আপডেটঃ
কক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিতমিডিয়ার হাত বেঁধে দিয়েছে সরকার : নজরুলদলে নেই মুশফিক-মোস্তাফিজ, অভিষেক দু’জনেরগোলদিঘীর সৌন্দর্য্য বর্ধন, মাস্টার প্ল্যান ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা- ১৯৯৬ নিয়ে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে কউকের মতবিনিময় সভা সম্পন্নকর্ণফুলীতে সিপিপি স্বেচ্চাসেবক সম্মাননা-২০১৮ এর জন্য মনোনিত হলেন যারাচট্টগ্রামে গ্ল্যাস্কো কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধকক্সবাজারে ‘শেখ হাসিনার উন্নয়নের গল্প’ প্রচারে ছাত্রনেতা ইশতিয়াকমাঝির কাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিচট্টগ্রাম কলেজে অস্ত্র হাতে মহড়া:শংকিত সাধারন শিক্ষার্থীরাচট্টগ্রামে এক ওসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগরামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বরবিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্তরামুর গর্জনিয়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের নারীসহ আহত ৫কক্সবাজারে প্রথম নির্মিত হচ্ছে সি,আই কোম্পানি ইন্ডাস্ট্রিজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ইওসি স্থাপন

সুজন-তাসনিমদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করবে বিসিবি

BCB.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ  আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বোলিংয়ে রানের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছিলেন সুজন মাহমুদ ও তাসনিম হাসান। কিন্তু এ ঘটনায় বিসিবি দু’জনকে নিষিদ্ধ করেছিল ১০ বছরের জন্য। শাস্তি পেয়েছিল তাদের দল লালমাটিয়া ও ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাব ও কর্মকর্তারা। সম্প্রতি এ শাস্তি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড় ও ক্লাব থেকে আবেদনের চিঠি পেয়েছি। তাদের একজন অধিনায়কও চিঠি দিয়েছে। দ্রুতই আমরা এর পুনর্বিবেচনায় বসবো।’

গত বছরের এপ্রিলে দ্বিতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে লালমাটিয়ার বোলার সুজন এক্সিওম ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৪ বলে ৯২ রান দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ১৩টি ওয়াইড ও ৩টি নো-বল দিয়েছিলেন তিনি। এর আগে একই লিগের আরেকটি ম্যাচে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে ফিয়ার ফাইটার্সের তাসনিম ১.১ ওভারে দিয়েছিলেন ৬৯ রান। যেখানে নো-বল ছিল ৬টি, আর ওয়াইড ছিল ৮টি।

আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ ছিল, টসে কারা জিতেছিল সেটা দুই দলের অধিনায়ককে দেখতে দেননি আম্পায়াররা। এমনকি ব্যাটিং করতে নামলে তারা সুজনকে বলেছিলেন দ্রুত আউট হয়ে খেলা শেষ করতে। না হলে তারাই তাকে আউট দিয়ে দেবেন।

এ ঘটনায় সুজন-তাসনিমকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে বিসিবি। এছাড়া লালমাটিয়া ও ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাব আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এছাড়া দুই ক্লাবের ম্যানেজার, অধিনায়ক ও কোচকে দেওয়া হয়েছে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি।

এরপর থেকে ক্লাবগুলো ও শাস্তিপ্রাপ্তরা বিসিবির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য চিঠি দিয়ে আসছিলেন বিসিবিকে। তার প্রেক্ষিতেই বিসিবির এ সিদ্ধান্ত।

Top