আপডেটঃ
কক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিতমিডিয়ার হাত বেঁধে দিয়েছে সরকার : নজরুলদলে নেই মুশফিক-মোস্তাফিজ, অভিষেক দু’জনেরগোলদিঘীর সৌন্দর্য্য বর্ধন, মাস্টার প্ল্যান ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা- ১৯৯৬ নিয়ে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে কউকের মতবিনিময় সভা সম্পন্নকর্ণফুলীতে সিপিপি স্বেচ্চাসেবক সম্মাননা-২০১৮ এর জন্য মনোনিত হলেন যারাচট্টগ্রামে গ্ল্যাস্কো কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধকক্সবাজারে ‘শেখ হাসিনার উন্নয়নের গল্প’ প্রচারে ছাত্রনেতা ইশতিয়াকমাঝির কাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিচট্টগ্রাম কলেজে অস্ত্র হাতে মহড়া:শংকিত সাধারন শিক্ষার্থীরাচট্টগ্রামে এক ওসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগরামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বরবিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্তরামুর গর্জনিয়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের নারীসহ আহত ৫কক্সবাজারে প্রথম নির্মিত হচ্ছে সি,আই কোম্পানি ইন্ডাস্ট্রিজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ইওসি স্থাপন

চট্টগ্রামে ৪৫টি কারখানা নির্মাণ করবে কোরিয়ান ইপিজেড: হবে ১ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান

Ctg-1-1.jpg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলায় বেসরকারি খাতে গড়ে ওঠা ইপিজেড গুলোর মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হল কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজে) অবস্থিত।
কোরিয়ান ইপিজেডে তৈরি পোশাক, জুতা ও বস্ত্র খাত সহ নানা নতুন ৪৫টি কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে কোরিয়ান ইপিজেডের মূল মালিক প্রতিষ্ঠান ইয়ংওয়ান করপোরেশন।

কারখানা গুলো আগামী তিন বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। কারখানা গুলো চালু হলে প্রায় তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এর মধ্য দিয়ে আনোয়ারা-কর্ণফুলীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে আশা করছে কতৃপক্ষ।
কেইপিজেড সূত্র জানায়, তাদের বরাদ্দ পাওয়া ২হাজার ৪শত ৯২ একরের মধ্যে বর্তমানে ২হাজার ২শত ৯০ একরের সম্পূর্ণ উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্রের শর্ত অনুসরণে ৩৩ শতাংশ এলাকা সবুজায়ন করা হয়েছে। ১৯ শতাংশ এলাকা উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রাখা হয়েছে সবুজ মাঠ ও লেক তৈরি করে।
অবশিষ্ট ৪৮ ভাগ এলাকা অর্থাৎ ১হাজার ১শত ৯২ একরের মধ্যে ৯শত ৯০ একর শিল্প স্থাপনসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বাকি ২শত ২ একরও শিল্পের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
ইয়ংওয়ানের অধীন ৩৫ লক্ষ বর্গফুট বিশিষ্ট ২৫টি ফ্যাক্টরি ফ্লোর নির্মাণ করা হয়েছে । আরো ৪৫টি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৯টি চলতি বছরেই উৎপাদনে যাবে। অবশিষ্ট ৩৬টির কাজও আগামী ২০২১ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এ ব্যাপারে কোরিয়ান ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, বর্তমানে টেক্সটাইল খাতের ২৫টি কারখানা উৎপাদনে আছে। নতুন করে আরও ৪৫টি করে কারখানা নির্মাণ করা হবে।
এসব কারখানায় সরাসরি ১লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় তিনলাখ লোক কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত হবে বলে আশা করছি।
আগামীতে এসব কারখানা তৈরী হলে চাকরির ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত খুলবে বলে জনমনে আশা জেগেছে।

Top