আপডেটঃ
অস্ট্রেলিয়াকে বিপক্ষে রেকর্ড জয় পাকিস্তানেরসৌদি আরব থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রীঐক্যফ্রন্টের স্থগিত সমাবেশ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কাদের‘ঘ’ ইউনিটের ফল নিয়ে বিভ্রান্তি নেই : ঢাবি উপাচার্যযে কারণে বহিষ্কৃত হলেন বি. চৌধুরী-মান্নান-মাহীমহা-সংকটে সৌদি রাজতন্ত্র, রক্ষা মিলবে কী?সেঞ্চুরি সব সময়ই স্পেশাল: সৌম্যআইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিতপ্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গাপূজাগর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিল

শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুসুম্বা মসজিদ, নওগাঁ

kusumba.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ নওগাঁ জেলার অন্যতম প্রধান গৌরবোজ্জ্বল অতীতের স্মৃতিবাহী মান্দা উপজেলার ‘কুসুম্বা শাহী মসজিদ’। প্রায় সাড়ে চারশ বছরের ঐতিহ্য ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে নওগাঁর ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ। যা বর্তমানে পাঁচ টাকার নোটে মুদ্রিত। মান্দা-রাজশাহী মহাসড়কের মান্দা ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৪০০ মিটার উত্তরে ঐতিহাসিক এ কুসুম্বা মসজিদ অবস্থিত। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী আসেন এই মসজিদটি দেখার জন্য।

কুসুম্বা মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ৫৮ ফুট লম্বা, চওড়া ৪২ ফুট। চারদিকের দেয়াল ৬ ফুট পুরু করে তৈরি। তার উপর বাইরের অংশে পাথর দিয়ে ঢেকে দেয়া। মসজিদের সম্মুখভাগে রয়েছে ৩টি দরজা। আকারে ২টি বড়, অন্যটি অপেক্ষাকৃত ছোট। দরজাগুলো খিলানযুক্ত মেহরাব আকৃতির। মসজিদের চার কোনায় রয়েছে ৪টি মিনার। মিনারগুলো মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত উঁচু ও আট কোনাকার। ছাদের উপর রয়েছে মোট ৬টি গুম্বুজ। যা দুইটি সারিতে তৈরি। দ্বিতীয় সারির গম্বুজগুলো আকৃতির দিক দিয়ে ছোট।

নিপুণ কারুকার্য আর অপূর্ব কীর্তি মসজিদটি দেখতে আসেন প্রতিদিন প্রায় শতাধিক নারী ও পুরুষ। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্যপ্রেমীরা আসেন এই কুসুম্বা মসজিদ পরিদর্শন করতে বা বনভোজনে। দর্শনার্থীরা কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যান প্রাক মুসলিম আমলের এই প্রাচীন কীর্তির মাঝে।

কুসুম্বা মসজিদে খাদেম মফিজ উদ্দিন মোয়াজ্জেম মোস্তফা আলামীন ও ওবায়দুল ইসলামসহ পাঁচজন সব সময় নিয়োজিত রয়েছেন। যাতে করে দর্শনার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়। মসজিদটি সম্পূর্ণ গ্রানাইড পাথর দিয়ে তৈরি। এ মসজিদটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল ৫৬ বছর।

মুসল্লিদের সুযোগ-সুবিধার জন্য ওজু ও গোসলের জন্য লেক খনন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া দর্শনার্থীদের আকর্ষণীয় করার জন্য পিকনিক স্পট ও দূরের দর্শনার্থীদের থাকার জন্য রেস্ট হাউজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি মসজিদের পশ্চিম পাশে ক্ষুদ্র পরিসরে একটি বিনোদন স্পট নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং স্পটটি সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

Top