আপডেটঃ
কর্ণফুলীতে কাজী ব্যবসা রমরমা, বিভ্রান্তিতে জনগণ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপভারতের পক্ষে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: কাদেরকে ফখরুলবিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদেরবাল্যবিবাহ ও মাদক যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উন্নয়নশীল দেশের বড় অশনি সংকেত -সহকারী পুলিশ সুপার মতিউলতারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে লাগবে ট্রাভেল পাসপ্রধানমন্ত্রী সিডনির পথে ব্যাংকক পৌঁছেছেনমে মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাসের চালক, আটক ৮মাতার বাড়ীর ইয়াবা কায়সারের বহুতল ভবন সহ সম্পদের পাহাড়চট্টগ্রামে চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজছাত্রী নিহত‘চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেনে তারা নাচছিল, লাশ দুটি এর ছাদেই ছিল’চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বোরহান ও তাহের এর সাফল্যের ৬ মাসশার্শায় সড়ক গুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর : মরছে নিরহ মানুষ পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও প্রশাসনের অসাধু ব্যক্তিরাট্রেনের ছাদে ভ্রমণ,২ শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রাম জনসভায় এইচএম এরশাদ বলেন, “একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না”।

Ctg-Ershad.jpg

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি ময়দানে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশে জোটের প্রধান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে প্রদেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। চট্টগ্রামের মত দেশের আরো ছয়টি বিভাগকেও প্রদেশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

প্রদেশ ঘোষণার ব্যাপারে তিনি বলেন, একজন মানুষ ১৬ কোটি মানুষকে শাসন করবে তা হবে না। পৃথিবীর কোন দেশে এমন রীতি নেই। আমি ক্ষমতায় গেলে সাতটি প্রদেশ করে দেশ পরিচালনা করবো। এছাড়াও তিনি ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে দেশের ২য় রাজধানী করবেন বলে ঘোষণা দেন।

সমাবেশে চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেন, চট্টগ্রামের বেশির ভাগ উন্নয়ন আমার আমলে হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ আমি নির্মাণ করেছি। শিপিং কর্পোরেশন আমি প্রতিষ্ঠা করেছি। ২য় কর্ণফুলী সেতু আমার আমলে হয়েছে।
চট্টগ্রামে চা বোর্ড আমি এনেছি। রাউজানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করেছি। সিইউএফএল আমি নির্মাণ করি। কাফকো আমার আমলে হয়েছে। চট্টগ্রামে উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে উল্লেখ করেন। আাগামীতে লাঙ্গল ও মোমবাতিতে ভোট দিলে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মহাসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জোটের মুখপাত্র ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মহাসচিব ও জোটের শীর্ষনেতা মাওলানা এমএ মতিন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়াও মহাসমাবেশের আহবায়ক সোলায়মান আলম শেঠ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মেজর (অব:) খালেদ আক্তার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সউম আবদুস সামাদ, ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লাম মছিহুদ্দৌলা, মুফতি ছাদেকুর রহমান, আহমদ হোসাইন আলকাদেরী, আবু সুফিয়ান আল কাদেরী, এমপি মাহজাবিন মোরশেদ, সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম, মাষ্টার শামসুল আলম, নুরুচ্ছফা সরকার, এয়াকুব হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা অধ্যক্ষ তৈয়ব আলী, মাষ্টার আবুল হোসেন প্রমূখ।

Top