আপডেটঃ
কর্ণফুলীতে কাজী ব্যবসা রমরমা, বিভ্রান্তিতে জনগণ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপভারতের পক্ষে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: কাদেরকে ফখরুলবিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদেরবাল্যবিবাহ ও মাদক যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উন্নয়নশীল দেশের বড় অশনি সংকেত -সহকারী পুলিশ সুপার মতিউলতারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে লাগবে ট্রাভেল পাসপ্রধানমন্ত্রী সিডনির পথে ব্যাংকক পৌঁছেছেনমে মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাসের চালক, আটক ৮মাতার বাড়ীর ইয়াবা কায়সারের বহুতল ভবন সহ সম্পদের পাহাড়চট্টগ্রামে চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজছাত্রী নিহত‘চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেনে তারা নাচছিল, লাশ দুটি এর ছাদেই ছিল’চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বোরহান ও তাহের এর সাফল্যের ৬ মাসশার্শায় সড়ক গুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর : মরছে নিরহ মানুষ পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও প্রশাসনের অসাধু ব্যক্তিরাট্রেনের ছাদে ভ্রমণ,২ শিশুর মৃত্যু

সুজন-তাসনিমদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করবে বিসিবি

BCB.jpg

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ  আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বোলিংয়ে রানের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছিলেন সুজন মাহমুদ ও তাসনিম হাসান। কিন্তু এ ঘটনায় বিসিবি দু’জনকে নিষিদ্ধ করেছিল ১০ বছরের জন্য। শাস্তি পেয়েছিল তাদের দল লালমাটিয়া ও ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাব ও কর্মকর্তারা। সম্প্রতি এ শাস্তি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড় ও ক্লাব থেকে আবেদনের চিঠি পেয়েছি। তাদের একজন অধিনায়কও চিঠি দিয়েছে। দ্রুতই আমরা এর পুনর্বিবেচনায় বসবো।’

গত বছরের এপ্রিলে দ্বিতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে লালমাটিয়ার বোলার সুজন এক্সিওম ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৪ বলে ৯২ রান দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ১৩টি ওয়াইড ও ৩টি নো-বল দিয়েছিলেন তিনি। এর আগে একই লিগের আরেকটি ম্যাচে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে ফিয়ার ফাইটার্সের তাসনিম ১.১ ওভারে দিয়েছিলেন ৬৯ রান। যেখানে নো-বল ছিল ৬টি, আর ওয়াইড ছিল ৮টি।

আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ ছিল, টসে কারা জিতেছিল সেটা দুই দলের অধিনায়ককে দেখতে দেননি আম্পায়াররা। এমনকি ব্যাটিং করতে নামলে তারা সুজনকে বলেছিলেন দ্রুত আউট হয়ে খেলা শেষ করতে। না হলে তারাই তাকে আউট দিয়ে দেবেন।

এ ঘটনায় সুজন-তাসনিমকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে বিসিবি। এছাড়া লালমাটিয়া ও ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাব আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এছাড়া দুই ক্লাবের ম্যানেজার, অধিনায়ক ও কোচকে দেওয়া হয়েছে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি।

এরপর থেকে ক্লাবগুলো ও শাস্তিপ্রাপ্তরা বিসিবির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য চিঠি দিয়ে আসছিলেন বিসিবিকে। তার প্রেক্ষিতেই বিসিবির এ সিদ্ধান্ত।

Top