আপডেটঃ
যে দানে চরম শত্রু থেকে বন্ধু হলেন প্রিয়নবিআসছে শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ!ঈদে সাত পর্বের নাটকে ঊর্মিলাবাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে থাকবে ভারতহৃদয় জেতা ক্রোয়েশিয়া আজ ট্রফিও জিতুক!কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনচট্টগ্রাম পানির ট্যাংক থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারআওয়ামীলীগের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত, ৮৫টি সংসদীয় আসনে আসছে নতুন মুখবহিষ্কৃত এএসআই ইয়াবা সহ ডিবির হাতে গ্রেফতার:চট্টগ্রাম শাহ আমানত মার্কেটে আগুনক্ষমতা চিরস্থায়ী করার পাঁয়তারা করছে সরকার: ফখরুলভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে: প্রধানমন্ত্রীকার্ডের লেনদেনে আসছে ‘এনএফসি’ প্রযুক্তিফাইনালে ‘ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রস্তুত ক্রোয়েশিয়াগ্রামীণ গল্পে প্রসূন

চট্টগ্রাম জনসভায় এইচএম এরশাদ বলেন, “একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না”।

Ctg-Ershad.jpg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি ময়দানে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশে জোটের প্রধান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে প্রদেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। চট্টগ্রামের মত দেশের আরো ছয়টি বিভাগকেও প্রদেশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

প্রদেশ ঘোষণার ব্যাপারে তিনি বলেন, একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না। পৃথিবীর কোন দেশে এমন রীতি নেই। আমি ক্ষমতায় গেলে সাতটি প্রদেশ করে দেশ পরিচালনা করবো। এছাড়াও তিনি ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে দেশের ২য় রাজধানী করবেন বলে ঘোষণা দেন।

সমাবেশে চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেন, চট্টগ্রামের বেশির ভাগ উন্নয়ন আমার আমলে হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ আমি নির্মাণ করেছি। শিপিং কর্পোরেশন আমি প্রতিষ্ঠা করেছি। ২য় কর্ণফুলী সেতু আমার আমলে হয়েছে।
চট্টগ্রামে চা বোর্ড আমি এনেছি। রাউজানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করেছি। সিইউএফএল আমি নির্মাণ করি। কাফকো আমার আমলে হয়েছে। চট্টগ্রামে উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে উল্লেখ করেন। আাগামীতে লাঙ্গল ও মোমবাতিতে ভোট দিলে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মহাসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জোটের মুখপাত্র ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মহাসচিব ও জোটের শীর্ষনেতা মাওলানা এমএ মতিন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়াও মহাসমাবেশের আহবায়ক সোলায়মান আলম শেঠ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মেজর (অব:) খালেদ আক্তার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সউম আবদুস সামাদ, ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লাম মছিহুদ্দৌলা, মুফতি ছাদেকুর রহমান, আহমদ হোসাইন আলকাদেরী, আবু সুফিয়ান আল কাদেরী, এমপি মাহজাবিন মোরশেদ, সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম, মাষ্টার শামসুল আলম, নুরুচ্ছফা সরকার, এয়াকুব হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা অধ্যক্ষ তৈয়ব আলী, মাষ্টার আবুল হোসেন প্রমূখ।

Top