আপডেটঃ
কর্ণফুলীতে কাজী ব্যবসা রমরমা, বিভ্রান্তিতে জনগণ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপভারতের পক্ষে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: কাদেরকে ফখরুলবিদেশি শক্তি কাউকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না : ওবায়দুল কাদেরবাল্যবিবাহ ও মাদক যুব সমাজ ধ্বংসের একটি উন্নয়নশীল দেশের বড় অশনি সংকেত -সহকারী পুলিশ সুপার মতিউলতারেকের কাছে পাসপোর্ট নেই, দেশে ফিরতে লাগবে ট্রাভেল পাসপ্রধানমন্ত্রী সিডনির পথে ব্যাংকক পৌঁছেছেনমে মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিচট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাসের চালক, আটক ৮মাতার বাড়ীর ইয়াবা কায়সারের বহুতল ভবন সহ সম্পদের পাহাড়চট্টগ্রামে চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজছাত্রী নিহত‘চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেনে তারা নাচছিল, লাশ দুটি এর ছাদেই ছিল’চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বোরহান ও তাহের এর সাফল্যের ৬ মাসশার্শায় সড়ক গুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর : মরছে নিরহ মানুষ পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও প্রশাসনের অসাধু ব্যক্তিরাট্রেনের ছাদে ভ্রমণ,২ শিশুর মৃত্যু

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

Tongnath-jomidar-bari.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। রাজবাড়ির পশ্চিমে সিংহ দরজা। ১৯১৫ সালে রাজা বুদ্ধিনাথ চৌধুরীর পুত্র টংকনাথ চৌধুরী এই বাড়ি নির্মাণ করেন। রাজবাড়ি সংলগ্ন উত্তর পূর্ব কোণে কাচারী বাড়ির পূর্বদিকে দুটি পুকুর রয়েছে। রাজবাড়ির নির্মাণশৈলী কারুকার্যময় নয়নাভিরাম। রাজবাড়ির মেঝে ছিল মার্বেল পাথরের তৈরি।

জমিদারি

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর পূর্ব-পুরুষদের কেউ জমিদার ছিলেন না। বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা সদর হতে ৭ কিমি পূর্বে কাতিহার নামক জায়গায় গোয়ালা বংশীয় নিঃসন্তান এক জমিদার বাস করতেন। উক্ত জমিদারের মন্দিরে সেবায়েত হিসাবে কাজ করতেন টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ। গোয়ালা জমিদার ভারত এর কাশি যাওয়ার সময় তাম্রপাতে দলিল করে যান যে, তিনি ফিরে না এলে মন্দিরের সেবায়েত বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হবেন।

গোয়ালা জমিদার ফিরে না আসায় বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হন। জমিদার বুদ্ধিনাথের মৃত্যুর পর টংকনাথ জমিদারির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের আস্থা অর্জন করার জন্য মালদুয়ার স্টেট গঠন করেন।

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর স্ত্রীর নাম ছিল জয়রামা শংকরী দেবী। তারপর লোক মুখে তার নাম হয় রানীশংকরী দেবী। পরে রানীশংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেটের নাম হয়ে যায় রানীশংকৈল।

চৌধুরী ও রাজা উপাধি লাভ:
রাজা টংকনাথ চৌধুরী খুব বড় মাপের জমিদার না হলেও তার আভিজাত্যের কমতি ছিল না। ১৯২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তৎকালীন বৃটিশ গভর্নর হাউসে টংকনাথ চৌধুরীকে বৃটিশ সরকার চৌধুরী উপাধিতে ভূষিত করেন।

কথিত আছে, টংকনাথের আমন্ত্রণে তৎকালীন বড়লাট এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায় রাণীশংকৈলে এলে আমন্ত্রিত অতিথিদের টাকা নোট পুড়িয়ে রীতিমতো রাজকীয় অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন করান এবং পর্যাপ্ত স্বর্ণালংকার উপহার দেন। এর ফলে তৎকালীন বৃটিশ সরকারের কাছ থেকে চৌধুরী উপাধি এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায়ের কাছ থেকে রাজা উপাধি পান।

যেভাবে যাবেন:
ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। ঠাকুরগাঁও জেলা শহর অথবা উপজেলা শহর হতে যেকোনো লোকাল বাহনে করে যেতে পারবেন রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে।

Top