আপডেটঃ
কর্ণফুলীতে কাজী ব্যবসা রমরমা, বিভ্রান্তিতে জনগণ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপভারতের পক্ষে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: কাদেরকে ফখরুলবিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদেরবাল্যবিবাহ ও মাদক যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উন্নয়নশীল দেশের বড় অশনি সংকেত -সহকারী পুলিশ সুপার মতিউলতারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে লাগবে ট্রাভেল পাসপ্রধানমন্ত্রী সিডনির পথে ব্যাংকক পৌঁছেছেনমে মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাসের চালক, আটক ৮মাতার বাড়ীর ইয়াবা কায়সারের বহুতল ভবন সহ সম্পদের পাহাড়চট্টগ্রামে চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজছাত্রী নিহত‘চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেনে তারা নাচছিল, লাশ দুটি এর ছাদেই ছিল’চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বোরহান ও তাহের এর সাফল্যের ৬ মাসশার্শায় সড়ক গুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর : মরছে নিরহ মানুষ পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও প্রশাসনের অসাধু ব্যক্তিরাট্রেনের ছাদে ভ্রমণ,২ শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রামে ৪৫টি কারখানা নির্মাণ করবে কোরিয়ান ইপিজেড: হবে ১ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান

Ctg-1-1.jpg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলায় বেসরকারি খাতে গড়ে ওঠা ইপিজেড গুলোর মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হল কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজে) অবস্থিত।
কোরিয়ান ইপিজেডে তৈরি পোশাক, জুতা ও বস্ত্র খাত সহ নানা নতুন ৪৫টি কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে কোরিয়ান ইপিজেডের মূল মালিক প্রতিষ্ঠান ইয়ংওয়ান করপোরেশন।

কারখানা গুলো আগামী তিন বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। কারখানা গুলো চালু হলে প্রায় তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এর মধ্য দিয়ে আনোয়ারা-কর্ণফুলীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে আশা করছে কতৃপক্ষ।
কেইপিজেড সূত্র জানায়, তাদের বরাদ্দ পাওয়া ২হাজার ৪শত ৯২ একরের মধ্যে বর্তমানে ২হাজার ২শত ৯০ একরের সম্পূর্ণ উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্রের শর্ত অনুসরণে ৩৩ শতাংশ এলাকা সবুজায়ন করা হয়েছে। ১৯ শতাংশ এলাকা উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রাখা হয়েছে সবুজ মাঠ ও লেক তৈরি করে।
অবশিষ্ট ৪৮ ভাগ এলাকা অর্থাৎ ১হাজার ১শত ৯২ একরের মধ্যে ৯শত ৯০ একর শিল্প স্থাপনসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বাকি ২শত ২ একরও শিল্পের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
ইয়ংওয়ানের অধীন ৩৫ লক্ষ বর্গফুট বিশিষ্ট ২৫টি ফ্যাক্টরি ফ্লোর নির্মাণ করা হয়েছে । আরো ৪৫টি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৯টি চলতি বছরেই উৎপাদনে যাবে। অবশিষ্ট ৩৬টির কাজও আগামী ২০২১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এ ব্যাপারে কোরিয়ান ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, বর্তমানে টেক্সটাইল খাতের ২৫টি কারখানা উৎপাদনে আছে। নতুন করে আরও ৪৫টি করে কারখানা নির্মাণ করা হবে।
এসব কারখানায় সরাসরি ১লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় তিনলাখ লোক কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত হবে বলে আশা করছি।
আগামীতে এসব কারখানা তৈরী হলে চাকরির ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত খুলবে বলে জনমনে আশা জেগেছে।

Top