আপডেটঃ
ওয়াইফাইয়ের গতি বাড়ানোর জাদুকরি ৪ উপায়কক্সবাজার থানার ওসির কক্ষে ভুয়া মেজর, অত:পর শ্রীঘরে…এবারও হজের খুতবায় নতুন খতিবফাইনালে হেরে গেল বাংলাদেশের মেয়েরানির্বাচনে সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই : কাদেরযারা নাগরিক স্বাধীনতা কেড়ে নেয় তারা আগ্রাসী শক্তিফেসবুক-টুইটারে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কোনো আইডি নেইজাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেইচট্টগ্রাম ফয়স’লেকে নৃশংস খুনের ঘটনায় পুলিশের সংবাদ সম্মেলন– সাবেক স্বামীকে খুন করতে চীন দেশ হতে বাংলাদেশ আগমণ ডাঃ রুকসানারউখিয়া-টেকনাফবাসী রোহিঙ্গাদের জন্য যে উদারতা দেখিয়েছে তা মাদকের বদনামে ধুলিস্যাৎ করা যাবেনাঃ বাহাদুরমাস্টার্স ফাইনালে কক্সবাজার সিটি কলেজের পাশের হার ৮৭%মির্জা ফখরুলের বক্তব্য ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র সামিল: কাদেরঈদ যাত্রা: শিডিউলে নেই ট্রেন, ঠিক সময়ে মিলছে বাসঈদ: মশলার জোগাড়, দেরি নয় আরনিরাপদ বাংলাদেশের দাবিতে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: ফখরুল

কক্সবাজারে অসংখ্য অ্যাম্বুলেন্স-খুঁজতে গেলে নাই!

ambul.jpg

সাইফুল ইসলাম :

সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স থাকা সত্বেও প্রয়োজন মুহুর্তে খুঁজতে গেলে রহস্যজনক কারণে পাওয়া যায়না। এ জন্য প্রতিনিয়তেই নানা সমস্যায় ভুগছেন কক্সবাজারের রোগী ও রোগীর স্বজনরা।

সাধারণ মানুষ অনেকটা জিম্মি হয়ে আছে এ্যাম্বুলেন্স মালিক, চালক ও দালাল সিন্ডিকেটের কাছে। এসব অনিয়ম-অন্যায়ের প্রতিকার চেয়েও ভুক্তভোগীদের ফরিয়াদ আমলে নেননা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিন দেখা যায়, শহরের ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতালের পশ্চিম পাশ থেকে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পযর্ন্ত সারিসারি ২০ থেকে ২৫টির অধিক অ্যাম্বুলেন্স দেখা গেলেও দালাল ছাড়া মিলেনা ওইসব এ্যাম্বুলেন্স। তাছাড়া সদর হাসপাতালে সরকারী যে অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে তা কোন রোগিই পায়না বলে অভিযোগ অনেকের। বলতে গেলে সদর হাসপাতালে সরকারী এ্যাম্বুলেন্স নেই বললেই চলে। যে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স আছে তার মধ্যে একটির সব ঠিকঠাক থাকলেও অন্যটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো। যে একটি আছে তাও রোগীর কোন কাজে আসেনি। রেফার রোগি ও রোগীর স্বজনরা ড্রাইভারকে ফোন দিলে বিভিন্ন অজুহাতে দেখিয়ে এড়িয়ে যায়।

সূত্রে জানা গেছে, সরকারি-বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে সেবার নামে চলছে রমরমা অ্যাম্বুলেন্স বাণিজ্য। হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বহিরাগতদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের এ নিয়ন্ত্রণ। ওয়ার্ড বয় থেকে শুরু করে ফুটপাতের ভ্রাম্যমান দোকানী পযর্ন্ত এ সব অ্যাম্বুলেন্সর দালাল। তারা রোগীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। দালাল ছাড়া কোনো ধরণের অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়ানি বলে জানান ভোক্তভোগিরা। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের অ্যাম্বুলেন্সই উঠতে হয় রোগী ও স্বজনদের।

ভারুয়াখালী এলাকার মো. ইসলাম তার বাবাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছিল। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে অনুযায়ী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এজন্য এ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে।

তিনি ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতালের পশ্চিম পাশ থেকে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স অনেক দরদাম করে ঠিক করেন। শেষ পযর্ন্ত আট হাজার টাকা ভাড়া নিয়েছে তার থেকে। এভাবে প্রতিনিয়তে কেউ না কেউ সরকারী ও বেসরকারী এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ভুগছে। সরকারী হাসপাতালে যে অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে তা সময় মতো কেউ কাজে পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ অনেকেরই।

শনিবার সকালে হাসপ

Top