংগঠনের উদ্যোগে পি.এস.সি পরীক্ষার্থীদের ফ্রি কোচিং সেবা ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতবিমান বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পি.এস. সি পরিক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা

ভর্তিতে অনিয়ম, প্রতিবেদনে প্রধান শিক্ষকের জবাব যেন স¦ঘোষিত রাজনীতিবিদ

j.jpg

জে জাহেদ,চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপজেলা মানিকছড়িতে রানী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ভর্তিতে বিশৃঙ্খলা আর অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। যা পরে তদন্ত পর্যন্ত গড়ায়।

সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হয়েছে। এমন অভিযোগে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুবাইয়া আফরোজকে আহŸায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা যায়।

এমন কান্ড প্রতিবছরে ঘটে বলে জানান স্থানীয় কয়েকজন যুবক। তবে সাহস করে কেহ এতদিন বলতোনা তাদের দাবি। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার বিষয়ে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে সরকারি নিয়ম বাস্তবায়ন ও কড়াকড়ি শুরু করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে জানান সাহেদ নামে স্থানীয় যুবক।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহŸায়ক ও সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুবাইয়া আফরোজ জানান, গত ১৯ এপ্রিল তদন্ত কমিটির কাজ শেষ হয়েছে। এতে দেখা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১০ জন ও নবম শ্রেণিতে দুজনকে অকৃতকার্য হওয়ার পর রানী নিহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, পরীক্ষা কমিটি, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

এতে দেখা যায়, ভর্তি কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হলেও তার থেকে কোনো সুপারিশ নেওয়া হয়নি। এর মধ্যে দেখা গেছে, ষষ্ঠ শ্রেণির শ‚ন্য আসনের ৮৯ জনের মধ্য ১০ জন সুপারিশে ভর্তি হয়েছে। আর নবম শ্রেণির ১০ জনের মধ্যে দুজন। এরা সর্বনিম্ন ৫ নম্বর পেয়েও ভর্তি হয়েছে সরকারি এ বিদ্যালয়ে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মো: মোফাজ্জল হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ নেতারা তাদের নিজস্ব প্যাডে সুপারিশ করায় এসব শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে।

লিখিত জবাব স্বঘোষিত রাজনীতিবিদের আভাস কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, কিসের তদন্ত কমিটি,যে কমিটি তদন্ত করেছে সে কমিটি গঠনে ও নিয়ম মানা হয়নি। আমার কোন অনিয়ম তদন্তে আমার উপরের র্কমর্কতা দিয়ে করতে হয়। এমনকি সরকারি অফিসারের অনিয়ম তদন্তে বেসরকারী লোক বা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিয়ে তদন্ত কমিটি করেছে উল্টো অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার আবদুর শহিদ নামের এক অভিভাবক জানান, ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণিতে তাঁর দুই সন্তান বেশি নম্বর পেয়েও স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি। তিনি বলেন,‘আমার সন্তানের চেয়ে কম নম্বর পেয়ে ফেল করে ভর্তি হয়েছে এমন শিক্ষার্থীর পেয়েছি বেশ কয়েকজন।’ অর্থের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার অভিযোগ তুলেন এই অভিভাবক।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নুর ইসলাম জানান, অনিয়মে প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জল হোসেন যে প্রতিবেদন ও জবাব দিয়েছেন তা সাংঘর্ষিক এবং স্বঘোষিত রাজনীতিবিদের মত। যা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান উদ্দীন মুরাদ জানান, অনুমোদনবিহীন ভর্তিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে এসেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর এ তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Top