আপডেটঃ
২৫ ঘন্টা পর ২ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারকক্সবাজার পৌরসভার নৌকার মাঝি মুজিব চেয়ারম্যানগুরুতর অসুস্থ পর্নো অভিনেত্রী সানি লিওনব্রাজিল জিতল ২-০ গোলে‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’সৌদি নারীরা রোববার থেকে গাড়ি চালাবেনবাস ডোবায় পড়ে নিহত ৩, আহত ৫জনকে চমেকে ভর্তিগণধর্ষণের ঘটনায় খাগড়াছড়িতে মানববন্ধনতিন সিটিতে নৌকার মাঝি হলেন লিটন, সাদিক ও কামরানইনজুরি টাইমের গোলে ব্রাজিলের জয়প্রথমার্ধে কোস্টারিকার বিপক্ষে ০-০ হট ফেবারিট ব্রাজিলনাইজেরিয়ার বিপক্ষে নামার আগেই সাম্পাওলির বিদায়?বিএনপির সঙ্গে প্রেম করার কোনো সুযোগ নেই-কাদেরনাইজেরিয়া-আইসল্যান্ড ম্যাচে ভাগ্য ঝুলছে আর্জেন্টিনারব্রাজিলের ফিরে আসার ম্যাচ, নাকি…?

“ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কক্সবাজারে উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ”

CBIU.jpg

মাহবুবা সুলতানা শিউলি

নয়নাভিরাম নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার বিশ্ময় বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজার। যা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। সাগর এবং শৈল কক্সবাজারকে একটি অদ্ভুত সৌন্দর্যের পূর্ণতা দান করেছে। ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স (১৭৬০-১৭৯৯) এর স্বপ্ন সৌধ কক্সবাজার নানাভাবে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও অবদান রাখার সময় পার হয়ে যাচ্ছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া এ জেলাটি স্বর্ণালী একটি যুগের অপেক্ষায় আছে।

কক্সবাজারে জন্মগ্রহণকারী অনেক বিদ্যানুরাগী এবং স্বনামধন্য ব্যক্তিরা আভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষা প্রসারের জন্য সমাদৃত। অথচ তারপরও দুঃখের সাথে বলতে হয় স্বাধীনতার পরবর্তী ৪২ বছরেও কক্সবাজার জেলায় সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বাংলাদেশের বৃহত্তম পর্যটন নগরী কক্সবাজার আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। ২৪৯১ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত কক্সবাজার জেলায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বসবাস করে অথচ এ জেলা শিক্ষার দিক দিয়ে বৃহত্তম চট্টগ্রামের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। চট্টগ্রাম শহর থেকে ১০০ মাইল দূরে অবস্থিত এই জেলায় শিক্ষার হার প্রায় ২২% এবং উচ্চশিক্ষার হার ৩-৫% বলা যায়। উচ্চশিক্ষার নিমিত্তে কক্সবাজারে বসবাসরত ছাত্র-ছাত্রীদের ঘর থেকে অনেক দূরে এসে চট্টগ্রাম বা ঢাকার বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে হয়। কেননা কক্সবাজার জেলায় প্রতিষ্ঠিত সরকারি-বেসরকারি কলেজ গুলো উচ্চশিক্ষার চাহিদা অনুপাতে অত্যন্ত অপ্রতুল। তাছাড়া এই পর্যটন নগরীতে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অবস্থিত হওয়ার সুবাদে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকের সমাগম ঘটে, যাদের একটি অংশ কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু জনগণের এই দীর্ঘ দিনের দাবী পূরণকল্পে এ যাবত সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে কোন পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা কক্সবাজারের জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর জন্যই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অঞ্চলে স্মরণকালের ইতিহাস, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উত্থান ঘটানোর লক্ষ্যে “কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির” অনুমোদন প্রদান করেন।

“কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির” সম্মানিত উদ্যোক্তা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি সৃজনশীল ব্যক্তি শিক্ষানুরাগী জনাব লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, কক্সবাজারবাসীর ঘরে বসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে এবং তাঁর আজীবনের স্বপ্ন পূরণকল্পে “কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি” প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। শিক্ষানুরাগী জনাব লায়ন মোঃ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ (সিআইপি) সাহেবের সার্বিক সহযোগিতায় সরকারের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদন পাওয়ার পর এই অঞ্চলের স্মরণকালের ইতিহাস ” কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি” প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং আল্লাহর অসীম কৃপায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির সুনাম দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র সম্মানিত উদ্যোক্তা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি জনাব লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের দাবী এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার এ চাহিদাকে সামনে রেখে আমরা কক্সবাজারে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি, যেখানে আপাতত ৫টি অনুষদের মাধ্যমে ১২টি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমরা ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ডরমেটরি স্থাপন যাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীর আবাসন সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে পারি। এখানে উল্লেখ্য যে, তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার সুবাদে বিশ্বের প্রায় ৩০ টি উন্নত দেশের সাথে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। এরই সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে ক্রেডিট ট্রান্সফার ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে বিদেশেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে পারে। তাছাড়া দেশ ও বিদেশে যে সব বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশী আগ্রহী সে সব বিষয়গুলো নিয়ে কম খরচে পড়ার সুযোগ থাকছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আরো আছে সুবিন্যস্ত লাইব্রেরি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ক্যাম্পাস, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, আইইএলটিএস কোর্স, কালচারাল ক্লাব ও কম্পিউটার ল্যাবসহ উন্নত মানের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা। অন্যদিকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে ও অবকাঠামোগত সুবিধা দিয়ে গ্রেজুয়েশনসহ মাস্টার্স ডিগ্রি প্রদানের মাধ্যমে একটি বহুজাতিক শিক্ষা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারবে। শিক্ষা বিস্তারে ভবিষ্যতে দেশী ও বিদেশী শিক্ষাবিদদের অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে একটি গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সালাহ উদ্দিন আহমেদ (সিআইপি) ও সম্মানিত উদ্যোক্তা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি জনাব লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

২০১৩ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক অনুমোদন পাওয়ার পর কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। ২০১৪ সালের ৮ মার্চ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থী প্রায় দেড় হাজারের ওপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে নানান বাঙালি উৎসব, যেমন- পহেলা বৈশাখ উদযাপন, ফাল্গুন উৎসব, পুজার মন্ডপও বসিয়ে বেশ ঘটা করেই বিভিন্ন উৎসবগুলি পালন করা হয়। বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন যেমন- ২১ শে ফ্রেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস , ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস সহ নানান দিবস নিয়মিত পালন করা বাধ্যতামুলক। এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি জনাব লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ ধূমপান নিষিদ্ধ ক্যাম্পাস।

এখানে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ বৃত্তি প্রদান করা হয় এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩% শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে অধ্যয়নের সুযোগ দেয়া হয়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের ৫০%- ৩০% পর্যন্ত ডিসকাউন্টে পড়ার সুযোগ দিয়ে সবার মধ্যে প্রতিযোগিতার প্রবণতা সৃষ্টি ও ভালোভাবে পড়াশুনার উৎসাহ প্রদান করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত একাডেমিক ও সামাজিক সচেতনতামূলক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এছাড়াও সেমিস্টার পার্টি, ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠান, ইফতার পার্টি, নবীনবরণ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়মিত করা হয়। শিক্ষার্থীদের সুন্দর স্বাস্থ্য ও প্রফুল্ল মনের জন্য নিয়মিত ইনডোর ও আউটডোরসহ বিভিন্ন খেলাধূলার আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মানবিক কাজেও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রথম ব্যাচগুলির র‍্যাগ ডে বেশ ধুমধামের সাথে পালন করা হয় এবং প্রথম ব্যাচ গুলির জন্য সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

উল্লেখ্য, কক্সবাজারে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় যা কক্সবাজারের প্রতি সরকারের শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে আগ্রহের প্রতিফলন বলে মনে করি। আমরা মনে করি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান শুধু হোটেল-মোটেল নির্মাণে সীমাবদ্ধ না রেখে দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে ভুমিকা রাখা উচিত। যাতে দেশ ও জাতি উন্নত হয়।
উচ্চশিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার পথ উন্মুক্ত হয় ও মানবিকতার বিকাশ ঘটে। মানুষ ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের অন্ধকার থেকে নিজেকে মুক্ত করে শিক্ষার আলোয় জীবনকে উদ্ভাসিত করতে পারে। শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে মানুষের চিন্তা চেতনার উন্মেষ ঘটে ও অন্তর্জগতে বিপ্লব সাধিত হয়। একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বের দরবারে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করবে। আর আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা দেয়াই সিবিআইইউ এর লক্ষ্য। বিশ্ব প্রযুক্তি উৎকর্ষের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার কারণে বেড়েছে সর্বক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা। শিক্ষাদানে ও শিক্ষাগ্রহণে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, সর্বোপরি কম্পিউটার, ইন্টারনেট, তথ্য প্রযুক্তির দ্বারা বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে করতে হচ্ছে মানসম্মত ও যুগোপযোগী। এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখে কক্সবাজারের মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণার্থে এই অঞ্চলের সামগ্রিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমরা বদ্ধ পরিকর। তাই আমাদের এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষ সহায়তা কামনা করছি।
__________________________
লেখক: মাহবুবা সুলতানা শিউলি
মেম্বার, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

Top