আপডেটঃ
অস্ট্রেলিয়াকে বিপক্ষে রেকর্ড জয় পাকিস্তানেরসৌদি আরব থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রীঐক্যফ্রন্টের স্থগিত সমাবেশ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কাদের‘ঘ’ ইউনিটের ফল নিয়ে বিভ্রান্তি নেই : ঢাবি উপাচার্যযে কারণে বহিষ্কৃত হলেন বি. চৌধুরী-মান্নান-মাহীমহা-সংকটে সৌদি রাজতন্ত্র, রক্ষা মিলবে কী?সেঞ্চুরি সব সময়ই স্পেশাল: সৌম্যআইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিতপ্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গাপূজাগর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিল

সুন্দরবনের জন্য ২৪ প্রতিষ্ঠান হুমকি

Sundarban.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ সুন্দরবনের আশপাশে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ১৯০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি প্রতিষ্ঠান লাল শ্রেণিভুক্ত। লাল শ্রেণিভুক্ত প্রতিষ্ঠান পরিবেশের জন্য হুমকি। বাকিগুলো কমলা ও সবুজ শ্রেণিভুক্ত।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ।
আদালত বলেন, লাল শ্রেণিভুক্ত ২৪টি প্রতিষ্ঠান মাটি, পানি ও বায়ু দূষণ করে। আগামী ৯ মে এই প্রতিবেদনের ওপর আদেশ দেবেন আদালত।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট সুন্দরবনের চারদিকে ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কতটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে তার তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সুন্দরবনের চারদিকে ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নতুন করে শিল্প কারখানা স্থাপন না করার আদেশ দেন আদালত।
গত বছরের এপ্রিল মাসে সুন্দরবনের চারদিকে ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে স্থাপিত শিল্প কারখানাসহ অন্যান্য স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যেসব কলকারখানা স্থাপনের অনুমতি বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে তা বাতিলের আবেদন জানানো হয়।
সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ ফরিদুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৪ এপ্রিল রিট আবেদন দাখিল করেন।
রিট আবেদনে পরিবেশ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি ও সুন্দরবনের আশে-পাশের জেলাগুলোর জেলা প্রশাসককে বিবাদী করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন এবং এর চারদিকে ১০ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। এ প্রজ্ঞাপন অনুসারে সুন্দরবনের চতুর্দিকে ১০ কিলোমিটার এলাকায় ভূমি, পানি, বায়ু ও শব্দ দূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু গণমাধ্যমে খবর এসেছে, পরিবেশ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রায় একশ ৫০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে প্রকল্প করার জন্য অবস্থানগত ছাড়পত্র দিয়েছে। যার মধ্যে জাহাজ ভাঙা শিল্পসহ পরিবেশ দূষণকারী প্রকল্প রয়েছে।
এসব শিল্পকারখানা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদ ও পরিবেশ আইন ১৯৯৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তা ছাড়া এসব শিল্প কারাখানা সুন্দরবনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

Top