আপডেটঃ
কর্ণফুলীতে কাজী ব্যবসা রমরমা, বিভ্রান্তিতে জনগণ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপভারতের পক্ষে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: কাদেরকে ফখরুলবিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদেরবাল্যবিবাহ ও মাদক যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উন্নয়নশীল দেশের বড় অশনি সংকেত -সহকারী পুলিশ সুপার মতিউলতারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে লাগবে ট্রাভেল পাসপ্রধানমন্ত্রী সিডনির পথে ব্যাংকক পৌঁছেছেনমে মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাসের চালক, আটক ৮মাতার বাড়ীর ইয়াবা কায়সারের বহুতল ভবন সহ সম্পদের পাহাড়চট্টগ্রামে চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজছাত্রী নিহত‘চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেনে তারা নাচছিল, লাশ দুটি এর ছাদেই ছিল’চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বোরহান ও তাহের এর সাফল্যের ৬ মাসশার্শায় সড়ক গুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর : মরছে নিরহ মানুষ পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও প্রশাসনের অসাধু ব্যক্তিরাট্রেনের ছাদে ভ্রমণ,২ শিশুর মৃত্যু

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: আজ ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে ঢাকার এমওইউ সই হচ্ছে

Rohinga.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযানের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মধ্যে শুক্রবার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে যাচ্ছে।
ঢাকায় জাতিসংঘের কার্যালয় জানায়, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থাটির হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এ সমঝোতায় সই করবেন।
বাংলাদেশের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসনবিষয়ক কমিশনার আবুল কালাম বলেন, চুক্তি অনুসারে ইউএনএইচসিআর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আয়োজন করবে। মিয়ানমারে নির্মম নিপীড়নের শিকার এই জনগোষ্ঠীর সদস্যরা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে সম্মত কিনা, সেই মতামত নেবে, বিশ্রাম-শিবিরের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবহনসহ অন্যান্য বিষয় দেখভাল করবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগে ইউএনএইচসিআর তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা, সহায়তা ও তহবিল সংগ্রহের ব্যবস্থা করবে।
বাংলাদেশের ভেতরে দুটি বিশ্রাম-শিবিরের ব্যবস্থা করা হবে। রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনের আগে সেখানে রোহিঙ্গারা স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করতে পারবেন।
রাখাইনে গত বছরের আগস্টের শেষ দিক থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নিধন অভিযান শুরু করলে সাত লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
এ সময়ে হত্যা, ধর্ষণসহ তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। তাদের বাড়িঘর ও ক্ষেতের ফসল আগুনে ভস্মীভূত করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় মিয়ানমার সরকার।
আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার একটি দ্বিপক্ষীয় প্রত্যাবাসন চুক্তি সই করে।
জাতিসংঘ ও রোহিঙ্গারা বলছে, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি প্রত্যাবাসন সহায়ক নয়।

এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের জন্য স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদাসহকারে ও স্থায়ীভাবে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় নেই। কাজেই দেশটির সরকারকে সেই পরিস্থিতি তৈরির দায়িত্ব নিতে হবে।
জেনেভায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এইচটিন লিন বলেন, এপ্রিলের শেষ নাগাদ ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তার দেশ একটি প্রত্যাবাসন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে বলে তার আত্মবিশ্বাস।

Top