আপডেটঃ
অস্ট্রেলিয়াকে বিপক্ষে রেকর্ড জয় পাকিস্তানেরসৌদি আরব থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রীঐক্যফ্রন্টের স্থগিত সমাবেশ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কাদের‘ঘ’ ইউনিটের ফল নিয়ে বিভ্রান্তি নেই : ঢাবি উপাচার্যযে কারণে বহিষ্কৃত হলেন বি. চৌধুরী-মান্নান-মাহীমহা-সংকটে সৌদি রাজতন্ত্র, রক্ষা মিলবে কী?সেঞ্চুরি সব সময়ই স্পেশাল: সৌম্যআইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিতপ্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গাপূজাগর্জনিয়ায় সন্ত্রাসী কয়দায় নিরহ এক যুবক কে পেটালো প্রতিপক্ষকর্ণফুলীর জুলধায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দউন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দিনবর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাটনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিল

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, ঠাকুরগাঁও

Tongnath-jomidar-bari.jpg

ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। রাজবাড়ির পশ্চিমে সিংহ দরজা। ১৯১৫ সালে রাজা বুদ্ধিনাথ চৌধুরীর পুত্র টংকনাথ চৌধুরী এই বাড়ি নির্মাণ করেন। রাজবাড়ি সংলগ্ন উত্তর পূর্ব কোণে কাচারী বাড়ির পূর্বদিকে দুটি পুকুর রয়েছে। রাজবাড়ির নির্মাণশৈলী কারুকার্যময় নয়নাভিরাম। রাজবাড়ির মেঝে ছিল মার্বেল পাথরের তৈরি।

জমিদারি

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর পূর্ব-পুরুষদের কেউ জমিদার ছিলেন না। বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা সদর হতে ৭ কিমি পূর্বে কাতিহার নামক জায়গায় গোয়ালা বংশীয় নিঃসন্তান এক জমিদার বাস করতেন। উক্ত জমিদারের মন্দিরে সেবায়েত হিসাবে কাজ করতেন টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ। গোয়ালা জমিদার ভারত এর কাশি যাওয়ার সময় তাম্রপাতে দলিল করে যান যে, তিনি ফিরে না এলে মন্দিরের সেবায়েত বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হবেন।

গোয়ালা জমিদার ফিরে না আসায় বুদ্ধিনাথ জমিদারির মালিক হন। জমিদার বুদ্ধিনাথের মৃত্যুর পর টংকনাথ জমিদারির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের আস্থা অর্জন করার জন্য মালদুয়ার স্টেট গঠন করেন।

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর স্ত্রীর নাম ছিল জয়রামা শংকরী দেবী। তারপর লোক মুখে তার নাম হয় রানীশংকরী দেবী। পরে রানীশংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেটের নাম হয়ে যায় রানীশংকৈল।

চৌধুরী ও রাজা উপাধি লাভ:
রাজা টংকনাথ চৌধুরী খুব বড় মাপের জমিদার না হলেও তার আভিজাত্যের কমতি ছিল না। ১৯২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তৎকালীন বৃটিশ গভর্নর হাউসে টংকনাথ চৌধুরীকে বৃটিশ সরকার চৌধুরী উপাধিতে ভূষিত করেন।

কথিত আছে, টংকনাথের আমন্ত্রণে তৎকালীন বড়লাট এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায় রাণীশংকৈলে এলে আমন্ত্রিত অতিথিদের টাকা নোট পুড়িয়ে রীতিমতো রাজকীয় অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন করান এবং পর্যাপ্ত স্বর্ণালংকার উপহার দেন। এর ফলে তৎকালীন বৃটিশ সরকারের কাছ থেকে চৌধুরী উপাধি এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায়ের কাছ থেকে রাজা উপাধি পান।

যেভাবে যাবেন:
ঠাকুরগাঁও জেলা শহর হতে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রানীশংকৈল উপজেলা। উপজেলা শহর হতে ১ কিলোমিটার পূর্বে কুলিক নদীর তীরে অবস্থিত এই রাজবাড়িটি। ঠাকুরগাঁও জেলা শহর অথবা উপজেলা শহর হতে যেকোনো লোকাল বাহনে করে যেতে পারবেন রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে।

Top