আপডেটঃ
কক্সবাজারে ইপসা’র নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিতমিডিয়ার হাত বেঁধে দিয়েছে সরকার : নজরুলদলে নেই মুশফিক-মোস্তাফিজ, অভিষেক দু’জনেরগোলদিঘীর সৌন্দর্য্য বর্ধন, মাস্টার প্ল্যান ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা- ১৯৯৬ নিয়ে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে কউকের মতবিনিময় সভা সম্পন্নকর্ণফুলীতে সিপিপি স্বেচ্চাসেবক সম্মাননা-২০১৮ এর জন্য মনোনিত হলেন যারাচট্টগ্রামে গ্ল্যাস্কো কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধকক্সবাজারে ‘শেখ হাসিনার উন্নয়নের গল্প’ প্রচারে ছাত্রনেতা ইশতিয়াকমাঝির কাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিচট্টগ্রাম কলেজে অস্ত্র হাতে মহড়া:শংকিত সাধারন শিক্ষার্থীরাচট্টগ্রামে এক ওসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগরামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বরবিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্তরামুর গর্জনিয়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের নারীসহ আহত ৫কক্সবাজারে প্রথম নির্মিত হচ্ছে সি,আই কোম্পানি ইন্ডাস্ট্রিজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ইওসি স্থাপন

চট্টগ্রাম জনসভায় এইচএম এরশাদ বলেন, “একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না”।

Ctg-Ershad.jpg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি ময়দানে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশে জোটের প্রধান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে প্রদেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। চট্টগ্রামের মত দেশের আরো ছয়টি বিভাগকেও প্রদেশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

প্রদেশ ঘোষণার ব্যাপারে তিনি বলেন, একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না। পৃথিবীর কোন দেশে এমন রীতি নেই। আমি ক্ষমতায় গেলে সাতটি প্রদেশ করে দেশ পরিচালনা করবো। এছাড়াও তিনি ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে দেশের ২য় রাজধানী করবেন বলে ঘোষণা দেন।

সমাবেশে চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেন, চট্টগ্রামের বেশির ভাগ উন্নয়ন আমার আমলে হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ আমি নির্মাণ করেছি। শিপিং কর্পোরেশন আমি প্রতিষ্ঠা করেছি। ২য় কর্ণফুলী সেতু আমার আমলে হয়েছে।
চট্টগ্রামে চা বোর্ড আমি এনেছি। রাউজানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করেছি। সিইউএফএল আমি নির্মাণ করি। কাফকো আমার আমলে হয়েছে। চট্টগ্রামে উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে উল্লেখ করেন। আাগামীতে লাঙ্গল ও মোমবাতিতে ভোট দিলে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মহাসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জোটের মুখপাত্র ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মহাসচিব ও জোটের শীর্ষনেতা মাওলানা এমএ মতিন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়াও মহাসমাবেশের আহবায়ক সোলায়মান আলম শেঠ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মেজর (অব:) খালেদ আক্তার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সউম আবদুস সামাদ, ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লাম মছিহুদ্দৌলা, মুফতি ছাদেকুর রহমান, আহমদ হোসাইন আলকাদেরী, আবু সুফিয়ান আল কাদেরী, এমপি মাহজাবিন মোরশেদ, সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম, মাষ্টার শামসুল আলম, নুরুচ্ছফা সরকার, এয়াকুব হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা অধ্যক্ষ তৈয়ব আলী, মাষ্টার আবুল হোসেন প্রমূখ।

Top