আপডেটঃ
হাইকোর্টে জামিন পেলেন চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলমইতালিতে ব্যস্ততম সেতু ধসে বহু হতাহতের শঙ্কাঘরেই তৈরি করুন রঙিন স্যান্ডউইচনির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : কাদেরঅবশেষে জুটি বাঁধছেন দীপিকা-সালমানকক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা৩১ জনের দলেও জায়গা হলো না নাসির-তাসকিনেররাতে আসছে গোলাম সারওয়ারের মরদেহঢাবিতে ভর্তি আবেদনের সময় দুই দিন বাড়লোচট্টগ্রামে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে আসামির পলায়নশার্শার নাভারনে বই সামনে রেখেই হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল পরীক্ষা প্রদানের সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তোলপাড় : তদন্ত কমিটি গঠনযশোরের নাভারনে এক কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারযশোরের নওয়াপাড়ায় ডক্টরস্ ক্লিনিকে রোগীর পেটে গজ রেখে সেলাইরাজারকুলের সাবেক মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা বিন্টু মোহন বড়ুয়া পরকালে – এমপি কমলসহ বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশচট্টগ্রামে আসল দুদকের হাতে নকল দুদক কর্মকর্তা গ্রেফতার

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

Tongnath-jomidar-bari.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। রাজবাড়ির পশ্চিমে সিংহ দরজা। ১৯১৫ সালে রাজা বুদ্ধিনাথ চৌধুরীর পুত্র টংকনাথ চৌধুরী এই বাড়ি নির্মাণ করেন। রাজবাড়ি সংলগ্ন উত্তর পূর্ব কোণে কাচারী বাড়ির পূর্বদিকে দুটি পুকুর রয়েছে। রাজবাড়ির নির্মাণশৈলী কারুকার্যময় নয়নাভিরাম। রাজবাড়ির মেঝে ছিল মার্বেল পাথরের তৈরি।

জমিদারি

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর পূর্ব-পুরুষদের কেউ জমিদার ছিলেন না। বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা সদর হতে ৭ কিমি পূর্বে কাতিহার নামক জায়গায় গোয়ালা বংশীয় নিঃসন্তান এক জমিদার বাস করতেন। উক্ত জমিদারের মন্দিরে সেবায়েত হিসাবে কাজ করতেন টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ। গোয়ালা জমিদার ভারত এর কাশি যাওয়ার সময় তাম্রপাতে দলিল করে যান যে, তিনি ফিরে না এলে মন্দিরের সেবায়েত বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হবেন।

গোয়ালা জমিদার ফিরে না আসায় বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হন। জমিদার বুদ্ধিনাথের মৃত্যুর পর টংকনাথ জমিদারির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের আস্থা অর্জন করার জন্য মালদুয়ার স্টেট গঠন করেন।

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর স্ত্রীর নাম ছিল জয়রামা শংকরী দেবী। তারপর লোক মুখে তার নাম হয় রানীশংকরী দেবী। পরে রানীশংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেটের নাম হয়ে যায় রানীশংকৈল।

চৌধুরী ও রাজা উপাধি লাভ:
রাজা টংকনাথ চৌধুরী খুব বড় মাপের জমিদার না হলেও তার আভিজাত্যের কমতি ছিল না। ১৯২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তৎকালীন বৃটিশ গভর্নর হাউসে টংকনাথ চৌধুরীকে বৃটিশ সরকার চৌধুরী উপাধিতে ভূষিত করেন।

কথিত আছে, টংকনাথের আমন্ত্রণে তৎকালীন বড়লাট এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায় রাণীশংকৈলে এলে আমন্ত্রিত অতিথিদের টাকা নোট পুড়িয়ে রীতিমতো রাজকীয় অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন করান এবং পর্যাপ্ত স্বর্ণালংকার উপহার দেন। এর ফলে তৎকালীন বৃটিশ সরকারের কাছ থেকে চৌধুরী উপাধি এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায়ের কাছ থেকে রাজা উপাধি পান।

যেভাবে যাবেন:
ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। ঠাকুরগাঁও জেলা শহর অথবা উপজেলা শহর হতে যেকোনো লোকাল বাহনে করে যেতে পারবেন রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে।

Top